এক মঞ্চে লতা–‌আশা! জীবনের অন্যতম সেরা সন্ধ্যা

অভিরূপ অধিকারী জীবনে কত সন্ধ্যা আসে। হারিয়েও যায়। কিন্তু কিছু সন্ধ্যা চিরন্তন হয়ে থেকে যায়। আমার জীবনে তেমনই এক সন্ধ্যে এসেছিল বেশ কয়েক বছর আগে। সেই প্রথম চোখের সামনে দেখেছিলাম...

কেকেআই কখনই আমার দল নয়

বাংলাকে এত ভালবাসি, কলকাতাকে এত ভালবাসি। তাহলে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হলে সেই আনন্দ হয় না কেন?‌ কলকাতা হারলেই বা দুঃখ হয় না কেন?‌ আসলে, কলকাতার এই দলটাকে ঘিরে কখনই সেই একাত্মতা তৈরি হয়নি। আমার মতো অনেকেই দেখেছি কেকেআর সম্পর্কে নিষ্পৃহ, উদাসীন। কেন আমাদের মধ্যে এই উদাসীনতা তৈরি হল, নাইট ম্যানেজমেন্ট ভেবে দেখুন।

সহজ কথা এত সহজে কী করে বলতেন!‌

এই মুহূর্তে টলিউডের কজন অভিনেতা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাহিত্য নিয়ে দেড় ঘণ্টা আলোচনা করতে পারেন?‌ এই পর্যায়ের লেখাপড়া কজনের আছে?‌ শীর্ষেন্দুর একটা উপন্যাস পড়েছেন, টলিউডে এমন লোক এখন খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর। কে আসল পাঠক আর কে ওপর চালাকি করছে, লেখক ঠিক বোঝেন। রাহুলের আড্ডায় যেন ধরা দিলেন অন্য এক শীর্ষেন্দু।

সিরিয়াল চলে?‌ এরপরেও শান্তি আছে!‌

ক্রমশ বঙ্গ জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠছে এই বোকা বোকা সিরিয়ালগুলো। রোজ সকাল থেকে কীসের আকর্ষণে টিভির সামনে বসে যায়, বুঝতে চেষ্টা করেছি। কিন্তু যা বুঝেছি, এখান থেকে ভাল শিক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সারাক্ষণ শুধু কুচুটেপনা।লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

ওয়েব সিরিজ আসলে মেগা সিরিয়ালেরই নতুন সংস্করণ

ভাল কনটেন্ট অবশ্যই স্বাগত। নতুন প্রযুক্তি থেকেও মুখ ফিরিয়ে থাকার উপায় নেই। কিন্তু সেই প্রযুক্তির হাত ধরে, নতুন ধারার হাত ধরে আবার যদি সেই বিষবাষ্প ঢুকে পড়ে, তা বেশ উদ্বেগের। ওয়েব সিরিজের শুরুর দিনগুলোয় কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গিয়েছিল, যাক, সিরিয়ালের কূটকচালি থেকে কিছুটা অন্তত মুক্তি পাওয়া গেল। কিন্তু গত কয়েক বছরে আস্তে আস্তে ওয়েব সিরিজেরও সিরিয়ালীকরণ হয়ে গেল। ভাল ছবিকে যেমন আর্ট ফিল্ম বলে দাগিয়ে দেওয়া হত, এখানেও ভাল কনটেন্ট আবার সেই সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে না তো!‌

উপহার হয়ে ফিরে আসুক

একটা সময় ছিল, যখন বিয়েবাড়ি, উপনয়ন, জন্মদিনে মানুষ বই উপহার দিতেন। সেই নিয়মে কোথাও যেন ছেদ পড়েছে। স্মার্ট ফোন এসেছে, পড়ার অভ্যেস কমেছে, এটাকে অস্বীকার করা যায় না। তবু বইমেলাকে ঘিরে এই উন্মাদনা বুঝিয়ে দেয়, বই চিরন্তন। বইয়ের বিপণন ব্যবস্থাও অনেক আধুনিক হয়েছে। এখন ঘরে বসেই বই অর্ডার দেওয়া যায়। সামনেরবার বইমেলার পঞ্চাশ বছর। তার আগে বাঙালি আবার সেই হারানো অভ্যেস ফিরিয়ে আনুক।

কে বলল আজ বইমেলা শেষ!

অনেকে জোর গলায় বলে বেড়ান, ‘‌আমি চিনি গো চিনি তোমারে ওগো বিদেশিনী’‌ গানটা নাকি ওকাম্পোকে নিয়েই লেখা। ঘটনা হল, সেই গানটা মোটেই প্লাতা নদীর ধারে লেখা হয়নি। লেখা হয়েছিল শিলাইদহে, পদ্মার পাড়ে বসে। তাছাড়া, গানটা লেখা হয়েছিল ওকাম্পোর সঙ্গে ‌কবির সাক্ষাতের প্রায় তিন দশক আগে, ১৮৯৫ সালে।

ঢেউয়ের পর ঢেউ, উত্তাল বই–‌সমুদ্র

নতুন বই প্রকাশের বিরাম নেই। শেষদিনেও থাকছে নতুন বই প্রকাশের আয়োজন। এসব বই মানুষের কাছে পৌঁছোবে কীভাবে?‌ এতদিন কাতারে কাতারে মানুষ এসেছেন বইয়ের কাছে। হৃদয়ের টান থাকলে বইও ঠিক পৌঁছে যাবে মানুষের কাছে।

বইমেলার ডায়েরি

শুরু হল বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— বইমেলার ডায়েরি। চলবে পুরো জানুয়ারি মাস জুড়েই। বইমেলার নানা ঘটনা, বিতর্ক যেমন থাকবে। তেমনই থাকবে কিছু স্মরণীয় বইয়ের আলোচনা। ১)‌ পাঠকরাও অংশ নিতে পারেন।...

বাংলাদেশ নেই, দীর্ঘশ্বাস আছে

নাম কে ওয়াস্তে কয়েকটা লোকের ফেসবুক পোস্ট দেখে আমরা কী অবলীলায় এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেলাম যে, বাংলাদেশের লোকেরা ভারতকে সহ্য করতে পারে না। একশ্রেণির বিকৃত মনের উন্মাদ সব দেশেই থাকে। তাঁদের সেই হুঙ্কারকে আমরা সেই দেশের আমজনতার কণ্ঠস্বর হিসেবে ধরে নিচ্ছি। এ যে আমাদের কতবড় অজ্ঞতা, তা আমরা বুঝতেও পারছি না।