অ্যাওয়ে ম্যাচে সমর্থকদের নিয়ে যাওয়া যায় না?
অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলতে যাচ্ছে দুই প্রধান। যদি সমর্থকদের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা হয়, তাহলে কেমন হয়? কী এমন খরচ? কিছুটা সমর্থকরা দেবেন, কিছুটা ক্লাব দেবে, এমনটা করা যায় না? এত এত মানুষের আবেগ, আর কবে কাজে লাগাবেন কর্তারা? লিখেছেন সোহম সেন।।
বইমেলার সেই দুপুরে
রিটায়ারিং রুমঃ দুই রাজ্য, দুই চিত্র
কখনও স্টেশনের রিটায়ারিং রুমে থেকেছেন? চমৎকার ব্যবস্থা। কিন্তু আমাদের রাজ্যে ছবিটা যেন অন্যরকম। দুই রাজ্যের দু’রকম ছবি তুলে ধরলেন সায়ন বিশ্বাস।
হেমিংওয়ের বাড়িতে বাংলা বই!
তাহলে, বন্ধুত্ব হয়ে গেল!
জয়ললিতা মারা গেলেন। আনন্দবাজারের প্রথম পাতা জুড়ে মমতা ব্যানার্জির লেখা। জয়ললিতাকে শ্রদ্ধা জানানোর থেকেও মমতাকে শ্রদ্ধা জানানোর তাগিদটাই যেন বেশি। অপেক্ষা করুন, এবার সরকারি বিজ্ঞাপন এল বলে। বেঙ্গল টাইমসের মিডিয়া সমাচার বিভাগে এই নিয়ে কলম ধরলেন জেমস হিকি।
প্রশস্তির ঢেউয়ে স্বতন্ত্র সুমন
মিডিয়া সমাচার। এই কলামে মিডিয়ার নানা আলোচনা। পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এবারের বিষয় সুমন চট্টোপাধ্যায়ের অমিত্রাক্ষর। জয়ললিতাকে ঘিরে প্রশস্তির ভিড়ে একটু হলেও অন্যরকম বিশ্লেষণ। তাই নিয়ে আলোকপাত করলেন ঈশ্বর গুপ্ত।
তেত্রিশ বছর কাটল, বর্তমান কথা রাখেনি
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অমরত্ব পাওয়া কবিতা, ‘তেত্রিশ বছর কাটল। কেউ কথা রাখেনি।’ গতকাল তেত্রিশ বছর কাটল বর্তমান সংবাদপত্রের। দেখা গেল, তারাও কথা রাখেনি। আগে ভগবান ছাড়া কাউকে ভয় করত না। এখন ভগবানের থেকেও বেশি ভয় করে মমতাকে। যে মানুষটা সবথেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন, তিনি বরুণ সেনগুপ্ত। মিডিয়া সমাচার বিভাগে এই নিয়ে লিখলেন হরিশ মুখার্জি।।
কমরেড, বাস্তবটাকে চিনতে শিখুন
বনধের অস্ত্র এখন অনেকটাই ভোঁতা। এমনিতেই যখন মানুষ বিভ্রান্ত, তখন নতুন করে বিভ্রান্তি ডেকে আনা কি খুব জরুরি ছিল? যাঁরা বামপন্থী বলে নিজেদের মনে করেন, তাঁরাও এই সিদ্ধান্তে হতাশ। লিখেছেন সত্রাজিত চ্যাটার্জি।।
ছোট্ট টুকাই ও সেই টিয়া পাখি
একটি টিয়াপাখি। রোজ উড়ে আসত। বসত টুকাইয়ের কাঁধে, মাথায়। সারাক্ষণ সে টুকাইয়ের সঙ্গেই থাকত। রাত হলে উড়ে যেত নিজের ঠিকানায়। ‘স্মৃতিটুকু থাক’ বিভাগে এমনই এক পাখির কথা তুলে আনলেন অন্তরা চৌধুরী।
