নীতা কিন্তু এখনও বেঁচে আছে
নীতা মারা গিয়েছিল। কিন্তু সেই সংলাপটা দিব্যি বেঁচে আছে। কালজয়ী হয়ে বেঁচে আছে ‘মেঘে ঢাকা তারা’। বাংলা ছবির সেই অমর সৃষ্টির দিকেই আলো ফেললেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।
নীতা মারা গিয়েছিল। কিন্তু সেই সংলাপটা দিব্যি বেঁচে আছে। কালজয়ী হয়ে বেঁচে আছে ‘মেঘে ঢাকা তারা’। বাংলা ছবির সেই অমর সৃষ্টির দিকেই আলো ফেললেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।
লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।
সুচিত্রার আভিজাত্য, চোখ ঝলসানো রূপ কিংবা সুপ্রিয়ার যৌনলাস্য সাবিত্রীর ছিল না, কিন্তু ছিল ওই দুটো চোখ— ”প্রহর শেষের আলোয় রাঙা/ সেদিন চৈত্রমাস/
তোমার চোখে দেখেছিলাম/ আমার সর্বনাশ! ” কিংবদন্তি অভিনেত্রীর জন্মদিনে অনেক অজানা দিক তুলে ধরলেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আমাদের কাছে পনেরোই আগস্ট মানে স্বাধীনতা দিবস। আনন্দের দিন। কিন্তু পাশের দেশে ছবিটা অন্যরকম। সেখানে পনেরোই আগস্ট মানে মর্মান্তিক এক হত্যাকান্ড। পনেরোই আগস্ট মানেই ভয়াবহ সেই স্মৃতি। পনেরোই আগস্ট মানে যন্ত্রনার দিন, কান্নার দিন।
ঠিক এক বছর আগে, এই দিনেই চলে গিয়েছিলেন বনশ্রী সেনগুপ্ত। দেখতে দেখতে একটা বছর পেরিয়ে গেল। গানের কিছু অজানা গল্প নিয়ে ফিরে দেখা প্রয়াত শিল্পীকে। মর্মস্পর্শী লেখা শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
একবছর আগে, ঠিক এই দিনেই চলে গিয়েছিলেন বনশ্রী সেনগুপ্ত। সেদিন তাঁকে নিয়ে একটি স্মৃতিচারণধর্মী লেখা প্রকাশিত হয়েছিল বেঙ্গল টাইমসে। এক বছর পর সেই লেখা আবার ফিরে এল। পড়ুন একটি অনুষ্ঠানের মর্মস্পর্শী বর্ণনা।
কে এই বনলতা সেন? জীবনানন্দের চেনা জানা কেউ? নাকি নিছকই কবির কল্পনা? বলা কথার আড়ালে না–বলা কি কিছু থেকে গিয়েছিল? কবির জন্মদিনে উত্তর খুঁজলেন শোভন চন্দ।।
ফুল ফুটুক না ফুটুক, আজ বসন্ত। অমরত্ব পাওয়া এই লাইনগুলি লিখেছিলেন কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়। আজ তাঁর জন্মদিন। শতবর্ষে পা রাখলেন পদাতিক কবি। সতেরো বছর আগে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্ত তুলে ধরলেন ময়ূখ নস্কর। জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য। পড়ুন, ভাল লাগবে।
দিনে ঘুসখোর পুলিস, রাতে অ্যাংরি ইয়ং ম্যান। দেখতে দেখতে শাহেনশার তিরিশ বছর হয়ে গেল। এই ছবির কাহিনি কিন্তু জয়া বচ্চনের লেখা। তিরিশ বছরে এমনই অনেক অজানা দিক তুলে ধরলেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।।
আর প্রকাশিত হবে না সান্ধ্য আজকাল। তিন দশকের এই সান্ধ্য দৈনিকের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অনেক পাঠকের আবেগ। মিডিয়া সমাচারে তেমনই এক শিক্ষকের অনুভূতি তুলে ধরা হল।