হ্যাঁ, আরণ্যকের সেই দোবরু পান্না

নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমাদের মহুয়া খাওয়াল। একটা বোতলে করে মহুয়া ভরেও দিল। টাকা দিতে গেলাম। কিছুতেই নিল না। বলল, আপনারা মহুয়া খেতে চেয়েছেন, এ তো আমার সৌভাগ্য, এর জন্য টাকা নেব কেন! সেই কাকার আসল নাম আর মনে নেই। কিন্তু হোলি এলেই আমাদের সেই দোবরু পান্নার কথা খুব মনে পড়ে।

রাজ্যভাগের জল্পনায় অদ্ভুত এক ধোঁয়াশা সব শিবিরেই

হয়ত বিশেষ কোনও এক জায়গায় সম্মতি দেওয়াও আছে। লোকদেখানো কিছু বিরোধিতা, মিছিল, ভাঙচুর— এসব হবে। কিন্তু আসল জায়গায় নীরব সম্মতিই থাকবে। যেভাবে লোকসভা বা রাজ্যসভায় একের পর এক বিলের ক্ষেত্রে হয়েছে। বাইরে প্রতিবাদ, কিন্তু ভোটাভুটির সময় হয় সমর্থন, নইলে ওয়াক আউট করে পরোক্ষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়া। রাজ্যভাগের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তেমন হবে না তো?‌