মোদি মোটেই সম্পদ নন, আস্ত বোঝা, বঙ্গ বিজেপি কবে যে বুঝবে!‌

অন্য রাজ্যে সিবিআই, ইডি কত সক্রিয়। অথচ, এই রাজ্যের বেলায় তা ভয়ঙ্করভাবে নিষ্ক্রিয়। যেটার তদন্ত করলে সাতদিনও লাগার কথা নয়, সেই তদন্ত করতে বছরের পর বছর লাগিয়ে দেয়। তারপর বিস্তর তদন্ত করে এই সিদ্ধান্তে আসে, রাজ্য সরকার সহযোগিতা করছে না। আরে বাবা, রাজ্য সহযোগিতা করবে না বলেই তো কোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়।

কালীঘাটের কাকু নয়, আসলে ভেন্টিলেশনে আছে সিবিআই

সত্যিই কি ‘‌কাকু’‌ সঙ্কটজনক!‌ আসলে, সঙ্কটজনক অবস্থা হল সিবিআই আর ইডি–‌র। কাকু নয়, এই দুই কেন্দ্রীয় এজেন্সিই আসলে ভেন্টিলেশনে রয়েছে। এই দুই এজেন্সি নিজেদের এমন স্তরে নামিয়ে এনেছে, তাদের আদৌ শ্বাস–‌প্রশ্বাস চলে কিনা সেটাই সন্দেহ। কিছু পেটোয়া চ্যানেল যেন তাদের ভেন্টিলেশন দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে।

আপনি একবার ‘‌দেশপ্রেমী’‌ হয়ে গেলেই অনেক অপকর্ম ঢাকা পড়ে যাবে

এতদিন শুনে আসতাম, ভারতকে নাকি সবাই ভয় পায়। আমেরিকা, চীন, জাপান সবাই নাকি ভারতকে ভয় পাচ্ছে। গত কয়েকমাসে অন্তত এটুকু বোঝা গেল, পাশের পুঁচকে রাজ্য বাংলাদেশও মোদিকে পাত্তা দেয় না। তাঁদের সরকারের কর্মকাণ্ড অবশ্যই নিন্দনীয়। কিন্তু তাঁরা যে ভারতকে বিশেষ পাত্তা দিচ্ছে না, এটা অন্তত পরিষ্কার।

শুধু শরিকদের ঘাড়ে দায় চাপালে যন্ত্রণা মিটবে তো!‌

এটা ঘটনা, শরিকদের বেশ কিছু আসনে জয়ের পেছনে সিপিএমের ভূমিকাই প্রধান। সিপিএম আশি, তো শরিকরা হয়তো কুড়ি। কিন্তু সব জায়গার চিত্রটা এমন নয়। কোচবিহারে ফরওয়ার্ড ব্লকের শক্তি বা চা–‌বলয়ে আরএসপির সাংগঠনিক শক্তি কতখানি, তা কলকাতায় বসে বোঝার কথা নয়। সাতের দশক বা আটের দশকের কথা নয়। সাম্প্রতিক অতীতেও বহুবার তার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আসল পান্ডা আপনার বাড়িতেই, এই সহজ সত্যিটাই বলতে পারল না পুলিশ

সেদিন পুলিশ কর্তারা বলতে পেরেছিলেন, উনি আনপার বাড়িতেই লুকিয়ে আছেন, তাই আমরা গ্রেপ্তার করতে পারছি না।
এদিন পুলিশ কর্তারা এই সহজ সত্যিটা বলতে পারলেন না। তফাত শুধু এই টুকুই।

