এইসব কালজয়ী গান আমার বাবা লিখেছেন!
একেকটা গানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে কত অজানা গল্প। কীভাবে সেই গান লেখা হল? কার জন্য লেখা, কে গাইলেন! বাবা পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শোনা তেমনই কিছু গানের কথা মেলে ধরলেন পিয়াল বন্দ্যোপাধ্যায়।
একেকটা গানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে কত অজানা গল্প। কীভাবে সেই গান লেখা হল? কার জন্য লেখা, কে গাইলেন! বাবা পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শোনা তেমনই কিছু গানের কথা মেলে ধরলেন পিয়াল বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি হঠাৎ করে বিজেপি হয়ে যাননি। তিনি হঠাৎ করে শিবির বদল করে অন্যদিকে চলেও যাবেন না। এটুকু ভরসা তাঁকে অন্তত করা যায়। এই বিকিয়ে যাওয়ার যুগে এই আস্থাটুকুই বা কজনের সম্পর্কে রাখা যায়! তিনি গ্রামের মানুষ, যেটা মনে করেন, সেটাই বলেন। শহুরে মানুষের মতো এত রেখেঢেকে কথা বলতে পারেন না। বলার চেষ্টাও করেন না। পলিটিক্যালি কারেক্ট থাকার মিথ্যে ভড়ং তাঁর মধ্যে নেই। তিনি যেটা বিশ্বাস করেন, সেটাই বলেন। বিতর্ক হল কিনা, পরোয়া করেন না।
মনে মনে বললাম, সে কেমন পিসফুল হচ্ছে, সে তো সকাল থেকে দেখতেই পাচ্ছি। আমরা খেতে এলাম, সেই সুযোগে যদি অবাধে ব্যালট লুঠ হয়! আরে বাবা, হিসেব তো সেই আমাদেরই দিতে হবে। তখন আমাদের চাকরি নিয়ে টানাটানি।
সেই নেতাই আশ্বস্ত করলেন, কোনও চিন্তা নেই। আপনাদের আড়ালে কিছু হবে না। যা হবে, আপনাদের সামনেই হবে, নিশ্চিন্তে হিসেব মেলাবেন।
রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বাঙালির আদিখ্যেতার শেষ নেই। একটা সমীক্ষা করুন, কজন জোড়াসাঁকোয় গিয়েছেন। খাস কলকাতায় হাজারে একজনও পাবেন কিনা সন্দেহ। এই হল রবি ঠাকুরের প্রতি বাঙালির ভালবাসার নমুনা। লিখেছেন সজল মুখার্জি ।।
একটা সমীক্ষা করুন তো, কজন বাঙালি রবীন্দ্রনাথের গোটা একটা উপন্যাস পড়েছেন। একটা নাটক পড়েছেন? নিদেনপক্ষে সিলেবাসের বাইরে গিয়ে একটা ছোট গল্প পড়েছেন! প্রবন্ধ, চিঠিপত্র— এগুলো তো বাদই দিলাম।
এমন হাহাকার তো কয়েক বছর আগেও ছিল না। যাঁরাই খেলা দেখতে চাইতেন, দেখতে পেতেন। ক্লাব থেকেও টাকা দিয়ে টিকিট কেনা যেত। আবার যুবভারতী থেকেও কেনা যেত। বিরাট যে লাইন পড়ত, তাও নয়। তাহলে হঠাৎ কি ফুটবল অনুরাগীর সংখ্যা বেড়ে গেল?