রাজ্যসভা কাদের জন্য? এই সহজ সত্যিটাই রাজনৈতিক দলগুলো বুঝল না। তৃণমূল যে চারজনকে পাঠাচ্ছে, তাঁদের একজনও রাজ্যসভায় যাওয়ার যোগ্য? নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ির মতো শিক্ষাবিদ রয়েছেন। দেশজুড়ে যখন বিকৃত হিন্দুত্বের আবহ, তখন সঠিক ব্যাখ্যা তুলে ধরতে পারতেন এই মানুষটি। এমন একজনকে তৃণমূল পাঠাতে পারল না! লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।
অনেকেরই প্রশ্ন যে অপর্ণা নারী জীবন, নারী মুক্তি , সর্বোপরি নারী তথা মানবিক উন্নয়নের দিকে নতুন আলোর পথ দেখান। সে পথ বিতর্কিত, সাহসী কিন্তু অবশ্যই অপটিমিস্টিক। এখানে একটা হতাশাবোধ গ্রাস করেছে চিত্রনাট্যের বুনোট-কে। ঋতুপর্ণ ঘোষের ছায়া অবশ্যই পড়েছে চিত্রপরিচালিকা মীরার চরিত্রে। তাঁর অসময়ে চলে যাওয়া কি এই ছবিতে কোনও ছায়া ফেলেছে ? লিখেছেন চন্দন রায়।।
বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন: আপাতত তিনি ইস্টবেঙ্গলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর। এ লাইসেন্স নেই। ফলে সরাসরি কোচ হওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আছে। তাই খালিদ জামিলকেই কোচ রেখে সুভাষ ভৌমিককে টিডি করা হল। তবে...
কলকাতায় এত ওলা–উবেরের বাড়বাড়ন্ত। হলুদ ট্যাক্সির দুর্ব্যবহার ক্রমশ বেড়েই চলেছে। মনে পড়ে যাচ্ছে স্টিয়ারিং হাতে সেই সর্দারজিদের কথা। যাঁরা হাসিমুখে নির্ভুল ঠিকানায় পৌঁছে দিতেন।
এনজেপি থেকে দার্জিলিংয়ের ভাড়া ১৩০০ টাকা! যেখানে শেয়ার গাড়িতে খরচ ১৩০ টাকা, সেখানে ট্রেনে দশ গুন! মানছি, বিত্তশালী পর্যটকদের কাছে এটা কোনও অঙ্কই নয়। বিদেশ থেকে আসা টুরিস্টদের ক্ষেত্রেও হয়ত বড় অঙ্ক নয়। কিন্তু মধ্যবিত্ত বাঙালি পর্যটকদের কাছে এটা অনেকটাই। পাঁচজনের একটা পরিবার যদি দার্জিলিংয়ে উঠতে চায়, তাদের খরচ পড়বে সাড়ে ছয় হাজার! এটা বাড়াবাড়ি হয়ে গেল না!