ছোটবেলার সঙ্গী, বড়বেলারও সঙ্গী

আমাদের অনেকেরই ছোটবেলা কেটেছে তাঁর বই পড়ে। বয়স বাড়লেও নেই নেশা থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। এখনও পাড়ায় কুকুর দেখলে মনে পড়ে যায় পঞ্চুর কথা। বাবলু, ভোম্বল, বিলু, বাচ্চু, বিচ্চুরা আমাদের খুব একটা অচেআ নয়। আমি পড়েছি। আমার বাবার ছোটবেলাটাও তাঁর লেখা পড়েই কেটেছে।

আপনার জীবনে বাংলা কতটুকু?

স্বরূপ গোস্বামী একুশে ফেব্রুয়ারি মানেই বাঙালির আদিখ্যেতার শেষ নেই। এমনই আদিখ্যেতা দেখা যায় পয়লা বৈশাখ, পঁচিশে বৈশাখ। যেন এই দুটো বা তিনটে দিন বাঙালি হলেই চলবে। বাকি দিনগুলোয় বাঙালি হওয়ার...

বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। ২১ ফেব্রুয়ারি সংখ্যা

আবার একটা একুশে ফেব্রুয়ারি। বাঙালির গর্বের দিন। একদিকে অশান্ত ওপার বাংলা। অন্যদিকে, চিরঘুমের দেশে আমি বাংলায় গান গাই–‌এর স্রষ্টা প্রতুল মুখোপাধ্যায়। রাজনীতি, সাহিত্য, বিনোদন, খেলা, ভ্রমণ— সবমিলিয়ে বেঙ্গল টাইমসের এবারের সংখ্যা।

জটায়ুর মতো ভুলভাল হিন্দি বলতেই বাঙালির যত আনন্দ

এই ভাষা দেশকে জনগণমন ও বন্দেমাতরম দিয়েছে। এই ভাষা দেশকে সাহিত্যে একমাত্র নোবেল দিয়েছে। এই ভাষা দেশকে প্রথম অস্কার এনে দিয়েছে। তারপরেও নিজের ভাষাকে খাটো করার এমন চেষ্টা বোধ হয় বাঙালিই করতে পারে। তাই একটা নববর্ষ বা একটা একুশে ফেব্রুয়ারি শখের বাঙালি হয়ে উঠলে হবে না। বছরের বাকি দিনগুলোতেও বাঙালি হয়েই থাকতে হবে। বাঙালি হিসেবেই গর্ববোধ করতে হবে। এটাই হোক এবারের একুশের অঙ্গীকার।

বয়কট দিয়ে গেলেন আস্ত একটা নদী

এই বই মোটেই ইয়র্কশায়ারের ‘‌চিরতরুণ’‌ বয়কটের জীবনী নয়। নেট ঘেঁটে তুলে আনা বহুচর্চিত ঘটনার সংকলনও নয়। তাহলে এই বইয়ে আছেটা কী?‌ প্রথম দুই অনুচ্ছেদ থেকে তার কিছুটা আভাস নিশ্চয় পাওয়া যাচ্ছে। ৪৪ বছরের নিবিঢ় বন্ধুত্বের পর যে বইয়ের জন্ম হয়, তার দুই মলাটের ভেতর কী থাকতে পারে, নিজেরাই ভেবে নিন। আমাদের কুয়োর জীবনে হঠাৎ করেই যেন মহাসমুদ্রের হাতছানি। সাঁতার দিতে দিতে অতল গভীরে পৌঁছে যাওয়া। যেখানে অন্তত স‌বজান্তা গুগল বাবাজীবনের প্রবেশাধিকার নেই।

একেনবাবুকে এত ঝামেলায় ফেলার কী দরকার!‌

একটা খুন দিয়ে শুরু। দেখতে দেখতে গোটা পাঁচেক খুন হয়ে গেল। ঘেঁটে ঘ হয়ে যাওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। বেচারা একেনবাবু নিপাট ভাল মানুষ। একটু ভোজনসরিক। একটু স্বভাবরসিক। তাঁকে এই ঝামেলায় না ফেললেই চলছিল না!‌ এত কঠিন অঙ্ক দেওয়া কেন বাপু!‌ গোয়েন্দা কাহিনীকে ‘‌পোক্ত’‌ করতে পাঁচখানা খুনের কী দরকার ছিল?‌ দু–‌তিনটে খুন হলে বুঝি গোয়েন্দার মান ইজ্জত থাকত না!‌

বই চুরিতে পিছিয়ে নেই বিদেশিরাও

শেষদিন। সেদিনেরও লিড স্টোরি লেখার দায়িত্ব আমার উপর। শেষদিন মানে, কেমন একটা মন খারাপের ব্যাপার। এতদিনের এত ব্যস্ততা, বইপ্রেমীদের এই উৎসব, সব যেন অতীত হয়ে যাবে। বিদায় বেলার একটা করুণ সুর যেন বেজে উঠবে। মূলত এইরকম আবেগের ছোঁয়া দিয়েই লিড স্টোরিটা লেখা হয়েছিল। আগের রাতেই বাড়ি থেকে লিখে ফেলেছিলাম। সকালে সেটা প্রেসে যাবে।

বই তো কিনলেন, তারপর!‌

শুধু যে নতুন বই নিয়েই আলোচনা, এমন নয়। বইটি হয়ত পাঁচ বছর আগের, কিন্তু আপনি নতুন কিনলেন, নতুন পড়লেন। সেই অভিজ্ঞতাও উঠে আসতে পারে। সার্বিকভাবে বইমেলার নানা গল্প ও অভিজ্ঞতাও উঠে আসতে পারে।

বাংলাদেশ নেই, দীর্ঘশ্বাস আছে

বিভেদকামীদের প্ররোচনা সরিয়ে আবার সাহিত্যের আঙিনায় সম্প্রীতি ফিরে আসুক। স্বমহিমায় ফিরে আসুক বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন। বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন ছাড়া কলকাতা বইমেলা অসম্পূর্ণ।

বইমেলার থিম!‌ আসলে ঘোড়ার ডিম

আচ্ছা, কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে কি চীনের সিনেমা, ইরানের সিনেমা ইত্যাদি থিম থাকে? খাদ্য মেলায় কি মোগলাই খাবার, ইতালিয়ান খাবার ইত্যাদি থিম থাকে? থাকে না। মেলা মানে হরেক জিনিস ছড়িয়ে থাকবে। যার যেটা খুশি কিনবে। মেলার আবার থিম কী হে?