যাঁরা শুধু সুরকার, তাঁদের ক্ষেত্রে বিষয়টা অন্যরকম। সলিল চৌধুরি, নচিকেতা ঘোষ বা সুধীন দাশগুপ্তরা নিজেরা গান গাইতেন না। ফলে, ভাল সুরগুলো কাউকে না কাউকে দিতেই হত। কিন্তু হেমন্তর ক্ষেত্রে বিষয়টা অন্যরকম। তিনি নিজে গাইতে পারতেন, অথচ মহান সৃষ্টি হাসতে হাসতে তুলে দিচ্ছেন অন্যের হাতে। এর জন্য অনেক চওড়া হৃদয় লাগে। লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।
বাংলা ছবিতে কিশোরের রবীন্দ্রসঙ্গীত! অনেকেই সত্যজিৎ রায়ের চারুলতার কথা বলবেন। কিন্তু তার অনেক আগে, লুকোচুরিতে তাঁকে দিয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইয়েছিলেন স্বয়ং হেমন্ত। কিশোর-হেমন্ত যুগলবন্দির নানা অজানা দিক তুলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।
কোন গানের জন্য হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে মনে রাখবেন? রবীন্দ্র সঙ্গীত ? বাংলা ছবির গান ? হিন্দি ছবির গান ? নাকি গণসঙ্গীত ? নাকি অসামানন্য সুরের জন্য? আসলে, হেমন্ত কখনই একটা নির্দিষ্ট ঘরানাতে আঁকড়ে থাকেননি। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।
আজ থেকে তিরিশ–চল্লিশ বছর আগে ছিল ক্যাসেটের জমানা। তখন প্রায় প্রতিটি বাঙালি বাড়িতে ‘লিজেন্ডস অফ গ্লোরি’ নামে একটি ক্যাসেট থাকত। সম্ভবত বাংলা গানের ইতিহাসে এটিই জনপ্রিয়তম ক্যাসেট। সলিল চৌধুরির সুরে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়েক কণ্ঠে দশটি গানের সংকলন। এই ক্যাসেটটি বাঙালির জীবনে ‘রসুন’ সংস্কৃতি সৃষ্টি করেছিল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
কখন প্রথম প্লে ব্যাক করেন? প্রথম কখন রেকর্ড বেরোয়? কতগুলো বাংলা ও হিন্দি ছবিতে সুর করেন? এমন নানা প্রশ্নের জবাব জানা অজানা হেমন্ত। সংকলনে সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।