শ্রুতিনাটক বলতেই ভেসে ওঠে দুটো নাম— জগন্নাথ বসু, উর্মিমালা বসু। অনেকে বলেন, শ্রুতিনাটকের উত্তম–সুচিত্রা। বাংলায় অনেক জুটির মাঝে আরও একটা স্মরণীয় জুটি। এক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে পাওয়া গেল সেই জুটিকে। একান্তে পাওয়া গেল উর্মিমালা বসুকেও। কিছুটা ইন্টারভিউ। কিছুটা আড্ডা। বেঙ্গল টাইমসের জন্য সেই অন্তরঙ্গ কথোপকথন তুলে আনলেন সংহিতা বারুই।
অনেক ঝড়ঝাপটা বয়ে গেছে তাঁর জীবনের ওপর দিয়ে। নিজেকে যতটা সম্ভব, আড়ালেই রাখেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তেমন সক্রিয় নন। বিতর্ক থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকারই চেষ্টা করেন। বারবার বঞ্চনার শিকার হলেও ক্ষোভ উগরে দিতে বা অন্য কাউকে দোষারোপ করতে দেখা যায় না।
আড্ডা নিয়ে একটা গান লিখতে পারো তো। কফি হাউসের ওই আড্ডা নিয়েও তো গান হতে পারে। গৌরীপ্রসন্নর কাছে আবদার রাখলেন অনুজপ্রতিম সুপর্ণকান্তি। যেমন কথা, তেমন কাজ। লিখেও ফেললেন গৌরীপ্রসন্ন। শেষ কয়েকটা লাইন লিখেছিলেন হাওড়া স্টেশনে বসে, সিগারেটের খাপের উল্টোদিকে। সেই কালজয়ী গানের আড়ালের কথা উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।