সাঁচির সন্ধানে

ভোপাল থেকে মাত্র সোয়া এক ঘণ্টা। সম্রাট অশোকের দেশ। ইতিহাস যেন চুপি চুপি অনেক কথা বলতে চাইছে। সাঁচি স্তূপ থেকে ফিরে এসে সেই ছবিটাই তুলে ধরলেন শোভন চন্দ।

প্লিজ লোপা, কবিতা থেকে গান বন্ধ করবেন না

ধামাধরাদের ভিড়ে তিনি স্বতন্ত্র। তাঁর কণ্ঠে নতুন করে প্রাণ পেয়েছে হারিয়ে যাওয়া অনেক কবিতা। ২৫ বছর সঙ্গীত জীবনের অনুষ্ঠান রবীন্দ্র সদনে। তার আগে তাঁকে খোলা চিঠি। লিখলেন বৃষ্টি চৌধুরি।

উদাসী মনে মেঘদূত আর মেঘমল্লার

বৃষ্টি এলে মনে আসতেই পারে মেঘদূত, চেতনাকে নাড়া দিয়ে যায় মেঘমল্লার। সুদূর মার্কিন মুলুকে বসেও অনুভূতিটা পাল্টায় না। দুই দেশের বর্ষা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। তেমনই ছবি ফুটে উঠেছে নিউইয়র্ক থেকে পাঠানো মধুজা মুখোপাধ্যায়ের মরমী কলমে।

আর কলকাতায় ফিরতেই চাননি উত্তম কুমার ?

কলকাতা ছেড়ে বম্বেতে চলে যেতে চেয়েছিলেন উত্তম কুমার? সেখান থেকেই বাংলা ছবি করতে চেয়েছিলেন ? কেন ? এখানে কি এমন ঘটেছিল যে আর বাংলায় ফিরতে চাইছিলেন না ? জানেত হলে পড়ুন।

কজন হলে গিয়ে উত্তমের ছবি দেখেছেন?

বেঙ্গল টাইমসে শুরু হল উত্তম সপ্তাহ। সারা সপ্তাহজুড়েই মহানায়ককে নিযে নানা আঙ্গিক থেকে লেখা। শুধু প্রশস্তি নয়, কোথাও ভিন্নধর্মী লেখাও থাকতে পারে। যেমন এই লেখাটি। পড়ে দেখতে পারেন। লিখেছেন রাজেশ মুখার্জি।।

পুরানো সিরিয়াল ফিরিয়ে আনা যায় না?

যাঁরা সারাদিন সিরিয়ালে মুখ গুঁজে থাকেন, তাঁরা বোধ হয় জানেন না আটের দশক বা নয়ের দশকে কেমন সিরিয়াল হত। তেরো পার্বন, সেই সময়, আদর্শ হিন্দু হোটেল- এসব কালজয়ী সিরিয়ালকে আবার ফিরিয়ে আনা যায় না? টিভি চ্যানেলগুলির কাছে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।

রিটায়ারিং রুমঃ রেল প্রচার করে না কেন?

অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনেই রিটায়ারিং রুম আছে? সুন্দর ব্যবস্থা। আমরা কজন জানি? রেলই বারিটায়ারিং রুমের প্রচারে এত নীরব কেন? আমাদের রাজ্য ও পড়শি রাজ্য- দুটি ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা ওপেন ফোরামে তুলে ধরলেন সায়ন বিশ্বাস।

নঈমু্দ্দিনের না লেখা চিঠি

কয়েকদিন আগের কথা। অমল দত্ত তখন গুরুতর অসুস্থ। সেই সময়েই মোহনবাগান রত্ন হিসেবে ঘোষণা হয় সৈয়দ নঈমুদ্দিনের নাম। নঈমের বয়ানে মোহনবাগান সচিব অঞ্জন মিত্রকে সুন্দর চিঠি লিখেছিলেন ময়ূখ নস্কর। দাবি ছিল, আমাকে নয়, এবার মোহনবাগান রত্ন দেওয়া হোক অমল দত্তকে। সেই লেখা আবার প্রকাশ করা হল। যাঁরা তখন পড়েননি, তাঁরা এখন অবশ্যই পড়ুন।

মদ নিষিদ্ধ হোকঃ ফের ঝড় তুললেন ভিক্টর

বিধানসভায় তিনিই বিরোধীদের অন্যতম মুখ। কিন্তু সেই আলি ইমরান (ভিক্টর) অন্য এক অঙ্গিকার করে বসলেন। বললেন, কৃষ্ণ শিশুপালকে কথা দিয়েছিলেন, একশোটা অপরাধ ক্ষমা করবেন। আমিও কথা দিচ্ছি, সরকার মদ নিষিদ্ধ করুক, আগামী একবছর বিধানসভায় সরকারের বা মুখ্যমন্ত্রীর কোনও সমালোচনা করব না। বিধানভায় তাঁর স্মরণীয় বক্তৃতার নির্যাস পড়ুন বেঙ্গল টাইমসে।

আরও একটা ভুল, আর কত ভুল করবেন?

বাংলায় জোট ছিল। কই, কেরলে ক্ষমতায় আসতে তো সমস্যা হয়নি। বা কেরলে কংগ্রেসের সঙ্গে লড়াই হয়েছে। বাংলার গ্রামাঞ্চলে বাম-কংগ্রেস একসঙ্গে মিছিল করতে সমস্যা হয়নি। নিচুতলার কর্মীরা বাস্তবতা বোঝেন, বোঝেন না ঠান্ডা ঘরের নেতারা। তাই কর্মীদের মনোভাব বা আবেগ না বুঝেই আরও একটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।