পঞ্চাশ বছরে একদিনের যাত্রাপথ
একদিনের ক্রিকেট বলতে ঠিক কত ওভারের ক্রিকেটকে বোঝায়? এক মুহূর্তেই সবাই বলে বসবেন, পঞ্চাশ–পঞ্চাশ মিলিয়ে দিনে একশো ওভার। অথচ, ভারত কিন্তু প্রথম যে একদিনের ম্যাচ খেলেছিল, সেআ ছিল ৫৫ ওভারের। না ৫০, না ৬০। ঠিক মাঝামাঝি, ৫৫।
একদিনের ক্রিকেট বলতে ঠিক কত ওভারের ক্রিকেটকে বোঝায়? এক মুহূর্তেই সবাই বলে বসবেন, পঞ্চাশ–পঞ্চাশ মিলিয়ে দিনে একশো ওভার। অথচ, ভারত কিন্তু প্রথম যে একদিনের ম্যাচ খেলেছিল, সেআ ছিল ৫৫ ওভারের। না ৫০, না ৬০। ঠিক মাঝামাঝি, ৫৫।
শিল্ড জয়ের রাত। চারিদিকে উৎসব। উড়ছে মোহনবাগানের পতাকা।মোহনবাগানের জয় আর স্বাধীনতা যেন মিলেমিশে একাকার। সেই রাতে ডায়েরিতে কী লিখেছিলেন শিবদাস ভাদুড়ি। না লেখা সেই ডায়েরির পাতা বেঙ্গল টাইমসে উঠে এল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
(বাংলা ভাগের নিদান দিয়েছিলেন। ভেসে গিয়েছিল সম্মিলিত প্রতিবাদে। বিদায়ী গভর্নর জেনারেল কীভাবে দেখেছিলেন মোহনবাগানের শিল্ড জয়কে ? সেই সময়ে ফিরে গিয়ে লর্ড কার্জনের মনের কথা উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।
ঢাকা থেকে কলকাতায় হাজির এক যুবক। জাতিতে মুসলিম। মোহনবাগানের নামও কখনও শোনেনি। হঠাৎ সেও জড়িয়ে গেল শিল্ড জয়ের সেলিব্রেশনে। কীভাবে? টাইম মেশিনে ১৯১১ তে ফিরে গিয়ে তাঁর বয়ানেই সেই লেখা তুলে আনলেন ময়ূখ নস্কর।।
আমরা যখন অম্লান বদনে ডিম খাই, তখন কি একবারও ভাবি কত মুরগির কোল খালি হয়ে গেল। প্লেটের ওপর সাজানো ডিমটাই হয়তো একটা ছোট্ট ফুটফুটে বাচ্চা হতে পারত। মায়ের সঙ্গে ঘুরঘুর করতে পারত। ভোরবেলায় ‘কোঁকর কোঁক’ করে অন্যদের ঘুম ভাঙাতে পারত। ডিমের এই নিঃসার্থ আত্মত্যাগের ইতিহাস কি মানব জাতি মনে রাখবে? নাকি ‘ডিম রবে চিরকাল হতাশের নিস্ফলের দলে?’
শ্রুতিনাটক বলতেই ভেসে ওঠে দুটো নাম— জগন্নাথ বসু, উর্মিমালা বসু। অনেকে বলেন, শ্রুতিনাটকের উত্তম–সুচিত্রা। বাংলায় অনেক জুটির মাঝে আরও একটা স্মরণীয় জুটি। এক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে পাওয়া গেল সেই জুটিকে। একান্তে পাওয়া গেল উর্মিমালা বসুকেও। কিছুটা ইন্টারভিউ। কিছুটা আড্ডা। বেঙ্গল টাইমসের জন্য সেই অন্তরঙ্গ কথোপকথন তুলে আনলেন সংহিতা বারুই।
অনেক ঝড়ঝাপটা বয়ে গেছে তাঁর জীবনের ওপর দিয়ে। নিজেকে যতটা সম্ভব, আড়ালেই রাখেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তেমন সক্রিয় নন। বিতর্ক থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকারই চেষ্টা করেন। বারবার বঞ্চনার শিকার হলেও ক্ষোভ উগরে দিতে বা অন্য কাউকে দোষারোপ করতে দেখা যায় না।
আড্ডা নিয়ে একটা গান লিখতে পারো তো। কফি হাউসের ওই আড্ডা নিয়েও তো গান হতে পারে। গৌরীপ্রসন্নর কাছে আবদার রাখলেন অনুজপ্রতিম সুপর্ণকান্তি। যেমন কথা, তেমন কাজ। লিখেও ফেললেন গৌরীপ্রসন্ন। শেষ কয়েকটা লাইন লিখেছিলেন হাওড়া স্টেশনে বসে, সিগারেটের খাপের উল্টোদিকে। সেই কালজয়ী গানের আড়ালের কথা উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।
যাঁরা ডিম–ভাত নিয়ে দিনরাত কটাক্ষ করছেন, তাঁরা ভেবে দেখুন, এই বিষয়টা নিয়ে কটাক্ষ করতে গিয়ে নিজেদের প্রচারকে কত লঘু করে তুলছেন! কয়েক লাখ খরচের জন্য হইচই করতে গিয়ে কয়েকশো কোটিকে পেছনে ফেলে এলেন। কমরেড, ডিম–ভাতের বৃত্ত ছেড়ে এবার একটু বেরোন। ভাবুন, ভাবুন, ভাবা প্র্যাকটিস করুন।
আজ একুশে জুলাই। এই একুশে জুলাই কাণ্ড নিয়ে একটি কমিশন হয়েছিল। বছর পাঁচ আগে এই কমিশন ঠিক কী বলেছিল? এখনও সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল না।