এভাবেই কত কালজয়ী গান তৈরি হয়েছে। কত ইতিহাস লুকিয়ে আছে সেইসব গানের পেছনে! এত বছর পরেও পুজো প্যান্ডেল থেকে বিয়েবাড়ি, রিয়েলিটি শো থেকে সিরিয়াল, মাঝে মাঝেই বেজে ওঠে সেইসব গান। ভাবতে গর্ব হয়, এইসব কালজয়ী গান আমার বাবা লিখেছেন! স্মৃতিচারণে গীতিকার পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুযোগ্য পুত্র পিয়াল বন্দ্যোপাধ্যায়।
দীর্ঘদিন বম্বেতে একসঙ্গে কাজ করেছেন। খুব কাছ থেকে দেখেছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মতো কিংবদন্তিকে। তাঁর সুরে বেশি কিছু গানও গেয়েছেন হেমন্ত। সুরকার অমিত দাশগুপ্তর স্মৃতিচারণে উঠে এল অনেক অজানা দিক। চিনতে পারবেন অন্য এক হেমন্তকে।
আমার গান রেকর্ড করা হয়ে গেছে। অনেকেই প্রশংসা করছেন। কিন্তু হেমন্তজেঠুর ক্যাসেটটা এর ফেরত দেওয়া হয়নি। ভেবেছিলাম, লোকের হাতে পাঠাব না। একদিন তাঁকে প্রণাম করে আমার রেকর্ডটি তাঁকে দিতে যাব। সেইদিনই ক্যাসেটটি ফেরত দেব। তারপর কী হল? জেনে নিন সৈকত মিত্রর স্মৃতিচারণে।