অগ্নিশ্বরের উত্তম, কাছ থেকে দেখা
শুটিং ফ্লোরে কেমন ছিলেন মহানায়ক? দূর গ্রহের তারা, নাকি খোলামেলা? কৈশোরের স্মৃতি হাঁতড়ে তুলে আনলেন বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত।।
শুটিং ফ্লোরে কেমন ছিলেন মহানায়ক? দূর গ্রহের তারা, নাকি খোলামেলা? কৈশোরের স্মৃতি হাঁতড়ে তুলে আনলেন বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত।।
উঠল বাই, চিমনি যাই। বুকিং–টুকিং কিছুই নেই। হঠাৎই চলে যাওয়া। বিচিত্র সব আবদার। পাহাড়ি গ্রাম যেন মামাবাড়ি। এত বৃষ্টি, তবুও বিরক্তি নেই। লিখেছেন অভীক মজুমদার।।
উত্তম কুমারের মূর্তি। অথচ, দেখলে চিনতেও পারবেন না। সবসময়ই যেন ঘেমে আছেন। আর সুচিত্রা যদি নিজের মূর্তি দেখতেন! স্বেচ্ছা নির্বাসন ভেঙে চলে আসতেন। এমনই দুটি মূর্তি। আপাতত সরিয়ে দেওয়া হল মিউজিয়াম থেকে। কেন?
বুঝতে হবে মমতা ব্যানার্জি যে সব দলের বিরুদ্ধে এহেন আচরণ করছেন, তারা তিনটি দলই কিন্তু জাতীয় দল। পরবর্তীকালে এই দলগুলি অনেক সংগঠিতভাবেই তৃণমূলকে গ্রহের বাইরে ছুঁড়ে ফেলতেও দ্বিধা করবে না। এটাই হবে তৃণমূলের ভবিতব্য। জোট দলের হয় না। জোট হয় নিপীড়িত মানুষের।লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।।
খালিদের বিদায় নিশ্চিত। সুভাষ ভৌমিক হয়ত থেকে যাবেন। তাঁর হাতেই পূর্ণ কর্তৃত্ব তুলে দেওয়া হোক। ফেলে আসা মরশুমে কোচ আর টিডি দলটাকে যেভাবে হাস্যকর করে তুললেন, নতুন মরশুমে সেই পুরনো নাটক আর দেখতে চাই না। লিখেছেন সোহম সেন।
বাংলার প্রথম টিভি সিরিয়াল কী? সেটি কীভাবে তৈরি হল? কার কাহিনী, কার পরিচালনা? কতদিন চলেছিল? তিন দশক পর সেই কাহিনীতে আলো ফেললেন সৌরদীপ বর্মণ।