‌কারও ‘‌দাদা’‌ হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি

সোশ্যাল মিডিয়ায় আচ্ছন্ন প্রজন্মের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়, জ্যোতি বসু ঠিক কেমন ছিলেন। সিলেবাসেও নিজেকে ঢোকানোর চেষ্টা করেননি। ইউটিউব বা সবজান্তা গুগল ঘাঁটলেও বিরাট কিছু পাবেন না। ঢালাও বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচারের আনুকূল্যে জ্যোতি বাবুদের ভেসে থাকতে হয় না। তাঁরা থেকে যান কাজে। তাঁরা থেকে যান চেতনায়। ‘‌জ্যোতি বসু, ছোট্ট নাম, কী বিরাট ব্যক্তিত্ব’‌।‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

‌সব চা একইরকম, প্যাকেটগুলো আলাদা

সরল বিশ্বাস এশিয়ার প্রথম মহিলা টি টেস্টার কে?‌ তিনি কিন্তু এই বাংলাতেই থাকেন। নাম ডলি রায়। চায়ের দুনিয়ায় বেশ পরিচিত নাম। কিন্তু বাঙালি সেভাবে খোঁজ রাখেনি। এই ডলি রায়ের আরও...

‌বিধান পরিষদ:‌ একটি নিদারুণ অশ্বডিম্ব

গত দশ বছরে তিনবার রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। বিধানসভায় সর্বসম্মতিতে সেই নাম বদলের প্রস্তাব পাশ হয়েছিল। তারপরেও দিল্লি এখনও রাজ্যের নাম বদলে অনুমোদন দেয়নি। সামান্য একটা নাম পরিবর্তনে এতরকম জটিলতা। সেখানে বিধান পরিষদের সম্মতি পাওয়া যাবে?‌ চোখে দূরবিন লাগিয়েও এমন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে?‌

ধন্যি মেয়ের সেই রবি ঘোষের কথাই মনে পড়ে যায়

স্পিকারের মর্যাদা রক্ষা করা সদস্যদের দায়িত্বে মধ্যে পড়ে। কিন্তু স্পিকারকেও সেই মর্যাদার যোগ্য হয়ে উঠতে হয়। এই স্পিকার দশ বছরেও সেই চেয়ারের মর্যাদা বোঝেননি। চেয়ারকে ক্রমাগত হাসির খোরাক করে তুলছেন। এমন স্পিকার থাকলে সেই চেয়ারের সম্মান বজায় রাখা সত্যিই মুশকিল।

বনস্পতির ছায়া দিলেন সারাজীবন

(‌ ‌আজ ২ জুলাই। কিংবদন্তী জননেতা অশোক ঘোষের জন্মদিন। বেশ কয়েক বছর আগে, তাঁর জন্মদিনে বেশ কয়েকটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসে। তার কয়েকটি লেখা আবার প্রকাশিত হচ্ছে। যাঁরা আগে পড়েননি, তাঁরা এখন পড়ে নিতে পারেন। যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা আবার পড়লেও মন্দ লাগবে না। )‌

‌বেঙ্গল টাইমস / বিধানচন্দ্র রায় বিশেষ সংখ্যা

বিধানচন্দ্র রায়ের স্মরণে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধাঞ্জলি।কিংবদন্তি এই মানুষটিকে নিয়ে নানা স্বাদের এক ডজন লেখা। উঠে আসবে অনেক অজানা তথ্য ও ঘটনা।

কেনেডির কাছেও ভিজিট চেয়েছিলেন!‌

কিন্তু বিধান রায়ও নাছোড়। তিনি এসেছেন যখন, দেখা করেই যাবেন। বুঝলেন, রাষ্ট্রদূতকে দিয়ে হবে না। সেখান থেকে ফোন করে বসলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নেহরুকে। বললেন, জওহর, আমি এখানে এসেছি যখন, তখন কেনেডির সঙ্গে দেখা করেই যাব। কিন্তু তোমার রাষ্ট্রদূত আমাকে প্রোটোকল বোঝাতে শুরু করেছে। এই বয়সে ওসব বুঝে আমার কাজ নেই। তুমি ওকে বলো, ও যেন প্রেডিডেন্টের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করে।

পথের পাঁচালীর টাকা এসেছিল পিডব্লুডি থেকে!‌

সংহিতা বারুই পথের পাঁচালী ছবির পরিচালক কে, সবাই জানেন। কিন্তু এই ছবির প্রযোজক কে?‌ অনেকেরই হয়ত অজানা। সত্যিই তো, প্রযোজককে নিয়ে কে আর মাথা ঘামায়!‌ কোনও সন্দেহ নেই, বাংলা ছবিতে...

‌মাত্র এক টাকায় কেনা হয়েছিল সল্টলেক!

পরিকল্পনা সাজানোই ছিল। ঘরে ঢুকে পড়লেন চিফ সেক্রেটারি। হাতে নকশা। আর জমি হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। ওই ঘরে বসিয়েই সই করিয়ে নেওয়া হল হেম নস্করকে। বেচারা মন্ত্রী! ঠিকমতো বুঝে ওঠার আগেই বিধানবাবুর কথায় সই করে ফেলতে হল। সল্টলেক তৈরির ইতিকথা। স্মৃতিচারণে প্রবীণ সাংবাদিক সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত।