বর্ষায় আসুন মুকুট মণিপুর

শীতে তো অনেকেই বেড়াতে যায়। আপনি বর্ষাতেই বেরিয়ে পড়ুন। কোথায় যাবেন ? কাছেই মুকুট মণিপুর থেকে ঘুরে আসতে পারেন। হদিশ দিলেন তোর্সা চ্যাটার্জি।।

মন্দারমণিঃ গাড়ি নয়, আসল সমস্যা অন্য জায়গায়

সবার প্রশ্ন, মন্দারমণির সৈকতে কেন গাড়ি নেমেছিল? গাড়ি নামা হয়ত আটকানো যাবে। কিন্তু কেন এইসব দুর্ঘটনা ঘটছে, তা কি তলিয়ে দেখা হচ্ছে ? আসল কারণ কিন্তু আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

শিক্ষকরা মারতেন, সেটাই ভাল ছিল

মানস বরাট হয়ত শিরোনাম দেখে অনেকে অবাকই হবেন। কিন্তু আমার মনে হয়, এইমুহূর্তে এটাই জরুরি। আমরা ছোট বেলা থেকেই গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা করেছি। কোনও কোনও স্যার থাকতেন, যাঁরা মারধর করতেন।...

কলেজে ওয়াই ফাই! কী মারাত্মক ক্ষতি, বুঝতেও পারছেন না

সরকারের ঘোষণা, বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় হবে ফ্রি ওয়াই ফাই জোন। অনেক জায়গায় চালু হয়েও গেছে। শিক্ষাজগতে এর কী প্রভাব পড়বে ? ছাত্রদের সত্যিই কাজে আসবে নাকি তাদের আরও বেশি বিপথগামী করবে তুলবে ? এই নিয়ে লিখলেন শিক্ষক প্রভাত দাশগুপ্ত।

সেই প্রথম গঞ্জিকায় টান

বেঙ্গল টাইমসে শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ। স্মৃতিটুকু থাক। সেলিব্রিটি নয়, আপনার কথা। পাঠকদের নানা অনুভূতির কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। কোথাও অতীতকে একটু ছুঁয়ে দেখা। কোথাও হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর কথা। ছোটবেলার ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। সেসব একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি উজাড় করে দিন। আজ ভোলেবাবা যাওয়ার সেই স্মৃতি সেইসঙ্গে গঞ্জিকা সেবন করে নদীর পাড়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার কাহিনি।

বৃষ্টির মাঝে, জলের ধারে

বৃষ্টির মাঝে কোথায় যাবেন, ভাবছেন ? বর্ষায় যদি জলের দেশেই যাওয়া যায়, কেমন হয় ? মাঝে লম্বা একটা ছুটি পেরিয়ে গেল। মাইথন আর পাঞ্চেত ঘুরে এসে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন সৌর্যজিৎ চৌধুরি।

অভিনন্দন ইমরান, যেটা আপনি বুঝলেন, সেটা বাকিরা বুঝল না?

অজয় পয়ড়্যা প্রথমেই অভিনন্দন জানাতে চাই বিধায়ক আলি ইমরানকে। এই তরুণ বিধায়কের সঙ্গে আলাপ নেই। তবে গত কয়েক বছর ধরে বিধানসভায় তাঁর লড়াকু ভূমিকার কথা কিছুটা হলেও কাগজ পড়ে জেনেছি।...

ফ্রি ওয়াইফাই নয়, বরং মোবাইল নিষিদ্ধ করুন

শান্তনু বটব্যাল এই সরকার যে কী করতে চাইছে, বোঝা যায় না। শিক্ষা নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা চলছে। একেকদিন একেক রকম নিয়ম। নিজেরাই নিয়ম করছে। আবার বদল করছে। কোন নিয়ম চালু করলে...

মদ নিষিদ্ধ হোকঃ ফের ঝড় তুললেন ভিক্টর

বিধানসভায় তিনিই বিরোধীদের অন্যতম মুখ। কিন্তু সেই আলি ইমরান (ভিক্টর) অন্য এক অঙ্গিকার করে বসলেন। বললেন, কৃষ্ণ শিশুপালকে কথা দিয়েছিলেন, একশোটা অপরাধ ক্ষমা করবেন। আমিও কথা দিচ্ছি, সরকার মদ নিষিদ্ধ করুক, আগামী একবছর বিধানসভায় সরকারের বা মুখ্যমন্ত্রীর কোনও সমালোচনা করব না। বিধানভায় তাঁর স্মরণীয় বক্তৃতার নির্যাস পড়ুন বেঙ্গল টাইমসে।

আরও একটা ভুল, আর কত ভুল করবেন?

বাংলায় জোট ছিল। কই, কেরলে ক্ষমতায় আসতে তো সমস্যা হয়নি। বা কেরলে কংগ্রেসের সঙ্গে লড়াই হয়েছে। বাংলার গ্রামাঞ্চলে বাম-কংগ্রেস একসঙ্গে মিছিল করতে সমস্যা হয়নি। নিচুতলার কর্মীরা বাস্তবতা বোঝেন, বোঝেন না ঠান্ডা ঘরের নেতারা। তাই কর্মীদের মনোভাব বা আবেগ না বুঝেই আরও একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।