নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল তিরিশ বছর
এমন দিনেই দেশের হয়ে শেষ টেস্ট ইনিংসটা খেলেছিলেন সুনীল গাভাসকার। সেরা ইনিংসটা খেলেছিলেন গাভাসকার। ১৭ মার্চ, ১৯৮৭, বেঙ্গালুরু। নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল তিরিশটা বছর। কেউ জানতেও পারল না! লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
হোটেলে আগুন, তবে সুরক্ষিত ধোনিরা
ব্র্যাডম্যান, সানির পরেই স্মিথ!
গাভাসকার যেন সেই তেনজিং
তিরিশ বছর পেরিয়ে গেল। এমনই একটা দিনে টেস্টে প্রথম দশ হাজার রান করেছিলেন সুনীল গাভাসকার। পরে আরও এগারোজন করলেও গাভাসকার হলেন সেই তেনজিংয়ের মতোই, এভারেস্ট বললেই যাঁর কথা মনে পড়ে যায়। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।
শেহবাগকে খোলা চিঠি শতরূপের
বাবা প্রাণ দিয়েছেন কার্গিলের যুদ্ধক্ষেত্রে। মেয়ে গুরমেহেরও লড়ে যাচ্ছে নিজের ময়দানে। লড়াকু সেই মেয়েটির পাশে না দাঁড়িয়ে উল্টে তাঁকে কটাক্ষ করলেন বীরেন্দ্র শেহবাগ! তাঁকে খোলা চিঠি। লিখলেন শতরূপ ঘোষ।।
পেলে ম্যাচের সেই ভিডিও এবার সামনে আসবে
তিনি নেই। কিন্তু তাঁর সৌজন্যেই আবার জীবন্ত হয়ে উঠবে ইতিহাস। সদ্যপ্রয়াত শিবাজি ব্যানার্জির স্মরণসভায় না এলে অনেককিছু থেকেই হয়ত বঞ্চিত থাকবেন। কী চমক থাকছে স্মরণসভায়?
কৃশানুকে দেখিয়ে বলতাম, ভারতের মারাদোনা
প্রত্যেকের জীবনেই কেউ কেউ থাকেন, যাঁরা স্বপ্নের পুরুষ। তেমনই স্বপ্নের পুরুষ ছিলেন কৃশানু দে। আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি তাঁর জন্মদিন। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে দুটি উজ্জ্বল স্মৃতির কথা মেলে ধরলেন দিব্যেন্দু দে।।
কী যে লেখেন, তিনিই বোঝেন
তিনি নাকি স্টার রিপোর্টার। এমন স্টার, লেখা পড়তে গিয়ে মানে বই খুলতে হয়। পাছে না পড়লে পিছিয়ে পড়ি! এই কুসংস্কার থেকে কিছু লোক পড়ত, কিছু না বুঝলেও বোঝার ভান করত। নন্দ ঘোষের শিকার এবার দিকপাল সাংবাদিক গৌতম ভট্টাচার্য।।
ইতালির কাগজে শরৎকালের রচনা লিখুন
ফুটবলের ম্যাচরিপোর্ট না শরৎকালের রচনা, বোঝা মুশকিল। মোহনবাগান বা ইস্টবেঙ্গলকে পরে ফুটবল শেখাবেন, মশাই আপনি আগে ফুটবলের ম্যাচরিপোর্ট করতে শিখুন। নইলে ইতালি বা ফ্রান্সের কাগজে গিয়ে শরৎকালের রচনা লিখুন। এবার রূপায়ন ভট্টাচার্যকে একহাত নিলেন নন্দ ঘোষ।।
