পদ্মাকর সিভালকার নিছক একজন গড়পড়তা ক্রিকেটার ছিলেন না। ভারতীয় ক্রিকেটে কটা রাজিন্দার গোয়েল বা সিভালকার জন্মেছেন? কোনও টেস্ট না খেলেও তাঁরা টেস্ট খেলিয়েদের চেয়ে বেশি সমীহ আদায় করে নিয়েছেন। কেউ কেউ থাকেন, যাঁরা হয়তো টেস্ট খেলেননি। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে যাঁদের অবদান হিমালয়সম। তেমনই এক হিমালয়ের নাম পদ্মাকর সিভালকার। কেরিয়ারে পাঁচশোর উপর উইকেট। এই দেশে কজনের আছে! অথচ, মৃত্যুর পরেও কী উপেক্ষাই না জুটল!
সেটাই ছিল সুব্রত ভট্টাচার্যর শেষ বছর। ১৭ বছর খেলা হয়ে গেছে। রজার মিল্লার কাছে প্রশ্ন এল, সুব্রতকে কেমন দেখলেন? বেচারা মিল্লা! বেমালুম বলে দিলেন, প্রমিশিং, ব্রাইট ফিউচার। এমনই স্মৃতি তুলে আনলেন রজত বসু।
অজয় নন্দী বড় গায়কের আগে গাইতে ওঠার একটা বিড়ম্বনা থাকে। একেকটা গান হয়, আর জোর হাততালি পড়ে। গায়ক ভেবে নিতেই পারেন, সবাই হয়তো তাঁর গানের তারিফ করছেন। আসলে, দর্শক বলতে...
রাজনীতির ব্যাপার রাজনীতির লোকেরা বুঝুন। তার সঙ্গে খেলাকে না জুড়লেই নয়! নিজেরা সমস্যা মেটাতে পারছেন না। সেই ব্যর্থতার বোঝা খেলাধূলার ওপর কেন চাপাচ্ছেন? যে সম্প্রীতি আপনারা আনতে পারেননি, তা ক্রিকেটাররাই পারেন। ওঁদের খেলতে দিন। এই দমবন্ধ আবহে ওঁরা অন্তত তাজা অক্সিজেন আনতে পারবেন।
বললাম, আমি আপনার ফ্যান। উনি হেঁসে বললেন, এমন ফ্যান যে চিনতেই পারছিলে না! আমি বললাম, না, মানে আপনাকে চোখের সামনে দেখে ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। উনি বিশ্বাস করলেন। একটা বইয়ের পাতায় বেশ কয়েকটা সই দিয়েছিলেন। আরও একবার দেখা হয়েছিল। অনেক লোকের মাঝেও উনি ঠিক চিনতে পেরেছিলেন।
রাত জেগে সেই বিশ্বকাপ দেখা। কৈশোরের সেই রোমাঞ্চই আলাদা। কিন্তু কীভাবে এল এই অভ্যেস? কে তৈরি করেছিলেন? স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে এমনই এক ব্যতিক্রমী শিক্ষকের কথা উঠে এল। পড়ুন, ভাল লাগবে।।
সেদিন তুমি বলেছিলে। আজ আমি বলছি। বোরিয়াদা, নেবে একটা ইন্টারভিউ! না নিলে কিন্তু খুব খারাপ হয়ে যাবে।
এই বই মোটেই ইয়র্কশায়ারের ‘চিরতরুণ’ বয়কটের জীবনী নয়। নেট ঘেঁটে তুলে আনা বহুচর্চিত ঘটনার সংকলনও নয়। তাহলে এই বইয়ে আছেটা কী? প্রথম দুই অনুচ্ছেদ থেকে তার কিছুটা আভাস নিশ্চয় পাওয়া যাচ্ছে। ৪৪ বছরের নিবিঢ় বন্ধুত্বের পর যে বইয়ের জন্ম হয়, তার দুই মলাটের ভেতর কী থাকতে পারে, নিজেরাই ভেবে নিন। আমাদের কুয়োর জীবনে হঠাৎ করেই যেন মহাসমুদ্রের হাতছানি। সাঁতার দিতে দিতে অতল গভীরে পৌঁছে যাওয়া। যেখানে অন্তত সবজান্তা গুগল বাবাজীবনের প্রবেশাধিকার নেই।
রোহিতও বারবার অল্প রানে ফিরে যাচ্ছিলেন। এটা মনের ওপর মারাত্মক চাপ ফেলছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে সেই চাপ কাটিয়ে ওঠা একান্তই জরুরি ছিল। তাই কটকের শতরানটা নিছক একটা শতরান নয়। তার থেকে অনেক বেশি কিছু। দলের অধিনায়ক যদি আত্মবিশ্বাসী না থাকেন, তাহলে তার প্রভাব গোটা দলের ওপরই পড়ে। রোহিত রান পাওয়ায় অনেকটাই যেন স্বস্তি ফিরে এল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে রোহিতকে আবার স্বমহিমায় দেখতে চাই।
হেমন্ত রায় একেবারে সঠিক জায়গাতেই বারবার আলো ফেলেছেন সুনীল গাভাসকার। তারকা ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ক্রিকেটে আরও বেশি করে খেলানো হোক। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার মতো তারকারা প্রায় এক দশক ধরে ঘরোয়া...