২৯ জুলাই, মুসলিম তরুণের চোখে
ঢাকা থেকে কলকাতায় হাজির এক যুবক। জাতিতে মুসলিম। মোহনবাগানের নামও কখনও শোনেনি। হঠাৎ সেও জড়িয়ে গেল শিল্ড জয়ের সেলিব্রেশনে। কীভাবে? টাইম মেশিনে ১৯১১ তে ফিরে গিয়ে তাঁর বয়ানেই সেই লেখা তুলে আনলেন ময়ূখ নস্কর।।
ঢাকা থেকে কলকাতায় হাজির এক যুবক। জাতিতে মুসলিম। মোহনবাগানের নামও কখনও শোনেনি। হঠাৎ সেও জড়িয়ে গেল শিল্ড জয়ের সেলিব্রেশনে। কীভাবে? টাইম মেশিনে ১৯১১ তে ফিরে গিয়ে তাঁর বয়ানেই সেই লেখা তুলে আনলেন ময়ূখ নস্কর।।
কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ? অনেক অজানা দিক উঠে এল এই প্রতিবেদনে।
নাগরিক জীবনের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরতে পারেন। থানা, অফিস, হাসপাতাল, স্টেশন, ইউনিভার্সিটি- নানা জায়গায় ভোগান্তি হলে আমাদের জানাতে পারেন। নিজের সেই অনুভূতিকে পাঠকদের মধ্যে ভাগ করে নিতে পারেন।
মুকুল রায় ঘটা করে প্রেস কনফারেন্স করলেন। জানিয়ে দিলেন, তিনি বিজেপি ছাড়ছেন না। অনেকে ভাবছেন, জল্পনা কাটল। আসলে, জল্পনা থেকেই গেল। আজ না হোক কাল, তাঁকে তৃণমূলে ফিরতেই হবে। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।
(মুকুলকে নিয়ে আবার জোর জল্পনা। আবার পুরনো ঘরে ফিরে আসবেন? নাকি চাপ বাড়িয়ে যেখানে আছেন, সেখানেই থেকে যাবেন। বছর পাঁচেক আগেও তাঁকে নিয়ে এমনই জোরালো জল্পনা তৈরি হয়েছিল। যেন সোনার কেল্লার সেই মুকুল। পূর্বজন্মের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল। বেঙ্গল টাইমসে লেখা হয়েছিল সোনার কেল্লা পার্ট টু। লিখেছিলেন রবি কর। সেই লেখা আবার প্রকাশিত হল।)
রাজ্য কমিটির কাজটা কী হবে? ধরা যাক, প্রার্থী তালিকা। কোথায় কে প্রার্থী হবেন, এই নিয়ে দলের কোনও ফোরামে আলোচনা হয়েছে? কোনও বিতর্কের কোনও অবকাশ আছে? কারও নাম প্রস্তাব করার বা কারও নামে আপত্তি জানানোর কোনও সুযোগ আছে? পুরুলিয়ার পল্ল্টুটু বাবু যখন জানলেন, সুব্রত মুখার্জি বা ববি হাকিমরাও তখনই জানলেন। হায় রে, তাঁদেরও দলের সিদ্ধান্ত জানতে টিভিতে চোখ রাখতে হয়। লিখেছেন জয় সরকার।
গত বছর এই দিনে ছিল শতবর্ষ পালনের লম্বা মিছিল। কী আশ্চর্য, তার ঠিক এক বছর আগে, এই দিনেই চিরতরে জীবনের ময়দান থেকে বিদায় নিয়েছিলেন স্বপন বল। স্বপন বলের স্মরণে মর্মস্পর্শী একটি লেখা লিখেছিলেন কুণাল দাশগুপ্ত। স্মৃতিকে একটু উস্কে দিতে সেই লেখাই ফিরে এল বেঙ্গল টাইমসে।
নানা মহল থেকে আবদার/দাবি আসছে, গল্প ও অণু গল্প নিয়ে একটা বিশেষ সংখ্যা করার। সেই সংখ্যায় শুধু গল্প ও অণু গল্পই থাকবে। গত পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে বেঙ্গল টাইমসে সাহিত্য বেশ গুরুত্ব পায়। পাঠকদের দাবি মেনে নিয়ে, আগস্টের মাঝাঝাঝি থাকছে বিশেষ গল্প সংখ্যা।
কাদের নির্দেশে এসব কাজ করছে পুলিশ? এসব কাজ বিজেপির জমিকেই আরও শক্ত করে। এসব কাজ সাম্প্রদায়িক প্রচারকে আরও মজবুত করে। বিরোধীরা সুযোগ নেবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যাঁরা বারবার এই সুযোগ হাতে তুলে দিচ্ছেন, তাঁদের অপরাধও কোনও অংশে কম নয়। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।