গালুডি ও আমাদের সেই দোবরু পান্না

একদিকে বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা। অন্যদিকে সারি সারি পাহাড়ের মিছিল। তারই মাঝে পেয়ে গেলাম আরণ্যকের সেই দোবরু পান্নাকে।

একবার কেভেন্টার্সে ঘুরেই আসুন

খোলা ছাদ, একেবারেই সাদামাটা একটা রেস্তোরাঁ। বলে না দিলে আলাদা করে বোঝার উপায়ও নেই। ম্যাল থেকে একটু নেমে গেলেই চোখে পড়বে রেস্তোরাঁটা। সেখানকার প্রিয় খাদ্য নাকি চিকেন সসেজ। যারা আসে, এটাই আগে খায়।

এ কলকাতার মাঝেই তো আরেকটা কলকাতা

আন্তর্জাতিক সাফল্য বা স্বীকৃতি না এলে বাঙালি ঘরের মানুষকে ঠিক চেনে না। রবীন্দ্রনাথ নোবেল না পেলে তিনি কি এতখানি শ্রদ্ধার পাত্র হতেন?‌ আর দশজন কবির সঙ্গে কি আমরা তাঁকে গুলিয়ে ফেলতাম না!‌ সত্যজিৎ রায় অস্কার না পেলে তিনি কি আমাদের কাছে ‘‌বিশ্ববরেণ্য’‌ হয়ে উঠতেন!‌ অর্থাৎ, বিশ্ব যখন চিনিয়ে দেয়, তখন আমরা চিনতে শুরু করি।