ট্যুর অপারেটর হতে চান? এই ছবিটি দেখুন
অনেকেই হয়ত ট্যুর অপারেটর হতে চান। পর্যটন ব্যবসায় নামতে চান। ভাল–মন্দ দুটো দিকই জেনে রাখা দরকার। একটা ছবি দেখতে পারেন, ধারণাটা কিছুটা পরিষ্কার হবে।
নতুন জায়গা খুঁজেই পর্যটনের বিস্তার ঘটাতে হবে
বাঙালির পর্যটন মানে শুধু দিঘা, পুরী, দার্জিলিং— এই বৃত্তে কেন আটকে থাকবে? এর বাইরে বেরোতে হবে। এই বাংলায় এত বৈচিত্র। আরও বেশি করে ভ্রমণপ্রেমী মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তবেই পর্যটনের যথার্থ বিস্তার ঘটবে।
গা ছমছমে জঙ্গলে বোট সাফারি
এতবার ডুয়ার্সে এসেছি। কিন্তু এমন একটা জায়গায় কেন আসিনি! নিজেদের ওপরই রাগ হল। নৌকোয় বাবুও সঙ্গে ছিল। ভাগ্যিস বাবু সিকিয়াঝোরার প্রস্তাবটা দিল! নইলে তো এবারও আসা হত না। অন্তত আমাদের পরিকল্পনার মাঝে কোথাও ছিল না এই উত্তরের অ্যামাজন। বাবুকে কী ভাষায় ধন্যবাদ জানাব! শব্দভান্ডারের কোনও শব্দই জুৎসই মনে হল না। আমাদের রোমাঞ্চ, আমাদের মুগ্ধতা দেখে যা বোঝার, ও বুঝে নিক।
পাহাড়ের অচেনা ঠিকানা, তিনচুলে
দূরে কোথাও নয়। ভিনরাজ্যেও নয়। এই বাংলাতেই। নিশ্চয় দার্জিলিং! না, ঠিক তাও নয়। তবে খুব কাছাকাছি। আর ভনিতা না করে নামটা বলেই দেওয়া যাক- তিনচুলে। নামটা চেনা চেনা লাগছে ? যাঁরা বেড়ানোর ব্যাপারে খুব খোঁজখবর রাখেন, তাঁরা হয়ত নাম শুনেছেন। যাঁরা শোনেনননি, তাঁদের হীনমন্যতায় ভোগার কিছু নেই। কারণ, বাংলার পর্যটন মানচিত্রে তিনচুলে তেমন বিখ্যাত নাম নয়।
জঙ্গলের মাঝে কুঁড়েঘরের হাতছানি
ইচ্ছে হল, একঝলক গ্রাম দেখার। গ্রামে রাত কাটানোর। জঙ্গলের মাঝে গ্রামের আমেজ পেলে মন্দ কী? আবার শহুরে সাচ্ছন্দ্যও আছে। ঘুরে আসতেই পারেন জয়পুরের বনলতা রিসর্টে।
মেঘ, পাহাড়, নদী, অরণ্য–কী নেই উত্তরবঙ্গে?
কোথাও উত্তাল নদী। কোথাও মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে পাহাড়ের বুকে। কোথাও গা ছমছম করা জঙ্গল। প্রকৃতি দু’হাত ভরে সাজিয়ে দিয়েছে উত্তরবঙ্গকে। আমাদের কি কোনও দায়িত্ব নেই? আমরা কি আরও উত্তরবঙ্গকে আরও ভালভাবে তুলে ধরতে পারি না? লিখেছেন তিস্তা ঘোষাল।
পলাশ দেখতে নয়, শীতের সময় আসুন
হোলির ঠিক আগে যেন বাঁকুড়া–পুরুলিয়ায় যাওয়ার ধুম লেগে যায়। ট্রেনে টিকিট পাওয়া যায় না। হোটেলে ঘর পাওয়া যায় না। সব নাকি অনেক আগে থেকেই বুকড। সবার ধারণা, এই সময়টায় নাকি বাঁকুড়া বা পুরুলিয়া যাওয়ার আদর্শ সময়। কিন্তু যাঁরা গেছেন, তাঁরা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন।
শিমূলতলায় নৈশ অভিযান
উঠল বাই, শিমূলতলা যাই। হঠাৎই চলে যাওয়া। তাও প্রায় দুই দশক আগে। সারাদিন টেনে ঘুম, রাতে হ্যাজাক নিয়ে বেরিয়ে পড়া। এমনই নৈশ অভিযানের স্মৃতি উঠে এল সৌম্যদীপ সরকারের লেখায়।
বেঙ্গল টাইমস। বিশেষ পাহাড় সংখ্যা।।
শীত এলেই বাঙালির মন উড়ু উড়ু। সেই আবেগকে সম্মান জানিয়েই এবার বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ পাহাড় সংখ্যা। এবার শুধুই ভ্রমণ। তবে, চেনা কক্ষপথে নয়। পাহাড়ের কিছু অচেনা ঠিকানায়। শহুরে পর্যটন কেন্দ্রে নয়, মূলত পাহাড়ি গ্রামের দিকে। এই পাহাড় সংখ্যা পিডিএফে আপলোড করা হল। নীচের লিঙ্কে ক্লিক করলেই পড়তে পারবেন। অথবা, নীচে প্রচ্ছদের ছবিতেও ক্লিক করতে পারেন। সেখান থেকেও পড়তে পারেন।
