সভায় সভায় এত উন্নয়নের ফিরিস্তি। তারপরেও কেন্দ্রীয় বাহিনীতে এত আপত্তি কেন? তারপরেও ছাপ্পা সংস্কৃতির এমন রমরমা কেন? উন্নয়ন নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ থাকতেই পারে। কিন্তু তৃণমূলের জেলাস্তর বা ব্লক স্তরের নেতাদের যে উন্নয়নের ওপর কোনও ভরসা নেই, সেটা বোঝা গেল। নেত্রীর প্রতি দলের নেতাদের যে এমন প্রবল অনাস্থা, কে জানত! লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।
যেখানে অবাধে ভোট লুঠ হচ্ছে, যেখানে বাহিনী পাওয়া যাচ্ছে না, যেখানে রাজ্য পুলিশ থেকে প্রশাসনের অপদার্থতা এভাবে প্রকট হয়ে উঠছে, সেখানে একটা ছবি বেরোবে কি বেরোবে না, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনে নালিশ করা কি খুব জরুরি? এতে আসল অভিযোগগুলো কি লঘু হয়ে যাচ্ছে না? বামেদের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন ধীমান দাশগুপ্ত।
বুথ দখলের মাঝেও রুখে দাঁড়ালেন। গাড়ি ভাঙা হল। কিন্তু ভয়ে গুটিয়ে যাওয়া নয়। তিনি বুক চিতিয়ে পাল্টা লড়াই ফিরিয়ে দিলেন। সেই মহম্মদ সেলিমের কাছে তাঁর ছেলের বার্তা।