সেই কলমের আজও বিরাম নেই। বিরাম নেই ঘোরাঘুরির। এই বয়সেও যেন পায়ে চাকা লাগানো আছে ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়ের। এবার তিনিই পাচ্ছেন সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার। পুরস্কার যেন তার সঠিক ঠিকানা খুঁজে নিল। লিখেছেন সংহিতা বারুই।
তরুণ ছাত্রনেতা, বর্তমানে চিত্র পরিচালকের চোখে অশোক ঘোষ। ২ বছর আগে, তাঁর জন্মদিনে প্রকাশিত হয়েছিল লেখাটি। মুম্বই প্রবাসী অরিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সেই লেখাটি আবার প্রকাশিত হল। পড়ে দেখুন, ভাল লাগবে।
রাজনীতির বৃত্তেই ছিলেন না। হঠাৎ করেই এসে পড়লেন। কারণ, অশোক ঘোষ। দূর থেকে, কাছ থেকে, দুভাবেই দেখেছেন। সেই মুগ্ধতাই উঠে এল প্রাক্তন বিধায়ক মাণিকলাল আচার্যর অকপট স্মৃতিচারণে। ২ বছর আগের সেই লেখাটি আবার পড়লে ভালই লাগবে।
(এখন চলছে কনফেডারেশন কাপ। আন্তর্জাতিক ফুটবলের চর্চায় মগ্ন বাঙালি। গত বছর এমন সময় ছিল ইউরো কাপের ফাইনাল। বিদায় নিয়েছিলেন অমল দত্ত। মৃত্যুর ঠিক আগে, তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসে। কিংবদন্তি কোচের মৃত্যুর এক বছরে সেই লেখাটি আবার তুলে ধরা হল। )
সত্যিকারের বন্ধু, যাকে দরকারের সময় পাশে পাওয়া যায়। একবার ডাক দিলেই সে হাত বাড়িয়ে দেয়, এমনকী না ডাকলেও। তেমনই এক বন্ধুর কথা স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। লিখেছেন প্রলয় বসাক।।
ফুটবলাররা কেন ট্রেনে আসবেন? তা নিয়ে কয়েকজনের যেন ঘুম হচ্ছে না। যাঁরা এলেন, তাঁদের আপত্তি নেই, তাহলে বাকিদের এত আপত্তি কীসের? কর্তারা নাকি শোকজ করছেন। কবে যে এই কর্তারা সাবালক হবেন! লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
কাজের সূত্রে আলাপ। কিন্তু মাঝে ফুটবল আর ইস্টবেঙ্গল। আলাপ থেকে ঘনিষ্ঠ হতে আর কী চাই! পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্নেহ মিলিয়ে চমৎকার একটা সম্পর্ক। শান্ত মিত্রর প্রয়াণে কলম ধরলেন তাঁরই বিশেষ স্নেহভাজন কুণাল দাশগুপ্ত।।
কোনও স্ক্রিপ্ট বা গল্প লিখলে সবার আগে পড়ে শোনাতেন স্ত্রী বিজয়া রায়কে। পথের পাঁচালি-র আগে নিজের হাতের গয়না তুলে দিয়েছিলেন সত্যজিতের হাতে বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে গিয়ে এমন অনেক অজানা কথা জেনে এলেন সংহিতা বারুই।
সন্ধে হলেই বাড়িতে সিরিয়াল চলে? পরিবারে অশান্তির জন্য আর কী চাই? সংসারে যত জটিলতার উৎস, এই সিরিয়াল। লিখেছন সুমিত চক্রবর্তী।।
তিনি সোনি নর্ডির মা। তিনি মোহনবাগানেরও মা। সেই মাকে খোলা চিঠি— সোনির মা সমীপেষু। মন ছুঁয়ে যাওয়া এই লেখাটি অবশ্যই পড়ুন।