গালুডি ও আমাদের সেই দোবরু পান্না

একদিকে বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা। অন্যদিকে সারি সারি পাহাড়ের মিছিল। তারই মাঝে পেয়ে গেলাম আরণ্যকের সেই দোবরু পান্নাকে।

ভাইকে মনে হত অপু, আর আমিই যেন দুর্গা

দুর্গা আর অপু কোথায় যেন নিজের জীবনের সঙ্গে মিলে গিয়েছিল। সিনেমাটা টি ভি তে যখন প্রথম দেখি, তখন আমার ভাইও অপুর বয়সী। কেন জানি না, নিজেকে দুর্গার মতো মনে হত। তখনকার জীবন এখনকার মত এত স্বাচ্ছন্দ্যে ভরা ছিল না। আমি আর ভাই প্রকৃতির কাছে কতবার যে ছুটে চলে গেছি নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কারের নেশায়।

হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির সরণি বেয়ে ….

জীবনে চলার পথে হারিয়ে যাওয়া কোনও বন্ধুর সেই দুষ্টুমির কথা উঠে আসতেই পারে। কোনও মাস্টারমশাইয়ের ধমক বা স্নেহের শাসন, সরস্বতী পুজো বা দুর্গা পুজোর ছোট ছোট ঘটনা, যেগুলো মাঝে মাঝেই মনে পড়ে যায়। লড়াইয়ের দিনগুলোয় কারা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত? জীবনের এতটা পথ পেরিয়ে আসার পর যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে ইচ্ছে করে, সেই দরজা খোলা থাক।

অবসর জীবন মোটেই সুখের নয়

অবসরের পর জীবনটা সত্যিই বড় বদলে যায়। অনেকের চোখের ভাষায় সেটা বুঝতে পারি। আসলে, আমরা কখনই বর্তমান অবস্থানে খুশি নই। যখন চাকরি করি, তখন ছুটি চাই। আবার যখন অনন্ত ছুটি চাই, তখন সেটা বিরক্ত লাগে। এই কারণেই কবি লিখেছিলেন, ‘‌নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস’‌।

আজি হেমন্ত জাগ্রত দ্বারে

বিজয়ার বিষাদ শেষে একটু একটু করে শরৎ চলে যায়। কাশফুল পরের বছর ‘আবার আসব’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোথায় যেন নিমেষে হারিয়ে যায়। শিউলি ফুল টিকে থাকলেও কেমন যেন নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এই কার্তিক মাসের শিউলি মাটিতে ঝরে পড়া পছন্দ করে না। বরং ফুরিয়ে যাওয়ার আগে সে গাছের সঙ্গে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। তাকেও টিকে থাকার লড়াই করতে হয়। হেমন্তের শিউলির মধ্যে শরতের সেই প্রাণ চঞ্চলতা থাকে না। কারণ তার বিদায় নেওয়ার সময় আসন্ন।

ফেলে আসা পুজোর দিনগুলো

শারদ যাপন অন্তরা চৌধুরি (ভাগলপুর থেকে) সবাই বলে পুজো আসছে আসছেই ভাল। পুজো এসে গেলে কোথা দিয়ে যে তিন চার দিন কেটে যায় বোঝাই যায় না। বোঝার আগেই পুজো শেষ...

ভাগ্যিস ছন্দা সেনকে এমন চিৎকার করতে হয়নি

আর বিকেল পাঁচটার বাংলা ছবি মানে, মাঝখানে থাকবে বাংলা সংবাদ। কবে কে খবর পড়বেন, আগে থেকে বাজি ধরাও চলত। আজ কে আসবেন?‌ তরুণ চক্রবতী নাকি কমলিকা ভট্টাচার্য?‌ দেবরাজ রায় নাকি ছন্দা সেন?‌ দেবাশিস বসু নাকি ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য?‌

‌ট্রেনের সেই আজব ভদ্রলোক

গৌতম রায় দূরপাল্লার ট্রেনে ওঠার পর কিছু মানুষ ট্রেনের কামরাকে নিজের বাড়ি বানিয়ে ফেলেন। ঘটনাটা একটু খুলে বলি। একবার দার্জিলিং মেলে বাড়ি ফিরছি। ওদিকের লোয়ার বার্থে এক ভদ্রলোক উঠেছেন। ট্রেনে...

ভোলেবাবা অভিযান, সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান

তারপরেও ভোলেবাবা গেছি। কিন্তু আর কখনও গঞ্জিকা চক্করে পড়িনি। তবে এখনও কাউকে ভোলেবাবা যেতে দেখলে গন্ধেশ্বরীর পাড়ে ঘুমিয়ে পড়ার দৃশ্যটা মনে পড়ে যায়।

কিশোর মনে ঝড় তোলা সেই শত্রু

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ আশির দশক। উঠে এল তখনকার একটি হিট ছবির কথা। সেই ছবিকে ঘিরে অনেক নস্টালজিয়ার কথা। শিশুমনে কত প্রশ্ন ও মুগ্ধতার কথা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।