একজন শিক্ষক এগিয়ে এসে বলুন, রানী তোর কাপড় কোথায়!
লন্ডনে সভা ভন্ডুলের চেষ্টাকে ধিক্কার জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখানে আন্তরিকভাবেই চাই, আপনার জন্য অপেক্ষা করে থাকুক তীব্র ঘৃণা আর ধিক্কার। ঢোকার মুখেই যেন শুনতে হয়ে গো ব্যাক স্লোগান। চোর চোর ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠুক নেতাজি ইনডোর। একজন নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকে এমন সম্ভাষণ হয়তো শোভনীয় নয়। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, শোভনতা, শালীনতা প্রত্যাশা করার অধিকারটুকুও তাঁর নেই। এই ধিক্কারই তাঁর প্রাপ্য। খুঁজছি সেই শিশুকে, যে এসে চিৎকার করে বলবে, রাজা তোর কাপড় কোথায়!
সরাসরি বিমান! লগ্নি আসার মতোই আপাতত অলীক কল্পনা
বিলম্বিত অ্যাস্ট্রো টার্ফ
যাদবপুর শুনলেই এত আতঙ্ক কেন?
যাদবপুর মানে অরাজকতা নয়
মাধ্যমিকের পরে, সেই স্মরণীয় তিনটে মাস
প্রতুলের গান যেন সম্প্রীতির দৃপ্ত স্লোগান
কিছু গান থাকে সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে অন্য পারে পৌঁছে যায়। এপার বাংলা না ওপার বাংলা, সব গুলিয়ে যায়। তাই আমি বাংলায় গান গাই এপারে যতটা জনপ্রিয়, ওপারেও ততটাই জনপ্রিয়। ওপারের মঞ্চে কী অবলীলায় গেয়ে উঠতে পারেন, ‘দুইজনাই বাঙালি ছিলাম/দেখ দেখি কাণ্ডখান/তুমি এখন বাংলাদেশি/আমারে কও ইন্ডিয়ান।’
জটায়ুর মতো ভুলভাল হিন্দি বলতেই বাঙালির যত আনন্দ
এই ভাষা দেশকে জনগণমন ও বন্দেমাতরম দিয়েছে। এই ভাষা দেশকে সাহিত্যে একমাত্র নোবেল দিয়েছে। এই ভাষা দেশকে প্রথম অস্কার এনে দিয়েছে। তারপরেও নিজের ভাষাকে খাটো করার এমন চেষ্টা বোধ হয় বাঙালিই করতে পারে। তাই একটা নববর্ষ বা একটা একুশে ফেব্রুয়ারি শখের বাঙালি হয়ে উঠলে হবে না। বছরের বাকি দিনগুলোতেও বাঙালি হয়েই থাকতে হবে। বাঙালি হিসেবেই গর্ববোধ করতে হবে। এটাই হোক এবারের একুশের অঙ্গীকার।
ছোট্ট একটা রেডিও, টুকরো টুকরো কত ছবি
১৩ ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব বেতার দিবস। অনেকের স্মৃতিতে রয়ে গেছে কাঠের বাক্সের সেই রেডিও। এখন রেডিওতে মন কী বাত হয়। কিন্তু সেই ফেলে আসা রেডিওকে নিয়ে আমাদের মনের কথাটা ঠিক কী? নস্টালজিয়ায় মোড়া দারুণ এক লেখা উপহার দিলেন সন্দীপ লায়েক।
