এইসব কালজয়ী গান আমার বাবা লিখেছেন!‌

একেকটা গানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে কত অজানা গল্প। কীভাবে সেই গান লেখা হল?‌ কার জন্য লেখা, কে গাইলেন!‌ বাবা পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে শোনা তেমনই কিছু গানের কথা মেলে ধরলেন পিয়াল বন্দ্যোপাধ্যায়।

দিল্লির নেতাদের মতো দিলীপ ঘোষ অন্তত ভণ্ড নন

তিনি হঠাৎ করে বিজেপি হয়ে যাননি। তিনি হঠাৎ করে শিবির বদল করে অন্যদিকে চলেও যাবেন না। এটুকু ভরসা তাঁকে অন্তত করা যায়। এই বিকিয়ে যাওয়ার যুগে এই আস্থাটুকুই বা কজনের সম্পর্কে রাখা যায়!‌ তিনি গ্রামের মানুষ, যেটা মনে করেন, সেটাই বলেন। শহুরে মানুষের মতো এত রেখেঢেকে কথা বলতে পারেন না। বলার চেষ্টাও করেন না। পলিটিক্যালি কারেক্ট থাকার মিথ্যে ভড়ং তাঁর মধ্যে নেই। তিনি যেটা বিশ্বাস করেন, সেটাই বলেন। বিতর্ক হল কিনা, পরোয়া করেন না।

৪১ আসনে তৃণমূল জিতুক

হরিশ মুখার্জি আমি প্রবল তৃণমূল বিরোধী। তারপরেও বলছি, এই রাজ্য থেকে তৃণমূল ৪১টি আসন পাক। আমার কোনও আপত্তি নেই। বিনিময়ে একটি আসনে তৃণমূলের হার চাই। সেটা হল ডায়মন্ড হারবার। এই...

‌স্পেশ্যাল ট্রেন!‌ টিকিট কাটার আগে ভাবুন

প্রশান্ত বসু সম্প্রতি উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলাম। খুব যে আগে থেকে পরিকল্পনা ছিল, এমন নয়। ফলে, আগে থেকে টিকিট কাটার সুযোগ ছিল না। যখন টিকিট কাটতে গেলাম, দেখা গেল, দার্জিলিং মেল, পদাতিক,...

লঘুপাপে যেন গুরুদণ্ড না হয়

অভিরূপ কুমার সুপ্রিম কোর্টের রায় সত্যিই অনেকটা স্বস্তি দিল। প্রথমেই বলে রাখি, আমি শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত নই। হয়তো সেই যোগ্যতাও আমার নেই। তাই আমার চাকরি চলে গিয়েছিল, এমন নয়। বা...

ভোটকর্মীর ডায়েরি (দ্বিতীয় কিস্তি)

মনে মনে বললাম, সে কেমন পিসফুল হচ্ছে, সে তো সকাল থেকে দেখতেই পাচ্ছি। আমরা খেতে এলাম, সেই সুযোগে যদি অবাধে ব্যালট লুঠ হয়!‌ আরে বাবা, হিসেব তো সেই আমাদেরই দিতে হবে। তখন আমাদের চাকরি নিয়ে টানাটানি।

সেই নেতাই আশ্বস্ত করলেন, কোনও চিন্তা নেই। আপনাদের আড়ালে কিছু হবে না। যা হবে, আপনাদের সামনেই হবে, নিশ্চিন্তে হিসেব মেলাবেন।

কজন বাঙালি গিয়েছেন জোড়াসাঁকোয়?‌

রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বাঙালির আদিখ্যেতার শেষ নেই। একটা সমীক্ষা করুন, কজন জোড়াসাঁকোয় গিয়েছেন। খাস কলকাতায় হাজারে একজনও পাবেন কিনা সন্দেহ। এই হল রবি ঠাকুরের প্রতি বাঙালির ভালবাসার নমুনা। লিখেছেন সজল মুখার্জি ।।

পঁচিশে বৈশাখ এলে বাঙালিকে আর পায় কে!‌

একটা সমীক্ষা করুন তো, কজন বাঙালি রবীন্দ্রনাথের গোটা একটা উপন্যাস পড়েছেন। একটা নাটক পড়েছেন?‌ নিদেনপক্ষে সিলেবাসের বাইরে গিয়ে একটা ছোট গল্প পড়েছেন!‌ প্রবন্ধ, চিঠিপত্র— এগুলো তো বাদই দিলাম।

উপন্যাস:‌ নেতারহাটে নিশির ডাক

একটু বেড়ানো, একটু সাংবাদিকতার ফ্ল্যাশব্যাক, একটু রহস্য, একটু গা ছমছমে অনুভূতি। সবমিলিয়েই স্বরূপ গোস্বামীর ‘‌নেতারহাটে নিশির ডাক’‌। একটু অন্যরকম উপন্যাস। এমনিতেই লোকের পড়ার ধৈর্য কম। তবু দুশো পাতার এই বই...

এত টিকিটের হাহাকার, তাও গ্যালারি ভরছে না কেন?‌

এমন হাহাকার তো কয়েক বছর আগেও ছিল না। যাঁরাই খেলা দেখতে চাইতেন, দেখতে পেতেন। ক্লাব থেকেও টাকা দিয়ে টিকিট কেনা যেত। আবার যুবভারতী থেকেও কেনা যেত। বিরাট যে লাইন পড়ত, তাও নয়। তাহলে হঠাৎ কি ফুটবল অনুরাগীর সংখ্যা বেড়ে গেল?‌