খেলা যখন দুই মলাটে

খেলার বইয়ের নাকি পাঠক নেই। এমন একটা আক্ষেপ মাঝে মাঝেই শোনা যেত। কিন্তু গত কয়েক বছরে ছবিটা অনেকটাই বদলে গিয়েছে। এখন বইমেলা এলেই ঝাঁকে ঝাঁকে খেলার বই। কোনওটা হয়তো জীবনীনির্ভর।...

ঘরের পাশে, পড়শি দেশে

ইচ্ছে ছিল সকলের জন্য বিদেশ ভ্রমণের কিছু স্মারক চিহ্ন নিয়ে আসব। কিন্তু দামের পারদ যেভাবে উর্দ্ধমুখী আমাদের পকেটের অবস্থা ততটাই নিম্নমুখী। তাই সকলের জন্য ভুটানি ম্যাগি, অন্ধকারে খেলে আলো জ্বলবে এমন চকলেট, আর গুটিকয়েক ভুটানি কোল্ডড্রিঙ্কস নিয়ে আবার আমার দেশে টুক করে ফিরে এলাম। শুধু আমার দেশের পরেই নয়, সকল দেশের পরেই ঠেকাই মাথা। কাজেই ভিসা পাসপোর্ট না থাকলেও বিদেশ ভ্রমণের এমন সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।

সোনার কেল্লা পার্ট টু

(‌ঠিক বছর দশ আগের কথা। মুকুল রায়কে নিয়ে তৈরি হয়েছিল অদ্ভুত এক জল্পনা। তিনি আসলে কোন দলে, তাই নিয়েই ছিল নানা ধোঁয়াশা। মনে হচ্ছিল, তিনি যেন সোনার কেল্লার সেই মুকুল। পূর্বজন্মের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। বেঙ্গল টাইমসে লেখা হয়েছিল সোনার কেল্লা পার্ট টু। লিখেছিলেন রবি কর। সেই লেখা আবার প্রকাশিত হল।)‌

মেঘের দেশের হাতছানি, নির্জন সেই দাওয়াই পানি

বাড়ির সামনেই একটা বেঞ্চ পাতা। ঘরে ঢোকার আগেই সেদিকে চোখ চলে গেল। সামনে একেবারে খোলা জায়গা। সামনে কোনও বাড়ি নেই। কোনও জনপদ নেই। একেবারে খোলা পাহাড়। দূরে নাম না জানা সব পাহাড়ের সারি। আহা, এই বেঞ্চে বসেই তো অনন্ত সময় কেটে যায়। গেয়ে উঠলাম, ‘‌আমার আর কোথাও যাওয়ার নেই। কিচ্ছু করার নেই।’‌

ওরা কী চায়, নিজেরাই জানে না

ফোকাস। ফোকাস। মোবাইলে মগ্ন বিরাট অংশের তরুণদের মধ্যে সেই ফোকাসটাই নেই। সারাদিনে ওদের স্ক্রিনটাইম হয়ত দশ থেকে বারো ঘণ্টা। মানে, এতটা সময় মোবাইল হাতে কাটায়। যে সময় মোবাইল হাতে নেই, তখনও কিন্তু ভাবনায় সেই মোবাইলই ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই সময়টা আরও দু–‌তিন ঘণ্টা। অর্থাৎ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মোবাইল সংযোগ অন্তত বারো থেকে পনেরো ঘণ্টার। তার পরেও দিনের শেষে প্রশ্ন করুন, সারাদিনের প্রাপ্তি কী ?‌ বলার মতো বিশেষ কিছুই থাকবে না।

বইমেলার ডায়েরি

শুরু হল বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— বইমেলার ডায়েরি। চলবে পুরো জানুয়ারি মাস জুড়েই। বইমেলার নানা ঘটনা, বিতর্ক যেমন থাকবে। তেমনই থাকবে কিছু স্মরণীয় বইয়ের আলোচনা। ১)‌ পাঠকরাও অংশ নিতে পারেন।...

সুচিত্রা সেন বিশেষ সংখ্যা

সুচিত্রার চরিত্রের অনেক অজানা দিক ও গল্প নিয়েই বিশেষ ই–‌ম্যাগাজিন। পিডিএফ দেওয়া হল। সঙ্গে দেওয়া হল ওয়েব লিঙ্ক। ডাউনলোড করলেই সহজে পড়া যাবে।

বাংলাদেশ নেই, দীর্ঘশ্বাস আছে

নাম কে ওয়াস্তে কয়েকটা লোকের ফেসবুক পোস্ট দেখে আমরা কী অবলীলায় এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেলাম যে, বাংলাদেশের লোকেরা ভারতকে সহ্য করতে পারে না। একশ্রেণির বিকৃত মনের উন্মাদ সব দেশেই থাকে। তাঁদের সেই হুঙ্কারকে আমরা সেই দেশের আমজনতার কণ্ঠস্বর হিসেবে ধরে নিচ্ছি। এ যে আমাদের কতবড় অজ্ঞতা, তা আমরা বুঝতেও পারছি না।

গণ্ডমূর্খদের মুখে ‘‌দেশপ্রেম’‌ বড্ড বেমানান

এরা বিজেপির লেজুড়বৃত্তি করতে করতে নিজেদের কোথান এনে দাঁড় করিয়েছেন, নিজেরাও জানেন না। যে অসভ্যতা বিজেপির অ্যাজেন্ডা, সেটাকে এঁরা বোর্ডের অ্যাজেন্ডা বানিয়ে ফেলেছেন।

সবাই হাওয়া গরম করতেই ব্যস্ত, ভোগান্তি তো বাড়বেই

ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা তৈরি হোক, এ নিয়ে কোনও মহলেই দ্বিমত থাকার কথা নয়। কিন্তু তা করতে গিয়ে যে পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে, তা বেশ বিভ্রান্তিকর। এতবড় একটা কাজ আরও সময় নিয়ে, আরও প্রস্তুতি নিয়ে করা যেত। কী কী সমস্যা আসতে পারে, এলে কীভাবে তা সামাল দেওয়া যায়, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা ছিল বলেও মনে হয় না।