এমনভাবে বলা হয়, যেন গ্রামের মানুষ খেতে পায় না। দুটি খাবারের লোভে কলকাতায় আসে। এইভাবে গ্রামের মানুষকে অপমান করার নোঙরা খেলা কবে বন্ধ হবে! এই গ্রামের মানুষেরা না এলে তাঁদের কী এমন ক্ষতি হয়ে যেত! ঘরে বসে দিব্যি কাটাতে পারতেন। টিভি দেখতে পারতেন। গুলতানি করতে পারতেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারতেন। নিদেনপক্ষে মোবাইল ঘাটতে পারতেন। এক কষ্ট, এত ধকল নেওয়ার কোনও দরকারই ছিল না।
তিনিও পরম নিশ্চিন্তে থাকেন। তিনি জানেন, তিনি ভুয়ো এমবিএ হলেও কোনও অভিযোগ জমা পড়বে না। কোনও মামলা হবে না। তিনি গণনাকেন্দ্র থেকে বের করে দিলেও কোনও মামলা হবে না। কেন্দ্র কিছুই করবে না, সেই ব্যাপারে তিনি অনেকটাই নিশ্চিন্ত। এমনকী বামেরাও যেটুকু করণীয়, সেটুকুও করবে না, এই ব্যাপারেও তিনি বোধ হয় অনেকটাই নিশ্চিন্ত।
সরল বিশ্বাস সকালে প্রায় সব কাগজেই বেরিয়েছে ছবিটা। অমর্ত্য সেনের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন বিমান বসু, মহম্মদ সেলিম, রবিন দেব। বাম নেতৃত্ব হঠাৎ নোবেলজয়ী অর্থনীতির বাড়িতে দেখা করতে গেলেন কেন? শারীরিক...
দল থেকে কাদের মুখপাত্র হিসেবে পাঠানো হচ্ছে? জেলার কোনও মুখ নেই যিনি পার্টির অবস্থান তুলে ধরতে পারতেন! অর্থবল, বাহুবল নেই, মানা গেল। ক্ষমতায় না থাকলে মিডিয়া বা প্রশাসনের ওপরও প্রভাব থাকবে না, এটাও স্বাভাবিক। কিন্তু যুক্তি আর বুদ্ধির দৌড়েও পিছিয়ে থাকতে হবে? এমন দৈনতা কেন আসবে?
অথচ, আইএসএলে এই মোহনবাগান দারুণ খেলে। ট্রফিও পায়। তাহলে, গত কয়েকবছর ধরে নানা বাহানায় ঘরোয়া লিগ এড়িয়ে যায় কেন? এবার কিছুটা বোঝা গেল। আসলে, এই ম্যাচ দেখিয়ে দিল, ফুটবলার তোলার ক্ষেত্রে ইস্টবেঙ্গলের থেকে মোহনবাগান ঠিক কতটা পিছিয়ে আছে।
সহজ কথা, শোভনবাবুর টাকা ও ক্ষমতা না থাকলে বৈশাখির কাছে শোভনবাবুর কোনও মূল্য নেই। এটা এতদিনে শোভনবাবু নিজেও হয়তো বুঝতে পারছেন। তাই যে বান্ধবীর জন্য গ্যাস খেয়ে খুদিরাম হয়েছিলেন, সেই বান্ধবীর জন্যই ফিরতে হবে। কিন্তু বান্ধবীও যে প্রবল উচ্চাকাঙ্খী! শুধু শোভনের পুনর্বাসন হল কিন্তু তাঁর হল না, তাহলে কী হবে? অপেক্ষা করুন। আরও বড় কোনও চিত্রনাট্য হয়তো অপেক্ষা করছে।
জ্যোতি বসুর স্মরণে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ ই–ম্যাগাজিন। নানা আঙ্গিক থেকে কিংবদন্তিকে দেখার চেষ্টা। ৪০ পাতার পিডিএফ। সঙ্গে ওয়েবলিঙ্ক।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আচ্ছন্ন প্রজন্মের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়, জ্যোতি বসু ঠিক কেমন ছিলেন। সিলেবাসেও নিজেকে ঢোকানোর চেষ্টা করেননি। ইউটিউব বা সবজান্তা গুগল ঘাঁটলেও বিরাট কিছু পাবেন না। ঢালাও বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচারের আনুকূল্যে জ্যোতি বাবুদের ভেসে থাকতে হয় না। তাঁরা থেকে যান কাজে। তাঁরা থেকে যান চেতনায়। ‘জ্যোতি বসু, ছোট্ট নাম, কী বিরাট ব্যক্তিত্ব’। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
( কয়েক বছর আগে, জ্যোতি বসুর জন্মদিনে ইজেডসিসি-তে একটি অনুষ্ঠান। সেখানে জ্যোতি বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন বর্ষীয়াণ সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। একেবারে ভিন্নধর্মী একটি ভাষণ। বেঙ্গল টাইমসে সেই লেখাটি...
আশির দশকেও পাহাড় উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে। কীভাবে সামাল দিয়েছিলেন জ্যোতি বসু? তাঁর জন্মদিনে সেই কথাই উঠে এল বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।