এই চিরঞ্জিৎকে আপনি চিনতেন?
এই চিরঞ্জিৎকে কি আপনি চিনতেন? হ্যাঁ, তিনি এক সময় দূরদর্শনে খবর পড়তেন। সেই সাবেকি দূরদর্শন যাঁরা দেখতেন, তাঁদের হয়ত মনে আছে। সেই স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলেন চিরঞ্জিৎ।
এই চিরঞ্জিৎকে কি আপনি চিনতেন? হ্যাঁ, তিনি এক সময় দূরদর্শনে খবর পড়তেন। সেই সাবেকি দূরদর্শন যাঁরা দেখতেন, তাঁদের হয়ত মনে আছে। সেই স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলেন চিরঞ্জিৎ।
মনে হতেই পারে, তিনি দলের মধ্যে অনেক প্রশ্ন উস্কে দিলেন। তাই নিযে আলোচনা করে আমরা নিজেদের খুব পণ্ডিত ভাবি। আসলে, আমাদের নজরকে ঠিক সময়ে তিনি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে জানেন। এই জন্যই তিনি বড় সাংবাদিক। আগামী চারদিন কী শিরোনাম হবে, বিতর্ক কীভাবে থামবে, তিনি আগাম দেখতে পান।
কেমন ছিলেন অতীত দিনের দিকপাল সেই সাংসদরা? কেন এতবছর পরেও তাঁদের আমরা মনে রাখি? এই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ সিরিজ। এবারের শ্রদ্ধাঞ্জলি গীতা মুখার্জিকে। লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।।
একটা দুশ্চিন্তাকে সঙ্গে নিয়েই গিয়েছিলাম পাহাড়ে। পৌঁছনোর পরেও সেই দুশ্চিন্তাই যেন তাড়া করছিল। সকালের ঝলমলে কাঞ্চনজঙ্ঘাই যেন সবকিছু বদলে দিল। ভরা বর্ষায় সে এমনভাবে দেখা দেবে, ভাবনারও অতীত ছিল। ওই হেম স্টেতে বসেই কিনা হয়ে গেল বহুজাতিক কোম্পানির দু’খানা ইন্টারভিউ। সবই কেমন যেন অবিশ্বাস্য লাগছে। পাহাড় সফরের অন্য এক উপাখ্যান। উঠে এল শান্তনু পাঁজার লেখায়।
সোনার কেল্লার সেই মুকুল। আজকের কুশল চক্রবর্তী। মাঝে পেরিয়ে গেছে ৪৬ বছর। সত্যজিৎ রায়কে ঘিরে টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতি। বলে গেলেন কুশল। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী ।।
জটায়ু আসলে কে? অনেকে টেনে আনবেন রামায়ণের কথা। অনেকে বলবেন, সত্যজিৎ রায়ের তৈরি চরিত্র। ফেলু, তোপসের নামও চলে আসবে। কেউ বলবেন সন্তোষ দত্ত। আসলে, তিনি অন্য একজন। কে ? ফাঁস করলেন স্বয়ং জটায়ু। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
বললাম, তোপসে কি বড় হবে না? ওকে একা ছেড়ে দিন না। সে–ও কিছু সমাধান করুক।
এতটুকুও বিরক্ত হলেন না। উনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘তাহলে যে ফেলু একা হয়ে যাবে। তোপসে ছাড়া সে–ও যে অসম্পূর্ণ।’
যখন শুরুর দিকে সৌরভ গাঙ্গুলি ছিলেন, তখন দলটার সমর্থক ছিলাম। কিন্তু তারপর যখন থেকে সৌরভকে অসম্মান করে সরে যেতে বাধ্য করা হয়, তখন থেকে এই দলটার প্রতি আর কোনও অনুরাগ নেই। বছরের পর বছর বাংলার যোগ্য ক্রিকেটারদের ব্রাত্যই রেখেছে কেকেআর।
তদন্তের নামে সিবিআই কী করেছে? গোটা কয়েক চারআনা, আটআনার এজেন্টকে ধরেছে। কিন্তু তাদের কাছ থেকে আর ওপরে ওঠার চেষ্টা করেনি। সত্তর থেকে আশি শতাংশ টাকা যার পকেটে গেছে, তিনি সভা করে বেড়াচ্ছেন,ভাষণ দিচ্ছেন, হুঙ্কার দিচ্ছেন। না, তিনি মোটেই মুখ্যমন্ত্রী নন। মুখ্যমন্ত্রীর নৈতিক দায় নিশ্চয় আছে। কিন্তু আসল আসামী অন্য কেউ।