পাখির কোনও সীমান্ত নেই
শীত এলেই ওরা হাজির। বছরের পর বছর পরিযায়ী পাখিরা হাজির হয়ে যায় সাঁতরাগাছির ঝিলে। কেমন আছে সেই পরিযায়ীর দল? খোঁজ নিয়ে এলেন সংহিতা বারুই।
শীত এলেই ওরা হাজির। বছরের পর বছর পরিযায়ী পাখিরা হাজির হয়ে যায় সাঁতরাগাছির ঝিলে। কেমন আছে সেই পরিযায়ীর দল? খোঁজ নিয়ে এলেন সংহিতা বারুই।
দুর্গম পথ পেরিযে এক রূপকথার দেশে।বক্সা ফোর্ট পেরিয়ে ছোট্ট একটি গ্রাম লেপচা খা। পাহাড়ি সেই উপত্যকা থেকে ঘুরে এসে কলম ধরলেন সৌম্যদীপ সরকার ।।
রাজ্যের নানাপ্রান্তে কতরকমের মেলা। ঢাউস সরকারি হোর্ডিং আর বিজ্ঞাপন। কিন্তু প্রাণের স্পর্শ কই? ঘুরে আসুন ডিসেরগড়ের ছিন্নমস্তা মেলা থেকে। দেখতে পাবেন, প্রাণের স্পর্শ কাকে বলে। মানুষের সমাগম কাকে বলে। বিস্তারিত জানতে হলে পড়ুন এই প্রতিবেদনটি।
একবার গামছা পরেই ঢুকে পড়েছিলেন বিধানসভায়। হ্যাঁ, সুনীতি চট্টরাজ। নিঃশব্দেই চলে গেলেন। বাংলা কাগজেও বড় বেশি উপেক্ষিত থেকে গেলেন। বর্ণময় সেই মানুষটিকে নিয়ে অনেক অজানা কথা। উঠে এল স্বরূপ গোস্বামীর লেখায়।
শীত মানেই একের পর এক মেলা। হস্ত শিল্প থেকে সবলা, সরস থেকে সুখাদ্য। মেলা মানেই কি শুধু কলকাতা ? শুধু কলকাতা নিয়েই কি বাংলা ? জেলার দিকে একটু তাকানো যায় না? অনেক মেলা ঘুরে প্রশ্ন তুললেন অন্তরা চৌধুরী।
মোয়া মানেই উঠে আসে জয়নগরের নাম। দুটোই যেন সমার্থক। কিন্তু মোয়ার আসল রাজধানী মোটেই জয়নগর নয়। এই জয়নগর ব্র্যান্ডের আড়ালেই হারিয়ে গেছে বহরু। যাই যাই শীতের আমেজে সেই জয়নগর আর বহরু থেকে ঘুরে এলেন সংহিতা বারুই।
একদিকে বিকিয়ে যাওয়ার লাইন। অন্যদিকে নিঃশব্দ প্রতিবাদ। তাঁরাই হয়ে উঠতে পারেন প্রতিবাদের মুখ। কিন্তু তাঁদের কি আমরা চিনি ? এমনই এক বর্ষীয়াণ মহিলার নিঃশব্দ লড়াই উঠে এল স্বরূপ গোস্বামীর প্রতিবেদনে।
(মঙ্গলবার ছিল বিশ্ব পর্যটন দিবস। কীভাবে তুলে ধরা যায় আমাদের উত্তর বাংলার পর্যটনকে। সেই নিয়ে লিখলেন তিস্তা ঘোষাল। )