ফিরে এসো, প্রিয় ডাবল ডেকার
ষাট পেরোনো নস্টালজিয়া নিয়ে আবার খুঁজতে বেরোবো। ফিরে আসুক সেই ডাবল ডেকার। আবার সেই উদ্দেশ্যহীনভাবে না হয় বাসে উঠে পড়ব। ষাটোর্ধ্ব চোখ দিয়ে আবার খুঁজব আমার হারানো কলকাতাকে।
ষাট পেরোনো নস্টালজিয়া নিয়ে আবার খুঁজতে বেরোবো। ফিরে আসুক সেই ডাবল ডেকার। আবার সেই উদ্দেশ্যহীনভাবে না হয় বাসে উঠে পড়ব। ষাটোর্ধ্ব চোখ দিয়ে আবার খুঁজব আমার হারানো কলকাতাকে।
বাচ্চু সর্দার এর নাম আমি প্রথম শুনি দয়াপুরে। তারপর শান্তিগাছি, কুমীরমারি যেখানেই গেছি, প্রায় সবাই ওর নাম করেছেন খুব সাবধানে, ভয়ে ভয়ে। সুন্দরবনের এক সময়কার ভয়ঙ্কর জলদস্যু বাচ্চু। ওকে ঘিরে সুন্দরবনের আনাচে কানাচে কত মিথ, কত গল্প ছড়িয়ে আছে, তার ইয়ত্তা নেই। বাদাবনের বেতাজ বাদশা। পুলিশের হাতে কখনও ধরা পড়েনি। বন দপ্তরও ওর হদিশ পায়নি।জলদস্যুদের অজানা কাহিনি উঠে এল শুভেন্দু আচার্যর লেখায়।
স্বাধীনোত্তর ভারতে প্রথম বিদেশি বধের ইতিহাসটি কেমন যেন সাদামাটা হয়েই রইল। পাস ক্লাবকে হারানো নিছক একটা ট্রফি জয় ছিল না। এর ব্যাপ্তিটা তার থেকে অনেক বেশি। সে ছিল ছিন্নমূল একটা জাতির ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। দুর্ভাগ্যের বিষয়, ফুটবল ঐতিহাসিকরা এর আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপট সেভাবে তুলেই ধরলেন না। এমনকী যাঁরা বাম আন্দোলনের ইতিহাস লিখে গেছেন, তাঁরাও যেন পাসকে বাইপাস করে গেছেন।লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।।
কেন রঙিন জল, নানা ব্যাখ্যা ভেসে আসছে। কেউ বলছেন, রাসায়নিক মেশানো ছিল। কেউ বলছেন, এতে নাকি করোনার জীবাণু মেশানো ছিল। এইসব উদ্ভট দাবি নিয়ে কেউ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখছেন, কেউ আবার হাইকোর্টে মামলা করছেন। নিজেদের হাস্যকর করে তুলতে রাজ্য বিজেপির জুড়ি নেই। এর ফলে, আসল প্রশ্নটা চাপা পড়ে যাচ্ছে। লিখেছেন উত্তম জানা।
আব্বাসরা নতুন দল গড়তেই পারেন। কারও সঙ্গে জোটও করতে পারেন। কিন্তু একটা রাজনৈতিক অবস্থান তো থাকবে। সব দরজা খুলে রেখে যাঁরা রাজনৈতিক দাবি জানান, তাঁরা কতটা বিশ্বাসযোগ্য, নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।
শুশুনিয়া মানে শুধু পাহাড় নয়। পাহাড়ের পেছনে রয়েছে এক শিলালিপি। যা আজ থেকে অন্তত ১৬০০ বছর আগের। এত বছর আগে, এই পাহাড়েই গুহা তৈরি করে ডেরা আশ্রয় নিয়েছিলেন রাজা চন্দ্রবর্মা। সেই ইতিহাস তুলে আনলেন অন্তরা চৌধুরি।
রাজা নীলমনি সিংহরাও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন। সিপাহী বিদ্রোহের সময় পুরুলিয়া ট্রেজারি লুঠ তাঁর আমলেই হয়েছিল। প্রায় তিনমাস পুরুলিয়া ইংরেজ শাসন মুক্ত ছিল। শোনা যায়, এখানে নবরত্ন সভাও বসত। বসতো ভাদু, ঝুমুর ও বিষ্ণুপুর ঘরানার সংগীতের আসর।কাশীপুর রাজবাড়ি থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সন্দীপ লায়েক।