কিশোর মনে ঝড় তোলা সেই শত্রু

বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ আশির দশক। উঠে এল তখনকার একটি হিট ছবির কথা। সেই ছবিকে ঘিরে অনেক নস্টালজিয়ার কথা। শিশুমনে কত প্রশ্ন ও মুগ্ধতার কথা। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

মোবাইলেও শুনতে পারেন প্রাত্যহিকী

অনেকের বেড়ে ওঠার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে প্রাত্যহিকী। এফ এম এল, কলকাতা ক কোথায় যেন হারিয়ে গেল। প্রাত্যহিকীর সেই চিঠিগুলো স্মৃতি হয়েই থেকে গেল। আবার ফিরে এসেছে সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলো। মোবাইলেই শুনতে পারেন প্রাত্যহিকী। কীভাবে?‌ হদিশ বেঙ্গল টাইমসে।

গৃহবন্দি! হেঁটে আসুন স্মৃতির সরণি বেয়ে

সবাই গৃহবন্দি। হাতে পর্যাপ্ত সময়। এথন স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলে কেমন হয়! বেঙ্গল টাইমসের জনপ্রিয় বিভাগ স্মৃতিটুকু থাক। সেই বিভাগকে আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। লেখাগুলি পড়ুন। আপনিও লিখুন।

‌রামায়ণের হাত ধরে ফিরে আসুক সেই হারানো কৈশোর

আমাদের কৈশোর তখন অমিতাভ–‌মিঠুনে বিভক্ত। স্পষ্ট এক মেরুকরণ। তার মাঝে সবাইকে একছাতার তলায় এনেছিল সেই রামায়ণ। রবিবার সকাল মানেই রাস্তা ফাঁকা, সবাই তখন টিভির সামনে। কত টুকরো টুকরো স্মৃতি, কত নস্টালজিয়া। আবার যখন টিভির পর্দায় রামায়ণ ফিরে আসছে, তখন তিন দশক আগের স্মৃতি ফিরে এল সজল মুখার্জির লেখায়।

ভিজে যাওয়া সেই লোকটা

শ্রাবণ মাস পড়ে গেল। শ্রাবণ মানেই বৃষ্টি। একটি বৃষ্টির দিনের কথা বলি। তখন আমাদের অল্প বয়স। বৃষ্টিকে পরোয়া করতাম না। বৃষ্টির মাঝেই খেলতাম। ক্রিকেটটা খেলা যেত না (তাছাড়া, তখন শীতকাল ছাড়া ক্রিকেট সেভাবে হতও না)। তবে ফুটবলটা দিব্যি খেলা যেত।

আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম

স্মৃতিটুকু থাক আমি তখন কলেজে পড়ছি। হাতখরচ তোলার জন্য টিউশনি পড়াতাম। পাড়াতেই একটি মেয়ে, ক্লাস ইলেভেনে পড়ত। তার বাড়ির লোক চাইতেন, আমি যেন তাকে টিউশনি পড়াই। রাজি হয়ে গেলাম। সন্ধেবেলায়...

বাবার দেওয়া একশো টাকা

পড়ায় মনোযোগ নেই বলে বাবা মাঝে মাঝে ধমক দিচ্ছেন। একদিন হঠাৎ প্রাত্যহিকীর সঞ্চালক আমার নাম ঘোষণা করলেন। আমি আবেগে হাততালি দিয়ে উঠলাম। বাবা বুঝতে পারলেন কেন আমি রেডিওর সামনে বসে থাকতাম। বাবা খুব রাশভারী মানুষ। মন দিয়ে পুরো চিঠিটা শুনলেন। চিঠি শেষ হওয়ার পর আবার আমার নাম ঘোষণা হল। বাবার চোখের কোণে জল।স্মৃতির সরণি বেয়ে এমনই মুহূর্ত তুলে আনলেন শৈলেন মণ্ডল।।

না বোঝা সেই মহালয়ার নস্টালজিয়া

সেই রেডিওটা আজও আছে। ধুলো ঝেড়ে আর নামানো হয় না। আর ব্যাটারি ভরে প্রাণসঞ্চার করা হয় না। না বোঝা সেই মহালয়ার অনুভূতিটাও একটু একটু করে ফিকে হয়ে আসছে। ফেলে আসা সেইসব শরৎ–‌শিউলি ভোরের নস্টালজিয়া। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।

ফেসবুকে ফিরে এল হারিয়ে যাওয়া প্রাত্যহিকী

অনেকের বেড়ে ওঠার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে প্রাত্যহিকী। এফ এম এল, কলকাতা ক কোথায় যেন হারিয়ে গেল। প্রাত্যহিকীর সেই চিঠিগুলো স্মৃতি হয়েই থেকে গেল। আবার ফিরে এসেছে সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলো।

কিশোর আর কৈশোরকে ফিরিয়ে দিলে, লাল সেলাম কমরেড বিশ্বকর্মা

বিশ্বকর্মার শ্রেণিচরিত্র যেন অন্যরকম। মেকি বুদ্ধিজীবী হওয়ার হিড়িক নেই। এখানে যে যেমন, সে তেমনই। পুজো প্যান্ডেলের গানগুলোও অন্যরকম, মহাকালের গন্ডি টপকে আসা। কৈশোরে ফিরে যাওয়া, এবং কিশোরে ফিরে যাওয়া। অন্য আঙ্গিক থেকে অসাধারণ লেখা কুণাল দাশগুপ্তর।