‌কালো চিতা নয়, সিংহহৃদয় চিমা

  কলকাতার ফুটবলে মজিদ বাসকারের উপস্থিতি বড়ই ক্ষণস্থায়ী। এসেছিলেন শিল্পের ছটা নিয়ে। রঙিন ক্যানভাসে কোনও শিল্পী যেন তুলির আঁচড় কেটে দিচ্ছেন। কিন্তু বেহিসেবি জীবনযাপন ময়দানের মূল স্রোত থেকে তাঁকে অনেকটাই...

একবার কেভেন্টার্সে ঘুরেই আসুন

খোলা ছাদ, একেবারেই সাদামাটা একটা রেস্তোরাঁ। বলে না দিলে আলাদা করে বোঝার উপায়ও নেই। ম্যাল থেকে একটু নেমে গেলেই চোখে পড়বে রেস্তোরাঁটা। সেখানকার প্রিয় খাদ্য নাকি চিকেন সসেজ। যারা আসে, এটাই আগে খায়।

পুজোর সেই ভিয়েন, কোথায় যে হারিয়ে গেল!‌

এই প্রজন্ম হয়ত ‘ভিয়েন’ শব্দটার সঙ্গেই পরিচিত নয়। হয়ত সবজান্তা গুগল হাতড়ে যাবে। শুধু মহানগর নয়, মফস্বল শহর থেকেও হারিয়ে যেতে বসেছে শব্দটা। শোনা যায়, ইদানীং ভিয়েনের কারিগরও নাকি পাওয়া যায় না। যে লোকটা মিঠাই বানাত, তার উত্তসূরী হয়ত চাউমিনের স্টল দিয়েছে বা হয়ত পিঠে জোমাটোর ইয়াব্বড় ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে। বদলে যাওয়া সময়, বদলে যাওয়া খাবারের ভিড়ে সেই ভিয়েন কোথায় যেন হারিয়ে গেল! ‌

গীতা মুখার্জির পাঠশালায় নারীর মুক্তি

‌কেমন ছিলেন অতীত দিনের দিকপাল সেই সাংসদরা?‌ কেন এতবছর পরেও তাঁদের আমরা মনে রাখি?‌ এই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ সিরিজ। এবারের শ্রদ্ধাঞ্জলি গীতা মুখার্জিকে। লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।।

‌সংসদের সেই দৃপ্ত কণ্ঠস্বর

বাংলার দিকপাল সাংসদরা যখন কথা বলতেন, গোটা সংসদ তখন যেন মুগ্ধ শ্রোতা। অতীত দিনের সেইসব দিকপাল সাংসদদের নিয়ে বিশেষ সিরিজ। এবারের শ্রদ্ধার্ঘ্য গুরুদাস দাশগুপ্তকে। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।

মিলেনিয়াম পার্ক যেন হারিয়ে না যায়

সিদ্ধার্থ গুপ্ত কলকাতা শহরের বুকে বিনোদনের নতুন নতুন ঠিকানা তৈরি হচ্ছে। একটা জনপ্রিয় হলে, অন্যটা একটু ফিকে হয়ে যায়, এটাই সাধারণ নিয়ম। ইকো পার্কে ভিড় বাড়লে নিকো পার্কের ভিড় পাতলা...

স্মৃতির সরণি:‌ আমাদের সেই সরস্বতী পুজো

কতকগুলো একটু বেশি বিজ্ঞ বিজ্ঞ কাকু বা জ্যেঠু থাকতো, তারা ‘তোদের স্কুলের হেডস্যার কি এখনও ভক্তিবাবুই আছে.?’,
কিংবা ‘আগে সরস্বতীর বানানটা বল’ দিয়ে শুরু করতো।

আমরা নিজেদের মধ্যে ‘এই তুই বল, তুই বলনা, তুই তো স্কুলে প্রথম বেঞ্চে বসিস’, (প্রথম বেঞ্চে বসা ছেলেরা যেন সর্বজ্ঞ)

শেষে ‘কাকু বীণাপানি বানানটা বলে দিচ্ছি, পাঁচ টাকা দিয়ে ছেড়ে দিন’,

সব চা একইরকম, প্যাকেটগুলো আলাদা

বাকিরা ইংরাজিতে বললেও জ্যোতিবাবু সেদিন পরিষ্কার বাংলাতেই বলেছিলেন। বাকিরা চায়ের জগতের দিকপাল। চা সম্পর্কে তাঁদের বিস্তর জ্ঞান উগরে দিচ্ছিলেন। জ্যোতিবাবুও চাইলে সেক্রেটারিকে দিয়ে চা নিয়ে একটা জ্ঞানগর্ভ ভাষণ তৈরি করে আনতে পারতেন। চায়ের বাণিজ্য, চা শিল্পের সম্ভাবনা, সঙ্কট, সরকারি পরিকল্পনা–‌এসব নিয়ে নিজের ঢাক পেটাতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেই রাস্তাতেই গেলেন না। একেবারে সহজ–‌সরল, সাদামাটা ভাষায় নিজের অনুভূতি তুলে ধরলেন।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি চালিয়ে ছিলেন নীরবে

তখনও ফেসবুক ছিল না। নিজেকে জাহিরের তীব্র তাগিদও ছিল না। একে মফস্বল, তার ওপর বাংলা মাধ্যম। জন্মগত প্রতিভা নয়, ঘসে মেজে নিজেকে তৈরি করা। অশোক দাশগুপ্ত বা ধীমান দত্ত বা রূপায়ণ ভট্টাচার্যের মতো দুর্ধর্ষ লেখনি ছিল না। পার্থ রুদ্রর মতো এমন সাবলীল ইংরাজিও ছিল না। রূপক সাহা বা জয়ন্ত চক্রবর্তীদের মতো অভিজ্ঞতার সমৃদ্ধ ভাণ্ডারও ছিল না। আসলে, অরুণ সেনগুপ্ত জানতেন, তাঁর সীমাবদ্ধতা কোথায়!‌ তিনি জানতেন, তিনি কী পারেন। তিনি জানতেন, তিনি কী পারেন না। এই পরিমিতি বোধটা কজনের থাকে!‌

শিক্ষক দিবস হোক আত্মসমীক্ষার দিন

দিব্যেন্দু দে শিক্ষক দিবস এলেই পুরনো সব স্মৃতি এসে ভীড় করে। আমাদের স্কুলে কীভাবে শিক্ষক দিবস পালন হত। কীভাবে আমরা শিক্ষকদের নানারকম উপহার দিতাম। তাঁরাও স্নেহ উজাড় করে দিতেন। সেইসব...