লাল সেলাম লেপচা খা
দুর্গম পথ পেরিযে এক রূপকথার দেশে।বক্সা ফোর্ট পেরিয়ে ছোট্ট একটি গ্রাম লেপচা খা। পাহাড়ি সেই উপত্যকা থেকে ঘুরে এসে কলম ধরলেন সৌম্যদীপ সরকার ।।
দুর্গম পথ পেরিযে এক রূপকথার দেশে।বক্সা ফোর্ট পেরিয়ে ছোট্ট একটি গ্রাম লেপচা খা। পাহাড়ি সেই উপত্যকা থেকে ঘুরে এসে কলম ধরলেন সৌম্যদীপ সরকার ।।
(মঙ্গলবার ছিল বিশ্ব পর্যটন দিবস। কীভাবে তুলে ধরা যায় আমাদের উত্তর বাংলার পর্যটনকে। সেই নিয়ে লিখলেন তিস্তা ঘোষাল। )
বিধানসভায় তিনিই বিরোধীদের অন্যতম মুখ। কিন্তু সেই আলি ইমরান (ভিক্টর) অন্য এক অঙ্গিকার করে বসলেন। বললেন, কৃষ্ণ শিশুপালকে কথা দিয়েছিলেন, একশোটা অপরাধ ক্ষমা করবেন। আমিও কথা দিচ্ছি, সরকার মদ নিষিদ্ধ করুক, আগামী একবছর বিধানসভায় সরকারের বা মুখ্যমন্ত্রীর কোনও সমালোচনা করব না। বিধানভায় তাঁর স্মরণীয় বক্তৃতার নির্যাস পড়ুন বেঙ্গল টাইমসে।
দুদিনের রাজ্য কমিটির সভা। জোট নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা। তর্ক-বিতর্ক। পলিটবুরো, গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতা। ভারি ভারি সব আলোচনা। বিপর্যয়ের আসল কারণগুলো নিয়ে আলোচনাই হল না। কোথায়, কেন সাফল্য, সেটুকুও আড়ালেই থেকে গেল। বিপর্যয়ের পরেও অন্য একদি দিকে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।।
দুর্গম পথ পেরিযে এক রূপকথার দেশে।বক্সা ফোর্ট পেরিয়ে ছোট্ট একটি গ্রাম লেপচা খা। পাহাড়ি সেই উপত্যকা থেকে ঘুরে এসে কলম ধরলেন সৌম্যদীপ সরকার ।।
ডুয়ার্সের রানি বলা হয় জয়ন্তীকে। না আছে এটিএম, না আছে হাসপাতাল, না আছে পানীয় জল। এমনি মোবাইল টাওয়ারও নেই বললেই চলে। আর কী কী নেই জয়ন্তীতে ? সেদিকেই আলো ফেললেন আরণ্যক ঘোষ।।