বিশ্বজয়ের নেপথ্য নায়ক কিন্তু সৌরভও

কোথায় বার্বাডোজ আর কোথায় বেহালা। প্রায় পনেরো হাজার কিমির দূরত্ব। কিন্তু কোথাও যেন মিলেমিশে একাকার। ভারতের বিশ্বজয়ের পেছনে কোথাও না কোথাও যেন থেকে গেছেন এক বঙ্গসন্তান। নাম?‌ বলার অপেক্ষা রাখে...

সব চা একইরকম, শুধু প্যাকেটগুলো আলাদা

সরল বিশ্বাস এই তো সেদিন, চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন ডলি রায়। প্রশ্ন উঠতেই পারে, কে এই ডলি রায়?‌ উত্তর হল,  এশিয়ার প্রথম মহিলা টি টেস্টার। চায়ের দুনিয়ায় বেশ পরিচিত নাম।...

শুধু অধিনায়ক নন, মহাজীবনের এক শিক্ষক

এরই মাঝে কত রাজনৈতিক জল্পনা। অনেকে বলেন, পা বাড়িয়ে অফস্টাম্পের বাইরের বলটাকে ছেড়ে দিলেন। আসলে, স্টেপ আউট করে জল্পনাটাকে গ্যালারিতেই পাঠিয়ে দিলেন। একই অঙ্গে কত ভিন্ন সত্ত্বার স্রোত। সব সত্ত্বাকে ছাপিয়ে আসলে তিনি এক মহাজীবনের শিক্ষক।      ‌‌‌‌‌‌‌‌

জানালা তো খোলা হল, এবার টাটকা বাতাস আসুক আলিমুদ্দিনে

সরল বিশ্বাস গণতান্ত্রিক দল মানে কী?‌ যেখানে মুক্তচিন্তার পরিসর থাকে। যেখানে নির্দিষ্ট ফোরামে অবাধে নিজের মত প্রকাশ করা যায়। অনেক দলেই সেই পরিবেশ, সেই পরিমণ্ডল নেই। সিপিএমে কি আছে?‌ কতটা...

রাজ্যসভাটা বিকাশবাবুদের জন্যই, অর্বাচীনদের জন্য নয়

রক্তিম মিত্র এমন নয় যে, তিনি ইংরাজি জানেন না। বেশ ভাল জানেন। হিন্দিতে দারুণ সড়গড় না হলেও কাজ চালানোর মতো দিব্যি চালিয়ে দিতে পারেন। হয়তো অন্যদের থেকে সেটাও ভালই বলতে...

ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে একটু আয়নার সামনে দাঁড়ান ক্রীড়া সাংবাদিকরা

কে কটা খবর করেছে, হদিশ পাওয়া কঠিন। দু–‌একজন হাতে গোনা রিপোর্টার ছাড়া অধিকাংশের ঝুলিতে বছরে একটাও খবর নেই। মন কেড়ে নেওয়া লেখাও নেই। প্রিভিউ আর প্রেস কনফারেন্সে বাইলাইন। মোদ্দা কথা, না আছে পরিশ্রম। না আছে পড়াশোনা। না আছে মেধা। না আছে লেখার মুন্সিয়ানা। না আছে সেই পর্যায়ের যোগাযোগ। না আছে ন্যূনতম সংযম।
তাহলে, রইলটা কী? ‌ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসে কি আয়নার সামনে দাঁড়াবেন এই প্রজন্মের ক্রীড়া সাংবাদিকরা?‌

ই ম্যাগাজিন। বিধানচন্দ্র রায় সংখ্যা।

কিংবদন্তি চিকিৎসক ও বাংলার নব রূপকার বিধানচন্দ্র রায়। আজ তাঁর জন্মদিন ও মৃত্যুদিন। জন্মের ১৪২ বছর। মৃত্যুর ৫২ বছর। কিংবদন্তি চিকিৎসককে শ্রদ্ধা জানিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য। নানা অজানা ঘটনা।...

কেনেডির কাছেও ভিজিট চেয়েছিলেন!‌

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাড়িতে নিয়ম করে রোগী দেখতেন বিধানচন্দ্র রায়। কারও কাছেই কোনও ভিজিট নিতেন না। একেবারেই নিখরচায়। সেই বিধানচন্দ্রই ভিজিট চেয়ে নিয়েছিলেন বিশেষ একজনের কাছে। তিনিও আবার যেমন তেমন রোগী নন। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ড জন কেনেডি।

‌একটি পেরেকের কাহিনী

বিধানবাবুর জীবনী হয়ত অনেকেই লিখেছেন। তাতে নিশ্চিতভাবেই অনেক অজানা তথ্য আছে। কিন্তু এমন সহজ সরলভাবে আর কেউ তুলে ধরতে পেরেছেন!‌ মনে হয় না। বইটি সবার পড়া উচিত। দ্রুত পড়ে ফেলুন। ‌একটি পেরেকের কাহিনী পড়ে লিখলেন উত্তম জানা।

মিডিয়া সমাচার

এক মিডিয়ার কথা অন্য মিডিয়ায় সচরাচর আলোচনা হয় না। কিন্তু বেঙ্গল টাইমসে বেশ কয়েকবছর ধরেই মিডিয়া জগতের নানা অজানা দিক উঠে আসে। একজন অভিনেতা বা খেলোয়াড় বা সাহিত্যিক যদি পারফর্মার...