বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদনঃ দলীয় সংগঠনে মহিলাদের আরও বেশি করে আনার দাবি সব দলেই। সেই দাবিতে সিপিএমের পলিটব্যুরোতেও নেওয়া হয়েছিল বৃন্দা কারাতকে। কিন্তু নিচু তলায় মহিলা নেতৃত্বের অনুপাতটা সেই তুলনায় অনেকটাই কম। জেলা কমিটিতে রাখা হলেও জেলা সম্পাদক হিসেবে কোনও দলই মহিলাদের তুলে ধরে না।
এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী নজির গড়ল আর এস পি। এই প্রথম কোনও মহিলাকে দলের জেলা সম্পাদক করা হল। জলপাইগুড়ি জেলায় সম্পাদক করা হয়েছে লড়াকু নেত্রী রেখা রায়কে। সাংগঠনিকভাবে জলপাইগুড়ি খুব দুর্বল জেলা, এমনও নয়। গত বিধানসভাতেও এই জেলা থেকে আর এস পি-র পাঁচজন বিধায়ক ছিলেন। চা বাগান এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় আর এস পি। যদিও জেলা ভাগ হওয়ার পর আলিপুরদুয়ার জেলার পাল্লাই ভারি। তবু জলপাইগুড়ির মতো জেলাতে একজন মহিলা সম্পাদক বেছে নেওয়া রীতিমতো সাহসের ব্যাপার।
বামফ্রন্টের কোনও শরিক দলেও এই নজির নেই। রবিবার পুনরায় দলের রাজ্য সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর ক্ষিতি গোস্বামী বলেন, মহিলাদের পঞ্চায়েতে সংরক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু দলের সংগঠনে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব সেভাবে নেই। এটা সব দলের ক্ষেত্রেই সত্যি। তাই আমরা প্রথমবার একজন মহিলাকে জেলা সম্পাদক করেছি। সংগঠনহীন জেলায় নয়, যে জেলায় বেশ ভাল সংগঠন আছে, যে জেলায় লড়াই আন্দোলনের দীর্ঘ ইতিহাস আছে, সেই জেলাতেই এমন সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করি, আগামীদিনে অন্যান্য দলেও এই প্রবনতা দেখা দেবে।

