প্রজন্মের ঊর্ধ্বে তাঁর সৃষ্টি

আর তার পরেই মাত্র ৫১ বছর বয়সে পানাসক্ত এক প্রোটাগনিস্ট দের মহাপ্রস্থান। যা কিছু অন্যায়, অবিচার থেকে ধাক্কা দিয়ে, অচলায়তনকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে, আধমরাদের ঘা মেরে বাঁচিয়ে এবং আঁতেলদের “ভাবা প্র্যাকটিস করিয়ে”। তাঁর পাগলামি, নেশা, খামখেয়ালিপনা থেকে সৃষ্টি, এমনকি ঝরে পড়া– কোনও কিছুরই কোনও তুলনা নেই। ঋত্বিকের তুলনা তো ঋত্বিক নিজেই! ঋত্বিকের ৯৫ তম জন্মদিনের প্রাক্কালে তাঁকে নিয়ে লিখলেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।

প্রধানমন্ত্রী নিজের পদের ওজন কবে যে বুঝবেন!‌

মনমোহন সিং কি কখনও এই ভাষায় বিরোধীদের আক্রমণ করেছেন?‌ মনে পড়ছে না। অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীরাও সারাক্ষণ এভাবে নিজেদের ঢাক পিটিয়ে যেতেন বলে শুনিনি। বিরোধীদের এমন কদর্য আক্রমণ করতেন বলে শুনিনি। আসলে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী নিজের চেয়ারের উচ্চতা ও ওজনটাই ভুলে যান। তাই জনসভার মঞ্চ শেষমেষ ভাঁড়ামির মঞ্চ হয়ে দাঁড়ায়।লিখেছেন হেমন্ত রায়।