দুই ম–‌এর রোগ ধরেছে সৌরভকেও

গেছেন লন্ডনে ধারাভাষ্য দিতে। ডাক পেয়েছেন এমসিসি–‌র মিটিয়ে। সেই মিটিং থেকে সেলফি তুলে খাঁচিয়ে দিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁকেও কিনা সেলফি তুলে নিজের ঢাক পেটাতে হচ্ছে!‌ বাংলার মহারাজের জন্য এবার কলম ধরলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।

সেই ছাতা ফেরত দেওয়াই হল না

স্মৃতিটুকু থাক। সেলিব্রিটি নয়, আপনার কথা। পাঠকদের নানা অনুভূতির কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। কোথাও অতীতকে একটু ছুঁয়ে দেখা। কোথাও হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর কথা। ছোটবেলার ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। সেসব একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি উজাড় করে দিন। আজ একটি ছাতা ও এক মাস্টারমশাইয়ের কাহিনি।
(ক্লিক করুন, পড়ুন)।

নীতা কিন্তু এখনও বেঁচে আছে

নীতা মারা গিয়েছিল। কিন্তু সেই সংলাপটা দিব্যি বেঁচে আছে। কালজয়ী হয়ে বেঁচে আছে ‘মেঘে ঢাকা তারা’। বাংলা ছবির সেই অমর সৃষ্টির দিকেই আলো ফেললেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।

হাতের কাছেই রহস্যে ঘেরা এক সৈকত

দিঘায় তো অনেকেই গিয়েছেন। মন্দারমণি বা শঙ্করপুরও অচেনা নয়। কিন্তু কাছেই এক অজানা সৈকত, রহস্যে ঘেরা অন্য এক সমুদ্র। ঝাউ আর ক্যাসুরিনার জঙ্গল। সন্ধান দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।

একটি রাস্তা ও বদলে যাওয়া তিনটি মুখ

‌সুবাস ঘিসিংয়ের নামে একটি রাস্তা। কিন্তু সেই রাস্তার আড়ালে কত মুখ বদলে গেল!‌ কত বয়ান বদলে গেল! বিনয় তামাং, মমতা ব্যানার্জি, মন ঘিসিং –‌ সবাই কেমন নিজের নিজের অঙ্ক বুঝে নিলেন!‌ কার কী অঙ্ক?‌ তাই নিয়েই লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

কুণালকে অপছন্দ করুন, বইটা পড়ুন

কুণাল ঘোষকে অপছন্দ করেন?‌ করতেই পারেন। সেটা আপনার অধিকার। কিন্তু তাঁর লেখাকে ফুৎকারে উড়িয়ে দেবেন?‌ বলতেই হচ্ছে, আপনি তাঁর লেখা পড়েননি। একেবারে ভিন্নস্বাদের এক উপন্যাস। একটি মেয়ের উঠে আসার, লড়াই করার কাহিনী।

বুদ্ধিজীবী সমাচার

‌‌উপন্যাস স্বরূপ গোস্বামী রাজস্থানে পৌঁছেই ফেলুদা বলেছিল, নিশ্চিন্তে আর থাকা গেল না রে তোপসে। কেউই বোধ হয় নিশ্চিন্ত নয়। আমাদের এই নির্জন সরকারও নয়। এ লাইনে কম্পিটিশন খুব বেড়ে গেছে।...

বিমল গুরুং বলছি

‌পাহাড়ের গোপন ডেরা থেকে হুঙ্কার ছেড়েই চলেছেন বিমল গুরুং। ধরা যাক, তিনি বিনয় তামাংকে বার্তা দিতে চান। চিঠি লিখতে চান। কী লিখতেন সেই চিঠিতে। উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে। বিমলের বয়ানে সেই চিঠিই লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

আবার সেই প্রেস ক্লাব!‌

হুঙ্কার দেওয়ার জন্য, ফতোয়া দেওয়ার জন্য, দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়ার জন্য আবার বেছে নেওয়া হল কলকাতা প্রেস ক্লাবকে। এইসব লোককে হল ভাড়া না দিলেই নয়?‌ এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।

লালবাতি না থাকলে সম্মান পাবেন না!‌ সত্যিই আপনারা কী অসহায়!‌

ইমাম সাহেবের বাবা নাকি লালবাতির গাড়িতে চড়তেন। তাই তিনিও চড়বেন। বাবা তো মোবাইল বা এসি গাড়ি ব্যবহার করতেন না। ইমাম সাহেব, আগে এসি, মোবাইল ত্যাগ করুন। লালবাতি না থাকলে সম্মান পাবেন না! আপনার সম্মান লালবাতির জন্য?‌‌ কাজের মধ্যে দিয়ে সম্মান অর্জন করুন। লিখেছেন সব্যসাচী কুণ্ডু।।