সব চা একইরকম, শুধু প্যাকেটগুলো আলাদা
শুধু অধিনায়ক নন, মহাজীবনের এক শিক্ষক
এরই মাঝে কত রাজনৈতিক জল্পনা। অনেকে বলেন, পা বাড়িয়ে অফস্টাম্পের বাইরের বলটাকে ছেড়ে দিলেন। আসলে, স্টেপ আউট করে জল্পনাটাকে গ্যালারিতেই পাঠিয়ে দিলেন। একই অঙ্গে কত ভিন্ন সত্ত্বার স্রোত। সব সত্ত্বাকে ছাপিয়ে আসলে তিনি এক মহাজীবনের শিক্ষক।
জানালা তো খোলা হল, এবার টাটকা বাতাস আসুক আলিমুদ্দিনে
রাজ্যসভাটা বিকাশবাবুদের জন্যই, অর্বাচীনদের জন্য নয়
ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে একটু আয়নার সামনে দাঁড়ান ক্রীড়া সাংবাদিকরা
কে কটা খবর করেছে, হদিশ পাওয়া কঠিন। দু–একজন হাতে গোনা রিপোর্টার ছাড়া অধিকাংশের ঝুলিতে বছরে একটাও খবর নেই। মন কেড়ে নেওয়া লেখাও নেই। প্রিভিউ আর প্রেস কনফারেন্সে বাইলাইন। মোদ্দা কথা, না আছে পরিশ্রম। না আছে পড়াশোনা। না আছে মেধা। না আছে লেখার মুন্সিয়ানা। না আছে সেই পর্যায়ের যোগাযোগ। না আছে ন্যূনতম সংযম।
তাহলে, রইলটা কী? ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে কি আয়নার সামনে দাঁড়াবেন এই প্রজন্মের ক্রীড়া সাংবাদিকরা?
ই ম্যাগাজিন। বিধানচন্দ্র রায় সংখ্যা।
কেনেডির কাছেও ভিজিট চেয়েছিলেন!
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাড়িতে নিয়ম করে রোগী দেখতেন বিধানচন্দ্র রায়। কারও কাছেই কোনও ভিজিট নিতেন না। একেবারেই নিখরচায়। সেই বিধানচন্দ্রই ভিজিট চেয়ে নিয়েছিলেন বিশেষ একজনের কাছে। তিনিও আবার যেমন তেমন রোগী নন। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ড জন কেনেডি।
একটি পেরেকের কাহিনী
বিধানবাবুর জীবনী হয়ত অনেকেই লিখেছেন। তাতে নিশ্চিতভাবেই অনেক অজানা তথ্য আছে। কিন্তু এমন সহজ সরলভাবে আর কেউ তুলে ধরতে পেরেছেন! মনে হয় না। বইটি সবার পড়া উচিত। দ্রুত পড়ে ফেলুন। একটি পেরেকের কাহিনী পড়ে লিখলেন উত্তম জানা।
