মেট্রোয় শৌচাগারঃ এত গড়িমসি কেন ?

মেট্রো রেলে শৌচাগার নেই। আটের দশকে না হয় তেমন দরকার ছিল না। কিন্তু ২০১৮ সালে দাঁড়িয়েও করা যাবে না ? যাত্রীদের সমস্যা মেট্রো কর্তৃপক্ষ কবে আর ভাববেন ? ট্রেনে যদি নাও করা যায়, প্ল্যাটফর্মে তো ব্যবস্থা করা যেতেই পারে। বাধা কোথায় ? লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।

সন্ধে নামে কক্স বাজারে

কক্সবাজার সৈকতের দৈর্ঘ্য কত ? ১২০ কিমি। না, ছাপার ভুল নয়, সত্যিই ১২০ কিমি। এত লম্বা বিচ আপনি কল্পনা করতে পারেন ? অর্থাৎ, যতদূরেই যান, সমুদ্রের উত্তাল গর্জন আপনার সঙ্গেই থাকছে। জোয়ারে তার যেমন উত্তাল রূপ, ভাটায় সে যেন ততটাই শান্ত, স্নিগ্ধ।

অন্য কলকাতা

এ কলকাতার মধ্যে আছে আরেকটা কলকাতা। সেই অচেনা কলকাতার ছবিই তুলে ধরা হবে। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন। চিনে নিন সেই অচেনা কলকাতাকে। আপনার সন্ধানে যদি অন্য কলকাতার হদিশ থাকে, তাহলে তা অন্যদের জানান।

কল্পনার জাল বোনা তাঁর হাত ধরেই

আজ বিভূতিভূষণের জন্মদিন। তাঁর সাহিত্যের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ নয়। বরং সেই পড়ার মুগ্ধতা, চরিত্রগুলোর সঙ্গে একাত্ম হয়ে ওঠার পটভূমি উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।

বাঁকুড়ার মধ্যেই আরেক শান্তিনিকেতন

সেই যে রবি ঠাকুর লিখেছিলেন, ‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া/ ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া/ একটি ধানের শিষের উপরে একটি শিশির বিন্দু’- কবিতাটির সঙ্গে অনেকেরই পরিচয় ভাবসম্প্রসারণের সূত্রে। অথবা,...

সাঁচির সন্ধানে

সমতল থেকে বেশ অনেকটা ওপরে সাঁচির স্তূপ।পাথুরে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠেই জল এবং খাদ্যের আবদারকে অগ্রাহ্য করতে পারিনি । তাই ওপরে একটি চটিতেই জল খাবার সেরে ফেলি। অবশেষে বুদ্ধের দর্শন, ছোট বড় অসংখ্য মূর্তি রয়েছে, তবে অধিকাংশই মস্তকহীন । দেখার মধ্যে দুটি স্তুপ আর কিছু প্রায় ভগ্ন মন্দির । লিখে্ছেন শোভন চন্দ।।

২৯ জুলাই, শিবদাস ভাদুড়ীর চোখে

শিল্ড জয়ের রাত। চারিদিকে উৎসব। উড়ছে মোহনবাগানের পতাকা।মোহনবাগানের জয় আর স্বাধীনতা যেন মিলেমিশে একাকার। সেই রাতে ডায়েরিতে কী লিখেছিলেন শিবদাস ভাদুড়ি। না লেখা সেই ডায়েরির পাতা বেঙ্গল টাইমসে উঠে এল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।

মান্না দে–‌কে চিনেছি জেঠুর জন্যই

একটি পরিবারের সঙ্গে কীভাবে জড়িয়ে গিয়েছিলেন মান্না দে?‌ স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে তেমন কথাই উঠে এল। লিখেছেন অনন্যা দাস।

চাঁদে মানুষ! অনেক প্রশ্ন ভাবিয়ে তোলে

প্রায় পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেল। আর কেউ চাঁদে যেতে পারলেন না ? নিল আমস্ট্রংরা কি সত্যিই চাঁদে গিয়েছিলেন? নাকি বানানো এক গল্প? স্রোতের বিপরীতে গিয়ে অন্য এক ব্যাখ্যা তুলে আনলেন শুভেন্দু মণ্ডল।।

শিব, বিষ্ণু, কৃষ্ণ, কৃত্তিবাস- সবাই হিন্দুধর্ম বিরোধী

শিব, বিষ্ণু, কৃষ্ণ, কৃত্তিবাস এঁরা যা করেছেন, যা লিখেছেন সেটা ঠিক না সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ঠিক? অবশ্যই সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ঠিক। কারণ তিনি বিজেপি নেতা। তিনি ভুল বলতেই পারেন না। শিব, বিষ্ণু, কৃষ্ণ, কৃত্তিবাস এঁরা সবাই হিন্দুধর্ম বিরোধী।লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।