সিনেমার মতোই, কিন্তু বাস্তবেও তো ঘটল

ভাগ্যিস ওই ফোনটা বেজে উঠেছিল। ভাগ্যিস, মুম্বইয়ে দাঁড়িয়েও বাংলায় কথা বলেছিলেন নজরুল। তাই গোটা ছবিটাই বদলে গেল। হারানো এক তরুণ খুঁজে পেল নিজের পরিবার। সন্তান–‌হারা এক মা খুঁজে পেলেন এগারো বছর আগে হারিয়ে যাওয়া ছেলেকে। সুমিত চক্রবর্তীর লেখায় সেই ফিরে পাওয়ার উপাখ্যান।

রক্তদান যেন উৎসবেরই আরেক রূপ

সুমিত চক্রবর্তী একেবারে গায়ে গায়ে যেন দুটো উৎসব। বাঙালির প্রিয় সরস্বতী পুজো। আর সারা দেশের প্রিয় ২৬ জানুয়ারি। অনেকেই নানা আড়ম্বরের রাস্তা বেছে নেন। সরস্বতীর নামে যা যা হয়, স্বয়ং...

বামেদের গালাগাল দেওয়া এখন খুব সহজ

কোনও একদিন একটা ভোটে কোনও একটা বুথের পোলিং এজেন্ট হয়ে কয়েক ঘন্টা পার করে দেখান। কোনও একদিন কোনও একটা ভোটের আগের দিন রাতের বেলা বুথ পাহারা দিন কমরেডদের সঙ্গে। কোনও একদিন কোনও একটা ভোটের আগের দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে বুথ স্লিপ বিলি করে আসুন.., সেদিন আপনার “দম” বুঝব। লিখেছেন সৌম্য সিনহা।

গভীর রাতে নিষিদ্ধ হোক ফেসবুক

ফেসবুক নাকি আধার লিঙ্ক চাইছে। ভাল কথা। আরও নিষেধাজ্ঞা আসুক। রাত দশটার পর বন্ধ হয়ে যাক। প্রতিবেশী বাংলাদেশ যদি পারে, আমরা পারব না কেন?‌ লিখেছেন নিবেদিতা মান্না।

সবুজ বনানীর কোলে অযোধ্যা পাহাড়

খুব দুর্গম নয়, খরচও তেমন নেই। পুরুলিয়া থেকে অনায়াসে বাসে পৌঁছে যেতে পারেন অযোধ্যা পাহাড়ে। একসময় মাওবাদী আতঙ্ক ছিল, এখন তাও নেই। শীতের রোদ গায়ে মেখে ঘুরে আসুন। হদিশ দিলেন শান্তনু ব্যানার্জি।।

অযোধ্যা পাহাড় এবং আমরা তিনজন

উত্তরের পাহাড় অশান্ত। এই সুযোগে দক্ষিণের পাহাড় ঘুরে এলে কেমন হয়?‌ হ্যাঁ, পুরুলিয়ায় অযোধ্যা পাহাড়। অযোধ্যা আছে, কিন্তু রাম নিয়ে মাতামাতি নেই। এমনই এক সফর। পড়ুন, এই বর্ষায় পারলে ঘুরেও আসুন। লিখেছেন দেবাশিস হালদার।

৮০ তে আসিও না

অভিজিৎ দে আশিতে আসার যে কী বিড়ম্বনা!‌ শরীর কথা শুনতে চায় না। রোজ কোনও না কোনও কলকব্জা বিকল হয়ে পড়ে। স্মৃতি সঙ্গ দেয় না। চেনা নামগুলোও তখন কেমন যেন গুলিয়ে...

ছৌ মুখোশের চড়িদা গ্রামে একটি দিন

ছৌ নাচের কথা কে না জানেন!‌ কোথায় তৈরি হয় সেই ছৌ–‌মুখোশ?‌ অযোধ্যার লাগোয়া সেই চড়িদা গ্রাম থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সংহিতা বারুই।

নীল নির্জনে মুকুটমণিপুর

শীতের অলস রোদ গায়ে মেখে নীল নির্জনে কয়েকটা দিন। খুব দূরে নয়, কাছেই মুকুটমণিপুরে। ব্যস্ততা ভুলে নিখাদ হারিয়ে যাওয়া। আড্ডা, খুনসুটি মাখানো সেই সফর। উঠে এল সন্দীপ লায়েকের কিবোর্ডে।

যোগ্য শিক্ষামন্ত্রী হতে পারতেন আশিস ব্যানার্জি

এমন গ্রন্থাগারমন্ত্রী, যিনি তালাকের হয়ে গলা ফাটান। এমন শিক্ষামন্ত্রী যিনি দলের মহাসচিব, দলের গোষ্ঠীকোন্দল সামলান। দপ্তরের কাজে এঁদের সময় কোথায়?‌
আশিস ব্যানার্জিকে আনা হল কৃষি দপ্তরে। অথচ, তিনি অনেক বেশি যোগ্য শিক্ষামন্ত্রী হতে পারতেন। অন্তত বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর থেকে সব ব্যাপারেই অনেক এগিয়ে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।