একদিন বলল বিস্কুট খাবেন না। তার বদলে মুড়ি খান। বেশ, তাই হোক। মুড়ি খেতে শুরু করলাম। দুম করে বলে উঠল, কী সর্বনাশ, খবরদার মুড়ি খাবেন না। গোল গোল সাদা সাদা মুড়ি। তাতেই লুকিয়ে রয়েছে ভয়ঙ্কর বিষ। আশ্চর্য! তাহলে খাব কী? যত নষ্টের গোড়া ওই অফবিট ২৪। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরি।।
যদি নিজের জীবনের কথাই বলার ছিল, তাহলে শ্রীকান্তকে টেনে টেনে বড় না করে আত্মজীবনীই লিখতে পারতেন। ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে না বলে কবে কী কেলোর কীর্তি ঘটিয়েছেন, তা সরাসরি বললেই পারতেন। তাতে কিছু লোক হয়তো ছিঃ ছিঃ করত, কিন্তু লেখাটা অনেক ভালো হত। বাঙালি পাঠকের হজম হবে কি হবে না এই ভেবে সাহিত্যের বারোটা বাজালেন। নন্দ ঘোষের কড়চায় এবার শিকার শরৎচন্দ্র।
বুড়ো বয়সে সৌমিত্র চাটুজ্জের এ কী ভিমরতি হল! তিনিও কিনা ফেসবুক খুলে বসলেন! এবার তিনিও নিজের ঢাক নিজে পেটাবেন আর লোক হাসাবেন! নন্দ ঘোষের কড়চায় এবার অতিথি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।
আই এফ এ খুব খারাপ, তাই মোহনবাগান নাকি বিহারে গিয়ে নাম নথিভুক্ত করবে। ভাল কথা। ফেডারেশন খুব খারাপ। তাহলে নেপালে বা বাংলাদেশে গেলে কেমন হয়! এত চিঠি লিখলেও ফিফা পাত্তা দেয় না। মঙ্গল গ্রহে গিয়ে মঙ্গল–লিগে একা একাই চ্যাম্পিয়ন হওয়া যায়। পুজোর পর স্বমহিমায় নন্দ ঘোষ। তাঁর টার্গেট মোহন কর্তারা।
অধিকাংশ সর্বভারতীয় চ্যানেল এমন ভান করে, যেন তারা সরকারের কতই ঘনিষ্ঠ। সারাক্ষণ ব্রেকিং নিউজ, ব্রেকিং নিউজ করে চিৎকার। কিন্তু রাষ্ট্রপতি কে হবেন? এই প্রশ্নে সবাই কুপোকাত। বোঝা গেল এদের ব্রেকিং নিউজের দৌড় কতদূর। নন্দ ঘোষের কড়চায় ফের স্বমহিমায় নন্দ ঘোষ।।
ভারী আমার ম্যাটিনি আইডল। এখন হলে দুপুরে কেউ ওই প্যানপ্যানানি ছবি দেখতে যেত না। দেবের ঠাকুরদার রোলও জুটল না। কী দুর্দশা যে হত! অনুমান করলেন নন্দ ঘোষ।
লোকটা মনের সুখে ডেটা বিলিয়ে যাচ্ছে। ডেটা তো নয়, যেন সজনে ডাটা। সবাই খুব পুলকে নেটে আছে, আসলে ঘেঁটে আছে। ধীরুভাই ধীরে চলতেন। এ তো ছুটছে ফোর জি স্পিডে। রসাতলে পাঠানোর জন্য যা যা করার দরকার, তাই করছে। নন্দ ঘোষের টার্গেট জিওবাবু মুকেশ আম্বানি।
সবাই বাজেট নিয়ে মেতে আছে। অরুণ জেটলি কোথায় ঠিক করলেন, কোথায় ভুল করলেন। স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ কি কম বোঝেন নাকি? তিনিও আচ্ছা করে দু–চার কথা শুনিয়ে দিলেন জেটলিবাবুকে।
নন্দ ঘোষ ঠিক করলেন, বইমেলায় যাবেন। গেলেন। নানা প্রকাশক ও লেখকদের নিয়ে অনেক খোঁজখবর নিলেন। বইমেলা নিয়ে কিস্তি লিখতে চান। তাঁকে কে না করবে? শুধু হল দেজ পাবলিশিংকে দিয়ে। আজ তাঁর শিকার দেজ–এর কর্ণধার শুধাংশুশেখর দে।।
তিনি নাকি স্টার রিপোর্টার। এমন স্টার, লেখা পড়তে গিয়ে মানে বই খুলতে হয়। পাছে না পড়লে পিছিয়ে পড়ি! এই কুসংস্কার থেকে কিছু লোক পড়ত, কিছু না বুঝলেও বোঝার ভান করত। নন্দ ঘোষের শিকার এবার দিকপাল সাংবাদিক গৌতম ভট্টাচার্য।।