সৌরভ গাঙ্গুলি যদি অধিনায়ক হতেন আর তাঁকে যদি এভাবে উপেক্ষা করা হত, তাহলে কি তিনি মেনে নিতেন? অথচ, এখন তিনি প্রশাসক। এখন তিনি যেটা চাইবেন, সেটাই আইন। তাই অধিনায়কের মতামতের গুরুত্ব নেই। এমনকী মতামত চাওয়াও হয় না।
এখানেই তফাত। ছোট দেশ হয়েও যে দৃঢ়তা ও সৎসাহস বাংলাদেশ সরকার দেখাতে পারে, এত বড় দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েও আমাদের প্রধানমন্ত্রী সেই সৎসাহস দেখাতে পারেন না। তিনি সত্যিই বড় অসহায়। সংখ্যাগুরুকে উস্কে দেওয়া খুব সহজ কাজ। এর জন্য বীরত্ব লাগে না। কিন্তু সংখ্যালঘুর পাশে দাঁড়িয়ে সংখ্যাগুরুর কাজের নিন্দা করতে হিম্মৎ লাগে বই কি। সেই হিম্মৎ কি আমাদের প্রধানমন্ত্রীর আছে! লিখেছেন অজয় কুমার।