বিপর্যয় কাটিয়ে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে উত্তরবঙ্গ। এবারের বিপদ হয়তো কাটানো গেল। কিন্তু আগামী বছর যেন আবার এমন পরিস্থিতি তৈরি না হয়, এখন থেকেই সতর্ক থাকা দরকার। পরিবেশবিদদের পরামর্শ নেওয়া হোক। কঠোরভাবে সেই নির্দেশ পালন করা হোক। কোথায় ড্রেজিং দরকার, কোথায় বাঁধ দরকার, কোথায় ক্যানাল কেটে জল অন্য কোনও জলাশয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, তার রূপরেখা তৈরি হোক। যত দ্রুত সম্ভব, সেই পরিকল্পনার রূপায়ণ হোক।
স্বরূপ গোস্বামী এক দশকের বেশি সময় ধরে সিবিআই সারদা কেলেঙ্কারির তদন্ত চালাচ্ছে। শুরুর দিকে নাম কে ওয়াস্তে কয়েকজন চুনোপুঁটিকে ধরপাকড়। তারপরই বহু বছর ধরে তারা শীতঘুমে। কেন? ওই যে বুদ্ধিজীবীরা...
অমিত ভট্টাচার্য মাথার ওপর যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। চাকরি যেতে পারে, এমন একটা আশঙ্কা তো ছিলই। হাইকোর্টও এক কলমের খোঁচায় সবার চাকরি নট করে দিয়েছিল। তবু সরকার যখন বলছে, তখন...
মোদ্দা, কথা বিজেপি, জেডিইউ, এলজেপি জোট আদৌ ক্ষমতায় আসবে কিনা সংশয়। আর এলেও নীতীশ কুমারই ফের মুখ্যমন্ত্রী হবেন, এমনটা বলা যাচ্ছে না। বলা হলেও হয়তো অল্প কয়েকদিনের জন্য। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই অন্য সমীকরণ হাজির হয়ে যাবে। তাই গত বছর নবীনবাবু প্রাক্তন হয়েছেন। এবার নীতীশ কুমার প্রাক্তন হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
আপনাকে বলা হয়েছিল, ২ কেজি আলু আনতে। তার বদলে আপনি কত জায়গায় না চক্কর কাটলেন। তারপর রান্নার মাসিকে সেই আলু দেওয়ার বদলে আপনার বিস্তর গবেষণা ও কাগজপত্র জমা দিলেন। সেই রান্নার মাসি বেচারা কী করবেন, বুঝে উঠতেই পারছেন না।
আপনার নাম তাহলে কী দাঁড়াল?
উত্তর: সিবিআই
আপনাকে ভাল না বেসে পারা যায় না। তাতে আমাকে যে যা গালাগাল দেয়, দিক। আপনার এই সাহসিকতা দীর্ঘজীবী হোক। যাঁরা রাজ্য চালান, যাঁরা দেশ চালান, আপনার কাছে সবাইকেই বড় কাপুরুষ মনে হয়। এভাবেই সবাইকে নগ্ন করুন। এভাবেই সবাইকে ধর্ষণ করুন। ধর্ষিত হওয়াই এঁদের ভবিতব্য।
স্বমহিমায় মাঠে নেমে পড়েছেন নন্দ ঘোষ। এতদিন সবাই তাঁর দোষ খুঁজত। এবার তিনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন অন্যদের দোষ। সেই তালিকায় কেউ বাদ নেই। না, নেতাজিও না? তাঁকেও দু–চার কথা শুনিয়ে দিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।
সজল পাত্র বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সম্পর্কে একটা কথা প্রায়ই বলা হয়, মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার সময় তিনি নাকি বলেছিলেন, আমি চোরেদের মন্ত্রিসভায় থাকব না। তিনি কবে এমনটা বলেছিলেন, কাকে বলেছিলেন, কে...
না, ২৩ জুলাই পার্থর গ্রেপ্তারির তিন বছর পূর্তি নয়। ২৩ জুলাই আসলে যাঁরা সিবিআই চালান, সেই বীরপুঙ্গবদের অপদার্থতার তিন বছর পূর্তি। তাই এই তিন বছর পূর্তির দিনে পার্থ বা অর্পিতাকে নিয়ে খিল্লি নয়। যদি গালাগাল দিতে হয়, ইডি কর্তাদের দিন। যদি ঘৃণা করতে হয়, দিল্লিতে বসে থাকা ওই নাটের গুরুদের করুন।
‘কারাগারে আঠারো বছর’—লেখা নয়, যেন রূপকথা। আজিজুল তখন যুবক। দমদম জেল ভেঙে পালালেন দলবল নিয়ে। ধরা পড়লেন। বেধড়ক মার। মার খেতে কি ভালোবাসতেন আজিজুল?