ঘুরে এলেন? লিখে ফেলুন
অনেকেই হয়ত পাহাড় বা ডুয়ার্স থেকে ঘুরে এলেন। কেউ ঘুরে এলেন ভিনরাজ্য থেকে। সেই বেড়ানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে? বেঙ্গল টাইমসে আপনাকে স্বাগত।
অনেকেই হয়ত পাহাড় বা ডুয়ার্স থেকে ঘুরে এলেন। কেউ ঘুরে এলেন ভিনরাজ্য থেকে। সেই বেড়ানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে? বেঙ্গল টাইমসে আপনাকে স্বাগত।
বাংলা ছবির রোমান্টিক জুটি বলতে কাদের বোঝায়? এই প্রশ্নটা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। সবাই একটাই উত্তর দেবেন— উত্তম–সুচিত্রা। কিন্তু ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখুন তো, এমন জুটির কথা কোনও ছবির পোস্টারে বা টাইটেল কার্ডে দেখেছেন কিনা! শুরুর দিকের কয়েকটা ছবিতে হয়ত উত্তম–সুচিত্রা পাবেন। কিন্তু অধিকাংশ ছবিতেই উত্তম–সুচিত্রা পাবেন না।
রাত জেগে সেই বিশ্বকাপ দেখা। কৈশোরের সেই রোমাঞ্চই আলাদা। কিন্তু কীভাবে এল এই অভ্যেস? কে তৈরি করেছিলেন? স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে এমনই এক ব্যতিক্রমী শিক্ষকের কথা উঠে এল। পড়ুন, ভাল লাগবে।।
খুব দুর্গম নয়, খরচও তেমন নেই। পুরুলিয়া থেকে অনায়াসে বাসে পৌঁছে যেতে পারেন অযোধ্যা পাহাড়ে। একসময় মাওবাদী আতঙ্ক ছিল, এখন তাও নেই। শীতের রোদ গায়ে মেখে ঘুরে আসুন। হদিশ দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি।।
একটা দার্জিলিংকে ভাঙিয়ে আমরা আর কতদিন খাব? আরও ছোট ছোট গ্রামকে পর্যটন কেন্দ্রের চেহারা দিতে হবে। একসঙ্গে অনেক পর্যটন কেন্দ্র খুঁজতে গেলে সব ঘেঁটে যাবে। তার থেকে বরং ছোট ছোট লক্ষ্য রেখে এগোনো ভাল। এই বছরের মধ্যে এমন দশটি জায়গা খুঁজে বের করা হোক। সেখানে কিছু পরিকাঠামো তৈরি করে জোরদার প্রচার শুরু হয়ে যাক। লিখেছেন শুভজিৎ বোস।
যাঁরা একটা দুটো তুলেছেন, তাঁদের কথা বলছি না। কিন্তু যাঁরা দিনে তিরিশ–চল্লিশটা সেলফি তোলেন, তাঁরা ভেবে দেখুন, সেলফিতে সত্যিই কি আপনাকে খুব সুন্দর লাগে? একটা সুন্দর চেহারাকে অসুন্দর দেখানোর আদর্শ উপায় হল এই সেলফি। তাই যদি নিজেকে ভালবাসেন, তাহলে সেলফি থেকে দূরে থাকুন।
যাক, শেষপর্যন্ত সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হল না। রাজ্যের লেখা বয়ানই পাঠ করলেন রাজ্যপাল। তিনি পাঠ করলেন ঠিকই, কিন্তু রাজ্যের অবস্থা তাঁর থেকে ভাল কে জানেন! যেভাবে হেনস্থার শিকার হচ্ছেন, এর আগে কোনও রাজ্যপালকে এভাবে অপমানিত হতে হয়নি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।
এক দেশের অধিনায়কের প্রাণ সংশয়। রক্ত দিতে এগিয়ে এলেন আরেক দেশের অধিনায়ক। একজন নরি কন্ট্রাক্টর, অন্যজন স্যার ফ্র্যাঙ্ক ওরেল। ৫৭ বছর আগে, এই দিনে এমনই এক ঘটনা। রয়ে গেছে ক্রিকেটের লোকগাথা হয়ে। লিখেছেন সিকিম সেন।
বইমেলা প্রায় ফুরিয়ে এল। স্বভাবতই বইপত্র নিয়ে আলোচনা চলবে। অনেকেই নতুন নতুন বই কিনলেন। এবার পড়াও শুরু হয়ে যাবে। কোন বইটা কেমন লাগল? কী বিষয়বস্তু, চাইলে পাঠকদের সঙ্গে সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পারেন। আপনি লিখে পাঠান আপনার অভিজ্ঞতা।
গত বছর তাঁর সময় হয়নি। তাই একদিন পিছিয়ে গিয়েছিল বইমেলা। এবার তিনি উদ্বোধন করতে পারবেন না। তাই একদিন এগিয়ে আনা হল বইমেলা। আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডার নয়, তাঁর ইচ্ছেতেই ঠিক হবে, বইমেলা কখন হবে। বইমেলাও অনুপ্রেরণা ছাড়া অচল। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।