ন্ঈমু্দ্দিনের না লেখা চিঠি

অমল দত্ত থাকতে আমি! প্লিজ, ক্ষমা করুন। আমাকে আপনারা পরেও মোহনবাগান রত্ন দিতে পারবেন। কিন্তু এবার এই সম্মানটা অমলদাকে দিন। সেই পুরস্কার আমি তুলে দেব। সেটাই হবে আমার গুরুদক্ষিণা। নঈমুদ্দিনের বয়ানে মোহনবাগান কর্তাদের এমনই এক আর্জি জানালেন ময়ূখ নস্কর।

যেখানেই তারুণ্য, সেখানেই সাফল্য, এই সহজ সত্যিটা বুঝলেন?

দুদিনের রাজ্য কমিটির সভা। জোট নিয়ে নানা তাত্ত্বিক আলোচনা। তর্ক-বিতর্ক। পলিটবুরো, গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতা। ভারি ভারি সব আলোচনা। বিপর্যয়ের আসল কারণগুলো নিয়ে আলোচনাই হল না। কোথায়, কেন সাফল্য, সেটুকুও আড়ালেই থেকে গেল। বিপর্যয়ের পরেও অন্য একদি দিকে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।।

পিকে, প্লিজ অমল দত্তর বাড়ি থেকে একবার ঘুরে আসুন

সিপিএম-তৃণমূল বা মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের লড়াই তো আছেই। ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির বাগযুদ্ধ ? সবাইকে ছাপিয়ে যেতে পারে পিকে-অমল জুটি। সেই অমল দত্ত শয্যাশায়ী, বাকরুদ্ধ। কাউকে নাকি চিনতেও পারছেন না। পি কে ব্যানার্জি, প্লিজ আপনি একবার বাগুইআটির বাড়িতে যান। আপনার ভোকাল টনিক দিয়ে উজ্জীবিত করে আসুন চির প্রতিদ্বন্দ্বীকে। কিংবদন্তি কোচকে নিয়ে মর্মস্পর্শী লেখা লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

লাল সেলাম লেপচা খা

দুর্গম পথ পেরিযে এক রূপকথার দেশে।বক্সা ফোর্ট পেরিয়ে ছোট্ট একটি গ্রাম লেপচা খা। পাহাড়ি সেই উপত্যকা থেকে ঘুরে এসে কলম ধরলেন সৌম্যদীপ সরকার ।।

প্রাক্তনঃ হারিয়ে যাওয়ার নয়, থেকে যাওয়ারই ছবি

তোর্সা চ্যাটার্জি চমক তো একটা ছিলই। ১৫ বছর পর একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা। এতদিন তাঁদের জুটিকে ফিরিয়ে আনার কম চেষ্টা তো হয়নি। কিন্তু ফিরতে রাজি হননি। ফিরছেন যখন, একটা বাড়তি...

যদি তিনি এমন শপথ নিতেন..

রেড রোডে আজ জমকালো শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। শপথের বয়ান কী হবে, মোটামুটি জানা। কিন্তু যদি অন্যরকম শপথ হত। যদি অকপটে সব মনের কথা বলতে পারতেন, যদি ভুলগুলো স্বীকার করে সেগুলো শুধরে নেওয়ার অঙ্গিকার করতেন! এমনই এক শপথবাক্যের খসড়া। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

তোমার লড়াইকে কুর্নিশ, শতরূপ

নিছকই একটি কাল্পনিক চিঠি। কী জানি, মনে মনে হয়ত এটাই সত্যিকারের চিঠি। জাভেদ খান যদি চিঠি লিখতে পারলেন, তাঁকে যদি বলা হত ভোটের পর শতরূপ ঘোষকে একটা চিঠি লিখতে, তিনি ঠিক কী লিখতেন ? কীভাবে দেখতেন কসবা কেন্দ্রে তরুণ-তুর্কি শতরূপের লড়াইকে ? দমকলমন্ত্রীর বয়ানে সেই চিঠিই লিখলেন প্রসূন বসু ।।

কফিহাউস পার্ট টু

কফিহাউসের গানের কথা অনেকেই জানেন। অনেকেরই মুখস্থ। কিন্তু কফিহাউস পার্ট টু শুনেছেন? এটিও মান্না দে-র রেকর্ড করা। গানটি সেভাবে শোনা যায় না। জন্মদিনে মান্না দে-র প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য। সেই গানটি প্রকাশ করা হল বেঙ্গল টাইমসে।

সিনেমাও হয়েছিল মান্না দে-কে নিয়ে!

মান্না দে-কে নিয়ে সিনেমা। তাতে অভিনয় করছেন স্বয়ং মান্না দে ! কফিহাউসে বসে গাইলেন অমরত্ব পাওয়া সেই গান। শুটিংয়ের টুকরো টুকরো নানা মুহূর্ত তুলে ধরলেন পরিচালক সুদেষ্ণা রায়। তাঁর মুখোমুখি মৌতান ঘোষাল ।।

জন্মদিনে কিংবদন্তি শিল্পীর প্রতি বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য।।

গুড় বাতাসার আত্মকথা

একসঙ্গে সাত জেলায় ভোট। সবার চোখ বীরভূমে। সবার চোখ গুড়বাতাসায়। ভোটে যেই জিতুক, আসল জয় গুড়বাতাসার। ল্যাংচা, মিহিদানা, সরভাজা, পান্তুয়া- সবাই দশ গোল খেল গুড়বাতাসার কাছে। কেষ্টবাবুর হাত ধরে এ যেন হারিয়ে যাওয়া মিষ্টির নবজন্ম। এই নিয়েই বিশেষ লেখা- ‘‘গুড়বাতাসার আত্মকথা’’। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।