আই-লিগ জিতলে কাকে মিষ্টি খাওয়াব?

নিজে পাঁড় মোহনবাগানি। কিন্তু এমনই পোড়া কপাল, জীবনে যত প্রেমিকা জুটেছে, সবাই ইস্টবেঙ্গল। অবশেষে ঘটি বউ জুটল, কিন্তু তার কাছে মোহনবাগানের থেকে নারকেল বাগান বেশি প্রিয়। প্রেম, জীবন আর ফুটবল। মিলেমিশে দুরন্ত এক লেখা। উপহার দিলেন ময়ূখ নস্কর।।

মোহনবাগান জেতার পর আমাদের তাগিদ এল?‌

ইস্টবেঙ্গলে বিক্ষোভ। হেনস্থা হতে হচ্ছে কোচকে। কিন্তু ভিন্ন সুরও আছে। কেন ইস্টবেঙ্গলের এই অবস্থা, তা নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে এল। যুক্তিপূর্ণভাবে আত্মসমালোচনা করলেন দেবায়ন কুণ্ডু।। ‌‌

নিখরচায় ফুটবলারদের চিকিৎসা

কলকাতার নামী অর্থোপেডিক সার্জেন। অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর। কিন্তু একইসঙ্গে প্রচন্ড ক্রীড়াপাগল। তাই ঠিক করেছেন, ছোট ক্লাবের ফুটবলারদের নিখরচায় চিকিৎসা করবেন। এমনই এক চিকিৎসক ডা.‌ ঋত্বিক গাঙ্গুলি। খেলাধুলো নিয়ে তাঁর ভাবনার কথা জেনে নিলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

আসুন, এই কদিন আমরা মোহনবাগান হয়ে যাই

আই লিগে ইস্টবেঙ্গলের আর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা নেই। তাহলে, মোহনবাগানের হয়ে চিৎকার করতে বাধা কোথায়?‌ ট্রফিটা অন্তত বাংলায় আসুক। ইস্ট সমর্থক হয়েও এমনই ডাক দিলেন কৌস্তভ হালদার।।

মোহনবাগান যদি এমন শর্ত দিত!‌

নন্দ ঘোষ অনেকদিন খেলা নিয়ে কলম ধরেননি। তিনি বললেন, মোহনবাগান কর্তারা একটা চিঠি লিখতেও পারে না!‌ নীতা আম্বানিকে পাল্টা শর্ত দিতে পারে না?‌ এক, দুই, তিন করে দশ দফা শর্ত। মোহন কর্তাদের হয়ে তিনিই লিখে ফেললেন। মোহন কর্তারা পড়ে দেখতে পারেন। এই চিঠিটাই পাঠিয়ে দিতে পারেন।

জাতীয় ক্লাবে এই অসভ্যতা কেন?‌

বড় ম্যাচের আগে তিক্ততার আবহ। মোহনবাগান মাঠে টিকিট আনতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হল লাল হলুদ সমর্থকদের। জাতীয় ক্লাবে এমন আচরণ কেন হবে?‌ লিখলেন নির্মল দত্ত।

যমরাজকে জিও সিম ধরিয়ে দেবে

সকালে ভানু, বিকেলে উত্তম। একইদিনে বেঙ্গল টাইমসে দুই সাক্ষাৎকার। ভানু বলেছিলেন, ইস্টবেঙ্গলের জার্সি বদলাতে বললে নীতা আম্বানিরে জীবন্ত যমালয়ে পাঠাইয়া দিমু। মহানায়ক আবার মোহন–‌সমর্থক। তিনি আবার জিও মালকিনকে যমালয়ে আসতে দেবেন না। কেন?‌ সেই কাল্পনিক সাক্ষাৎকার তুলে আনলেন ময়ূখ নস্কর।।

রিলায়েন্সরে যমালয়ে পাঠাই দিমু

ইস্টবেঙ্গল নাকি আই এস এল খেলবে। একগুচ্ছ শর্ত পাঠিয়েছে রিলায়েন্স। তার মধ্যে একটা হল, লাল হলুদ রঙ বদলাতে হবে। জার্সি হবে অন্য রঙের। মনে পড়ে গেল ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা। তিনি যদি থাকতেন, এই আজগুবি প্রস্তাবকে কীভাবে দেখতেন। হয়ে গেল একটা কাল্পনিক সাক্ষাৎকার। নিজেই প্রশ্ন করলেন। ভানুর জাবনিতে নিজেই উত্তর খুঁজলেন কুণাল দাশগুপ্ত।।

রাত জেগে বিশ্বকাপ দেখতে শিখিয়েছিলেন

রাত জেগে সেই বিশ্বকাপ দেখা। কৈশোরের সেই রোমাঞ্চই আলাদা। কিন্তু কীভাবে এল এই অভ্যেস?‌ কে তৈরি করেছিলেন?‌ স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে এমনই এক ব্যতিক্রমী শিক্ষকের কথা উঠে এল। পড়ুন, ভাল লাগবে।।