এই তারকারা কি সত্যিই জনতার সমস্যা বোঝেন? তাঁরা কি সত্যিই সারা বছর তাঁদের পাশে থাকতে পারেন? তাঁরা কি সত্যিই এলাকার ততখানি উন্নয়ন করতে পারেন! কেউ কেউ বিষয়টা আয়ত্ব করে নেন ঠিকই, কিন্তু অধিকাংশক্ষেত্রে ফলাফলটা খুব একটা আশাপ্রদ নয়। তাঁরা মাঝে মাঝে এলাকায় দর্শন দিয়েই ভেবে নেন, তাঁরা অনেককিছু করে ফেলেছেন। তাঁরা দেখা দিয়েই ধন্য করেছেন।
নানা আকর্ষণীয় লেখার সম্ভার এবারের বেঙ্গল টাইমসে। রাজনীতি, সাহিত্য, খেলা, বিনোদন, স্পেশ্যাল ফিচার সমৃদ্ধ ই–ম্যাগাজিন। পিডিএফ আপলোড করা হল। ডাউনলোড করলেই পড়া যায়। ওয়েব লিঙ্কও দেওয়া হল।
বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। ২৫মার্চ সংখ্যা। ❏ গঙ্গার তলায় মেট্রো। এ যেন আজব এক গোলকধাঁধা ❏ হোলি এলেই বুঝি বাঁকুড়া–পুরুলিয়ার কথা মনে পড়ে! ❏ জোট যখন হবেই, এত জট কেন? ❏...
তাঁরা সত্যিই নির্বোধ। লোকসভা কী, একজন এমপি–র দায়িত্ব কী, তাঁরা সত্যিই বোঝেন না। এমনকী, তাঁরা যে এই কাজে চূড়ান্ত অযোগ্য, এই সহজ সত্যিটুকুও বোঝেন না। লোকসভায় জঙ্গিহানা যতটা নিন্দনীয়, এইসব অর্বাচীনদের পাঠানোও ততটাই অপরাধ। লোকসভা ছ্যাবলামি করার জায়গা নয়, এটা অন্তত বুঝিয়ে দেওয়া দরকার। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
সংসদের মানকে কোথায় টেনে নামাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো! এসব নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না। মিমি কী পোশাক পরলেন, নুসরত কী খেলেন, আগেরবার সেই আলোচনা লোকে রসিয়ে রসিয়ে গিলেছে। এবারের মাতামাতি রচনা ব্যানার্জি, জুন মালিয়া বা সায়নী ঘোষদের ঘিরে। ভাগ্যিস, মিমি–নুসরতরা নেই। নইলে, আরও কত ন্যাকামি যে দেখতে হত, কে জানে! বছরে পাঁচ কোটির বাইরেও যে একটা বিরাট জগৎ আছে, সেটা এই অর্বাচীনদের কে বোঝাবে!
যেখানে অন্তত নব্বই শতাংশ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়াটাই অনিবার্য ভবিতব্য, সেখানেই এতখানি ঝগড়াঝাটি। তাহলে জেতার সম্ভাবনা থাকলে কী হত? মানুষের কাছে কোন ছবিটা তুলে ধরছেন?
সরল বিশ্বাস গঙ্গার তলা নিয়ে মেট্রো চলবে! শুনে আসছি তো বহুদিন ধরে। কিন্তু সত্যিই সেই মেট্রোয় চড়তে পারব তো! আমাদের সবকিছুতেই সেই আঠারো মাসে বছর। যেটা এক বছরে হতে পারত,...
ভোটে সবথেকে বেশি হিংসার আশঙ্কা কোথায়? কলকাতা ও দুই ২৪ পরগনা। অথচ, অন্যান্যবারের মতোই এইসব এলাকায় ভোট সবার শেষে। অর্থাৎ, এইসব এলাকায় উত্তেজনা অকারণে দেড় মাস জিইয়ে রাখা হল। শুরুতে যদি বাহিনি দিয়ে কলকাতা ও লাগোয়া অঞ্চলের ভোট করিয়ে নেওয়া যেত, উত্তেজনা অনেকটাই প্রশমিত হয়ে যেত। তারপর ধীরেসুস্থে দক্ষিণ বঙ্গে বা উত্তরবঙ্গে ভোট হতে পারত।
অজয় নন্দী ইডেনে খেলা এলেই সিএবি কর্তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। কত টিকিট তোলা যায়। কত টিকিট কাকে কাকে দেওয়া যায়। তিনি টিকিট দিতে পারেন, এটাই তাঁর ইউএসপি। এটাকে ভাঙিয়েই সারা...
যে বোর্ডকর্তারা ঘরোয়া ক্রিকেটের গুরুত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান বলে দাবি করছেন, তাঁরা নিজেরা ঘরোয়া ক্রিকেটকে কতখানি গুরুত্ব দিচ্ছেন? রনজি ফাইনালের মতো আসরে তাঁরা নিজেরা গরহাজির কেন? ক্রিকেটারদের না হয় শাস্তি হল। কিন্তু এই বোর্ড কর্তাদের শাস্তি কে দেবে?