বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। ওয়েব লিঙ্ক। ২০২৩

বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। ওয়েব লিঙ্ক। ২০২৩ ৫ ডিসেম্বর সংখ্যা (‌বিশ্বকাপ)‌ https://bengaltimes.in/wp-content/uploads/2023/12/bengal-times-5-december.pdf *** ১১ নভেম্বর সংখ্যা (‌‌দীপাবলি)‌ https://bengaltimes.in/wp-content/uploads/2023/11/dipabali-sankhya-2023.pdf **** ২০ অক্টোবর (‌শারদ সংকলন)‌ https://bengaltimes.in/wp-content/uploads/2023/10/1697954241788_pujo-sankhya-2023.pdfpdfpdfpdf **** ১৬ সেপ্টেম্বর সংখ্যা https://bengaltimes.in/wp-content/uploads/2023/09/bengal-times.16-september-issue.pdf ***...

উঠল বাই ভুটান যাই

চারিদিকে লোকজন নেই বললেই চলে। শান্ত, স্নিগ্ধ নির্জন এক বৌদ্ধ মন্দির। চারপাশটা ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম। ফুলে ফলে সৌন্দর্যে ভরে আছে জায়গাটা। মন্দির তখনও খোলেনি। এদিক ওদিক ঘুরছিলাম। হঠাৎ চোখে পড়ল নানান বয়সী একদল লামা। কী প্রাণবন্ত! কাজ করছে, খেলছে, দুষ্টুমি করছে। একসঙ্গে সবাই বড় হচ্ছে। এখনকার বাচ্চাদের মত হাতে স্মার্ট ফোন নিয়ে জ্যাঠাগিরি করেনি।

গোলপাহাড়ের দেশে যা, চা–‌পাহাড়ের দেশে যা

এবার আমাদের ঠিকানা ওকেটি। জায়গাটার নাম কয়েকদিনা আগেও জানতাম না। নেটে সার্চ করলে হয়ত পাওয়া যাবে। কিন্তু নামটা জানলে তবে তো সার্চ করবেন। নামটাই যদি না শোনা থেকে যায়, তবে কীভাবে সার্চ করবেন?‌ জায়গাটার সন্ধান দিয়েছিলেন তাবাকোশির বিজয় সুব্বা। প্রথমে তাঁর কাছেই উঠেছিলাম। এরপর কোথায় যাব, তাঁর ওপরই ছেড়ে দিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, আরও একটু উপরের দিকে, নেপাল বর্ডারের কাছে দারুণ একটা গ্রাম আছে। ওকেটি। ওখানে চলে যান। চারপাশে চা–‌বাগান আছে। ওয়েদার খুব ভাল। আর যে ছেলেটির কাছে পাঠাচ্ছি, সেই ছেলেটি আরও ভাল।

মায়াবি পেশকে তিনটি দিন

চা-বাগানের জন্য বিখ্যাত ‘‌পেশক’‌ থেকে কিছুটা উপরে উঠলেই মেঘের হাতছানি। সবুজ মখমলের মতো বনানী যেন আহ্বান জানাচ্ছে। যেতে যেতে প্রথমে সুন্দরী গোরীগাঁও। গোটা গ্রামে কুড়ি, পঁচিশটি ঘর। এখান থেকে দেখা যায় কালিংপং অার সিকিমের বিস্তৃত অঞ্চল। পরিষ্কার অাকাশ থাকলে কাঞ্চনজঙ্ঘাও দিব্যি দৃশ্যপটে এসে যায়।

সিকিম আজি খুলিয়াছে দ্বার

সিকিম আবার তার দরজা খুলে দিয়েছে। আবার প্রাণের ডাক দিয়েছে। হ্যাঁ, আবার আমরা যাব। এনজেপি–‌র সেই গাড়িওলা যতই গ্যাংটক–‌গ্যাংটক করে চিৎকার করুক, আমরা ছুটে যাবে সেই শান্ত, স্নিগ্ধ পাহাড়ি গ্রামে। আমার কাছে ওটাই আসল সিকিম।
‌‌

অমিত শাহর সৌভাগ্য, তাঁর ব্যর্থতা চোখে আঙুল দিয়ে কেউ দেখিয়ে দেননি

কর্মীরা পাল্টা বলতেই পারতেন, সিবিআই এর অপদার্থতার জবাবদিহিটা আমাদেরই করতে হয়। সিবিআই ঘুমিয়ে থাকে বলেই ‘‌সেটিং’‌ এর গল্প ছড়ায়। এই ব্যর্থতার দায় তো আপনাদেরই। আপনাদের ব্যর্থতার দায়টাও আমাদের নিতে হয়। গত লোকসভায় যেটুকু ভোট এসেছে, আপনাদের দেখে আসেনি। তৃণমূলের প্রতি রাগ ও ঘৃণার কারণেই এসেছে। আবার বিধানসভায় যে এতখানি ভোট কমে গেল, সেটা আপনাদের অপদার্থতার জন্যই। কারণ, আপনারাই নিজেদের স্বার্থে তৃণমূলকে বাঁচিয়ে রাখতে চেয়েছেন। আপনারাই সিবিআই–‌ইডিকে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছিলেন।

সাইকেল, আমাদের ছোটবেলার সেরা বিনোদন

সে সময় ভিডিও গেমও ছিল না। ফেসবুকও ছিল না। ছেলেবেলার সেরা বিনোদন ছিল ওই সাইকেল। সেই সাইকেলকে ঘিরেই কত অ্যাডভেঞ্চার। কত লুকিয়ে থাকা স্মৃতি। বিশ্ব সাইকেল দিবসে নস্টালজিক লেখা সজল পাত্রর।

চার কন্যের পাহাড় ভ্রমণ

সোনাদা থেকে চটকপুরের রাস্তাটা খুব খারাপ। কিন্তু আমাদের বেশ অ্যাডভেঞ্চারাস লাগছিল। একটা ঝকঝকে দিনে আমরা চটকপুর এসে পৌছলাম। আমাদের ড্রাইভার দাদাও বলছিলেন ‘‌আপলোগ ধূপ লে করকে আয়ে হো’‌৷ মাত্র আগের দিনই মেঘলা আকাশ ছিল। যেমনটা ভেবেছিলাম চটকপুর থেকে যে রূপে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে দেখলাম সেটা ভাষায় প্রকাশ করার সাধ্যি নেই। এমনকী কোনও ছবিতেও বোঝানো যাবে না। ক্যামেরার লেন্সেরও সেই সাধ্য নেই। চোখের সামনে প্রত্যক্ষ করলাম বিশাল শায়িত বুদ্ধ৷

শীতের রোদে কমলালেবুর গ্রামে

অন্তরা চৌধুরি সত্যি কথাটা প্রথমেই স্বীকার করে নেওয়া ভাল। গিয়েছিলাম বাগোড়া। যদিও আগে সেখানে গেছি। অসাধারণ মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। যে কোনও প্রকৃতিপ্রেমী মানুষের কাছে এই জায়গা বেশ উপভোগ্য। বিশেষত যাঁরা একটু...

মোয়ার সেকাল একাল

মোয়া মানেই উঠে আসে জয়নগরের নাম। দুটোই যেন সমার্থক। কিন্তু মোয়ার আসল রাজধানী মোটেই জয়নগর নয়। এই জয়নগর ব্র্যান্ডের আড়ালেই হারিয়ে গেছে বহরু। যাই যাই শীতের আমেজে সেই জয়নগর আর বহরু থেকে ঘুরে এলেন সংহিতা বারুই।