‌প্রচারে পিছিয়ে, তবে ছাপ রেখে গেলেন সেই অনীক দত্তই

গুণগত মানের বিচারে এই ছবি অনেক এগিয়ে। বছর দশেক পরে, আবীরকে যদি তাঁর সেরা ছবির তালিকা বানাতে বলা হয়, তিনিও অন্তত রক্তবীজের থেকে এই ছবিকে অনেক এগিয়ে রাখবেন। ‌

এঁরা করবেন দুর্গা পুজো!‌

হাজির হয়ে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি একবার খোঁজও নিলেন না, গত চার বছর এই পুজো কেন হয়নি? যাঁরা দু’‌বছর পুজো করে চার বছর বন্ধ রাখেন, তাঁদের পুজোয় কিনা উদ্বোধন করতে হল!‌ সত্যিই, কী দুর্দিন!‌‌ উদ্যোক্তাদেরও বলিহারি। চার বছর পুজো বন্ধ রেখে এবার হঠাৎ করে ইচ্ছে হল পুজো করবেন। এমন খামখেয়ালির পুজোয় কিনা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ডেকে আনলেন?‌ একটুও লজ্জা হল না?‌

আবৃতিতেও জুটিটা খুব জরুরি

শ্রুতিনাটক বলতেই ভেসে ওঠে দুটো নাম— জগন্নাথ বসু, উর্মিমালা বসু। অনেকে বলেন, শ্রুতিনাটকের উত্তম–‌সুচিত্রা। বাংলায় অনেক জুটির মাঝে আরও একটা স্মরণীয় জুটি। এক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে পাওয়া গেল সেই জুটিকে। একান্তে পাওয়া গেল উর্মিমালা বসুকেও। কিছুটা ইন্টারভিউ। কিছুটা আড্ডা।

‌কারখানায় বাতি জ্বললে কে আমার পুজো করবে!‌

ঘুড়িতে ছেয়ে যেত আকাশ। মাইকে বেজে ওঠে পছন্দের গান। আস্তে আস্তে সবই অতীত হয়ে যাবে। শিল্প না থাকলে, কারখানা না থাকলে, বিশ্বকর্মারও যে গুরুত্ব থাকে না। পরমপিতা ব্রহ্মার কাছে এমনই আশঙ্কা জানালেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।

দিতে এলেন মেট্রো, দিয়ে গেলেন ভাঁড়ামি

এটা কোনও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ?‌ এই চেয়ারের মর্যাদাকে কতখানি নীচে নামাচ্ছেন, তিনি নিজেও জানেন না। কখনও ধর্মের নামে উস্কানি, কখনও নিম্নস্তরে ভাঁড়ামি, এগুলোই তাঁর অস্ত্র।

বাংলা ছবি চালানোর জন্য আইন করতে হল!‌

শহরের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে রমরমিয়ে চলছে ‘‌ধূমকেতু’‌। এখনও কোথাও কোথাও ঝুলছে ‘‌হাউসফুল’‌ বোর্ড। ছবিটি মুক্তি পেল প্রায় দশ বছর পর। নানা আইনি জটিলতায় ছবিটির মুক্তি থমকেছিল। এত বছর আগের একটা ছবি,...

‌ট্রেনের সেই আজব ভদ্রলোক

এরপর উনি একটা খবরের কাগজ বের করে সিটের ওপর পেতে খাবার খেতে বসলেন। থালা, বাটি, চামচ, জলের গ্লাস সাজালেন প্রথমে। তারপর একে একে বেরোলো ভাত, ডাল, আলুসেদ্ধ, করোলা ভাজা, পনিরের তরকারি, মাছের ঝোল, ডিম কষা, দেশি মুরগির ফ্যামিলি, পাঁঠার পাল, ভেড়ার চোদ্দ গুষ্টি, দই, মিষ্টি, আইসক্রিম, পান মশলা ইত্যাদি। মোবাইলে পুরানো দিনের একটা বাংলা গান তারস্বরে চালিয়ে, উনি খেতে বসলেন। গান চলছে, ‘আমি এক যাযাবর, আমি এক যাযাবর-

সব ট্রেন হাউসফুল!‌ তাও বাঙালি ঘরকুনো!‌‌

ট্রেনে জায়গা নেই, বাসে দ্বিগুন, তিনগুন ভাড়া, হোটেল ভাড়াও চার–‌পাঁচগুন। এরপরও মানুষ যাচ্ছেন। এর থেকেই বোঝা যায়, বাঙালি কতটা ভ্রমণ প্রিয় জাতি। বাঙালির থেকে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ জাতি হয়তো অনেক আছে। কিন্তু আর কেউ ভ্রমণকে এতখানি গুরুত্ব দেয় বলে মনে হয় না।

বাংলাকে বোঝার যোগ্যতা এই আহাম্মকদের নেই

রক্তিম মিত্র এই বাংলা ভারতকে জাতীয় সঙ্গীত দিয়েছে। এই বাংলা দেশকে বন্দেমাতরম দিয়েছে। এই বাংলার হাজার হাজার মানুষ স্বাধীনতার যুদ্ধে আত্ম বলিদান দিয়েছে। অথচ, সেই বাংলা ভাষার প্রতি অদ্ভুত এক...

২৯ জুলাই, শিবদাস ভাদুড়ির চোখে

(শিল্ড জয়ের রাত। চারিদিকে উৎসব। উড়ছে মোহনবাগানের পতাকা।মোহনবাগানের জয় আর স্বাধীনতা যেন মিলেমিশে একাকার। সেই রাতে ডায়েরিতে কী লিখেছিলেন শিবদাস ভাদুড়ি। না লেখা সেই ডায়েরির পাতা বেঙ্গল টাইমসে উঠে এল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।