এত এত লোক থাকতে বেছে নেওয়া হয় কৌশিক সেনকে। যে কৌশিক সেন গত দশবছরে তাঁর মতো করে লড়ে চলেছেন। যে কৌশিক সেন শাসকের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেননি। যে কৌশিক সেন শাসকের দাক্ষিণ্যের পরোয়া করেননি। যে কৌশিক সেন পেশাগত এত ক্ষতিস্বীকার করেও তাঁর মতো করে প্রতিবাদ করে চলেছেন। সেই প্রতিবাদ সম্মান জানানো তো দূরে থাক, প্রতিনিয়ত ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে। কিছু লোক আছেন, গালাগাল দেওয়াটাই যাঁদের কাজ। কিন্তু বাকিরা না বুঝেই তাতে সামিল হয়ে যাচ্ছেন। তখন সেই গালাগালটাই মূলস্রোত হয়ে পড়ছে।
কপালেই কালেকশন অর্কজ্যোতি মজুমদার শ্যামলী এখন ঠিক আছে। কপালে চারটে সেলাই পড়েছে। সন্টুদা, যিনি মানুষের জন্যে কাজ করেন, স্থানীয় সমাজসেবা করেন এমন এক রাজনৈতিক দাদা। সেই দাদার বউ শ্যামলী। ডাক্তার...
যাঁর জন্য এমন নজিরবিহীন উদ্যোগ নেওয়া হল, তাঁর অপকর্মের দায় সরকার নেবে না তো কে নেবে? যে স্পিকার বাজেট আলোচনার জন্য সময় দিতে পারেন না, তিনি এমন একজনের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য তিন বার আইন সংশোধন করালেন! স্পিকারের চেয়ারও কি কলঙ্কিত হল না? বিধানসভাও কি কলঙ্কিত হল না?
নানা সময়ে নানা বিষয়ে তদন্ত হয়। এবার সিবিআই তদন্ত কেন মাঝপথে থেমে যায়, তা নিয়ে বরং একটা তদন্ত হয়ে যাক।