পানশালার সেই হারিয়ে যাওয়া সন্ধে

সুপ্রিয় চ্যাটার্জি মধ্য কলকাতার একটি পুরনো পানশালা। ভিতরে আক্ষরিক অর্থেই তিলধারণের জায়গা নেই। কোনওমতে স্বল্প আলোতেই সন্তর্পণে পানীয়ের গ্লাস, খাবারের প্লেট টেবিলে টেবিলে পৌঁছে দিচ্ছে দক্ষ পরিবেশনকারীরা। রঙিন পানীয়ে শূন্য...

বনস্পতির ছায়া দিলেন, সারাজীবন

আজ শিক্ষক দিবস। প্রিয় শিক্ষকদের স্মৃতিতর্পণ। শ্রদ্ধেয় শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দে–‌র স্মৃতিতে তেমনই একটি লেখা। তুলে আনা হল ‘‌বনস্পতি’‌ স্মরণিকা থেকে

শিক্ষকরা মারতেন, সেটাই বোধ হয় ভাল ছিল

হয়ত শিরোনাম দেখে অনেকে অবাকই হবেন। কিন্তু আমার মনে হয়, এইমুহূর্তে এটাই জরুরি। আমরা ছোট বেলা থেকেই গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা করেছি। কোনও কোনও স্যার থাকতেন, যাঁরা মারধর করতেন। আমরা ভয় পেতাম। কী জানি, সেই কারণেই হয়ত তেমন দুষ্টুমি করতাম না।

বৃষ্টিভেজা সেই আগন্তুক

শ্রাবণ মাস পড়ে গেল। শ্রাবণ মানেই বৃষ্টি। একটি বৃষ্টির দিনের কথা বলি। তখন আমাদের অল্প বয়স। বৃষ্টিকে পরোয়া করতাম না। বৃষ্টির মাঝেই খেলতাম। ক্রিকেটটা খেলা যেত না (তাছাড়া, তখন শীতকাল ছাড়া ক্রিকেট সেভাবে হতও না)। তবে ফুটবলটা দিব্যি খেলা যেত।

শহিদ কাদরির এই গানটা তোমাদের জন্য

দ্যুতিমান মুখার্জি ‌৯৬ এর এক শীতের সকাল। রবিবারের আলসেমি আঁকড়ে, গিরীশ মঞ্চের সিংহভাগ চেয়ার সেদিন ফাঁকা। অনুষ্ঠান শুরু করতে করতে ডাক দিলেন কবিয়াল ‘‌দিন কাল ভালো নয় বন্ধুরা, আসুন সবাই...

সেদিন চৈত্রমাস

‌স্মৃতিটুকু থাক অন্তরা চৌধুরি কথায় বলে চৈত্র মাস মধুমাস। অবশ্য এখন এই কথা কাউকে বললে একটা মারও আমার পিঠের বাইরে পড়বে না। কারণ গত কয়েক দিনের তীব্র দাবদাহে চৈত্র মাসকে...

নব্বইয়ের দশক: এমন মেলোডি আর কে দিয়েছে!

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় ফিচার নব্বইয়ের দশক। সেই সময়ের রাজনীতি, খেলা, সিনেমা, গান, সাহিত্য, প্রেম— সবকিছুকে একটু ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা। কীভাবে আলোড়ন তুলেছিল সেই সময়ের গান। স্মৃতির সরণি বেয়ে সেই কথাই তুলে আনলেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।।

জটায়ুর বিকল্প পাওয়া সত্যিই কঠিন

বোঝা গেল, ভবিষ্যতে হয়ত ফেলুদার বিকল্প পাওয়া গেলেও যেতে পারে। কিন্তু জটায়ুর বিকল্প পাওয়া সত্যিই কঠিন। সেই কতকাল আগে সত্যজিৎ রায় এই সারসত্যটা বুঝেছিলেন।

‌এই অঙ্কের উত্তর আগেও মেলে নাই

একদিন ক্লাস নাইনের এই ছেলেটিই বলেছিল, ‘‌স্যার, এই অঙ্কের উত্তর আগেও মেলে নাই।’ বিদায়বেলায়‌ সেই ছেলেটির হাতেই কঠিন অঙ্কের উত্তর মেলানোর দায়িত্ব সঁপে দিয়েছিলাম। ইংরাজির শিক্ষক হয়েও সব অঙ্কের উত্তর ঠিকঠাক মিলিয়ে দিয়েছিল। একটা বৃত্ত যেন সম্পূর্ণ হয়েছিল।

‌‌‌

জন্মের আগে থেকেই স্কুলের সঙ্গে সম্পর্ক!‌

তখন এসডিও সাহেব স্যারকে প্রণাম করে বললেন, ‘‌আমাদের অনেক জায়গায় যেতে হয়। অনেক স্কুলেই স্ট্রং রুম নিতে হয়। আজ আপনি আমার চোখ খুলে দিলেন। আমরা এতদিন স্কুলকে স্ট্রং রুম হিসেবেই দেখে এসেছি। এটা যে স্কুল, এই জিনিসটা মাথাতেও আনি না। আজ আপনি আমাকে একটা শিক্ষা দিলেন। নিজের স্কুলকে কীভাবে ভালবাসতে হয়, আপনার কাছ থেকে শিখলাম। সব স্কুলে যদি আপনার মতো একজন শিক্ষক থাকেন, শিক্ষার চেহারা বদলে যাবে। আমি আপনাকে কথা দিচ্ছি, আপনার স্কুলের কোনও ক্ষতি আমি হতে দেব না। গণনার পর আমি নিজে আবার আসব। দেখে যাব। যদি কোথাও কোনও ক্ষতি হয়, সব দায়িত্ব আমি নিলাম।’‌