অ্যাওয়ে ম্যাচে সমর্থকদের নিয়ে যাওয়া যায় না?
অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলতে যাচ্ছে দুই প্রধান। যদি সমর্থকদের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা হয়, তাহলে কেমন হয়? কী এমন খরচ? কিছুটা সমর্থকরা দেবেন, কিছুটা ক্লাব দেবে, এমনটা করা যায় না? এত এত মানুষের আবেগ, আর কবে কাজে লাগাবেন কর্তারা? লিখেছেন সোহম সেন।।
পায়ে বল লাগল, উনি হিরো হয়ে গেলেন!
টাইব্রেকারে দেবজিতের ভূমিকাটা ঠিক কী রকম ? তিনটি গোল খেলেন, তিনটিই ভুল অনুমান। একটি বল উড়ে গেল উপর দিয়ে। একটি শটে ঝাপালেন ডানদিকে, বল এসে লাগল পায়ে। দেবজিতের কৃতিত্বটা কোথায় ? অথচ, তাঁকে নায়ক বানানোর কী চেষ্টা। বাংলার বিশেষজ্ঞদের একহাত নিলেন নন্দ ঘোষ।
এতকিছু হল, অ্যাকাডেমি কই?
আবার ট্রফি এল। উৎসব হবে, হুল্লোড় হবে, পার্টি হবে। কিন্তু অ্যাটলেটিকো কর্তারা বলেছিলেন, অ্যাকাডেমি করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি চাপাই থেকে যাবে। উৎসবের আবহে অপ্রিয় প্রশ্ন তুললেন সোহম সেন।
সত্যিই জুয়েল, সত্যিই রাজা
জানতেন, হারলেই সব আক্রমণ ধেয়ে আসবে তাঁর দিকে। তাঁকেই খলনায়ক বানানোর জন্য সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। তার পরেও শেষ শট নিতে এলেন জুয়েল রাজা। সত্যিই বুকের পাটা আছে। তিনি জুয়েল, তিনিই রাজা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
রবীন্দ্রনাথ, ঠাকুরবাড়ি ও মোহনবাগান
রবি ঠাকুর কোন দলের সমর্থক ছিলেন ? তাঁর কোন লেখায়, কোন ক্লাবের কথা কীভাবে উঠে এসেছে ? গোষ্ঠ পালকে দেখে কী বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ? এমন নানা অজানা বিষয় উঠে এল ময়ূখ নস্করের লেখায়।
সেদিন কেন দল তুলে নিয়েছিলেন মোহন কর্তারা ?
চার বছর আগে, বিরতির পর দল তুলে নিয়েছিল মোহনবাগান। সেই বিতর্ক এখনো আছে, থেকেও যাবে। সেদিন কি পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন মোহন–কর্তারা ? চার বছর পর সেই ম্যাচের স্মৃতি ফিরে এল সত্রাজিত চ্যাটার্জির লেখায়।
বাপের শ্রাদ্ধ সবাই করে, সন্দীপও করছেন
বাজারে আসছে ডাবল ফেলুদা। নন্দ ঘোষও নেমে পড়েছেন মাঠে। সন্দীপ রায়ের মুণ্ডপাত। তিনি আবার কার কোন পাকা ধানে মই দিলেন? পড়ুন।
কুমারেশ ভাওয়ালকে ভুলে গেলেন?
গড়াপেটার বিরুদ্ধে আই এফ এ কখনও কড়া শাস্তি দিয়েছে? গড়াপেটায় যুক্ত ক্লাবকে সাসপেন্ড করেছে? কোনও ফুটবলার কি গড়াপেটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন? কলকাতা ফুটবলে এমন ঘটনা বছর দশেক আগে ঘটেছিল। নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল দশটা বছর। সেই প্রতিবাদের নায়ক কুমারেশ ভাওয়াল বেঙ্গল টাইমসের মুখোমুখি।।