বিরোধীরা কী বলবেন, তিনি ঠিক করে দিচ্ছেন, এটাই কুণালের সাফল্য

কুণালবাবুর সহিষ্ণুতা দেখে সত্যিই অবাক হতে হয়। তিনি জানেন, কোন পোস্টের পর কী গালাগাল অপেক্ষা করছে। তারপরেও তিনি সেগুলো বেশ উপভোগ করেন। যাবতীয় প্রচারের সার্চলাইট চলে যায় তাঁর দিকে। তিনি অন্তত নিজের ভূমিকায় সফল। আন্দোলন থেকে মানুষের কথাবার্তা, আলোচনা অন্য অভিমুখে নিয়ে যেতে তিনি ষোল আনা সফল।

সব কাজেই ঝোলান! আপনি মশাই নির্ঘাত সিবিআই

সরল বিশ্বাস আপনাকে ২ কেজি আলু কিনতে পাঠানো হল। বলা হল, দ্রুত সেই আলু নিয়ে আসতে হবে। আপনি ফিরে এলে তবে রান্না হবে। আপনি বাজার গেলেন। গিয়েই দেখলেন, কোন কোন...

অমিত শাহ যে আস্ত বোঝা, রাজ্য বিজেপি কবে বুঝবে!‌

এই সিবিআই কে চালায়?‌ তৃণমল চালায় না। সিপিএম চালায় না। কংগ্রেসও চালায় না। দেশের সবথেকে অপদার্থ একটি সংস্থার দায়িত্বে এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনিই সিবিআই–‌কে এমন হাস্যকর জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি নাকি আয়রন ম্যান। তিনি নাকি চানক্য। তিনি নাকি দারুণ সাহসী। তাহলে সিবিআই মাসের পর মাস ঘুমিয়ে থাকে কেন?‌ সত্যি করে বলুন তো, এমন ব্যর্থ এবং এমন ভীতু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই দেশ কখনও দেখেছে?‌ এমন সীমাহীন ব্যর্থতার পর তিনি কিনা এই রাজ্যে এসে কর্মীদের চাঙ্গা করেন।

কেন এত চাঁদা উঠছে?‌ প্রশ্ন নয়, আত্মসমীক্ষা করুন

এই ডাক্তাররা সরকার চালান না। এঁদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে পাওয়ার কিছুই নেই। তারপরেও মানুষ কেন দিচ্ছেন?‌ এই প্রশ্নটা কেউ ভেবে দেখেছেন?‌ যাঁরা দিচ্ছেন, তাঁদের অধিকাংশই এঁদের চেনেনও না। এঁরাও তাঁদের চেনেন না। কিন্তু তারপরেও ভিন রাজ্যের এমনকী ভিন দেশের মানুষরা টাকা দিতে চাইছেন। কেন?‌ টাকা দিয়ে তাঁদের কী লাভ?‌ আসলে, এঁদের আন্দোলন কোথাও একটা এমন স্তরে পৌঁছেছে, যেখানে মানুষের মনে হচ্ছে, এঁদের পাশে থাকা দরকার। মানুষের কোথাও একটা মনে হচ্ছে, এঁদের লড়াইয়ে আমার এটুকু অন্তত অবদান থাকুক। দিয়ে তিনি নিজেও কোথাও একটা মানসিকভাবে তৃপ্তি পাচ্ছেন।

মীনাক্ষীতে হাত পুড়ল, তাই তন্ময় নতুন শিকার নন তো!‌

তন্ময়বাবুর বিষয়টি নিয়েও সন্দেহ হচ্ছে। সেই মহিলা সাংবাদিকের অভিযোগের প্রতি এবং তাঁর প্রতিবাদের প্রতি সম্মান জানিয়েও বলতে হচ্ছে, তিনিও রাজনৈতিক পুতুল হয়ে গেলেন না তো?‌ মীনাক্ষীর ব্যাপারে যে দুই মুখপাত্র সোচ্চার হয়েছিলেন, এক্ষেত্রেও তা্ঁদের অতি তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। একটা বিকৃত প্রচার বুমেরাং হয়ে গেল, তাই অন্য কোনও বিকৃত প্রচারকে সামনে আনার নোঙরা উদ্দেশ্য নয় তো!‌